পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

নিয়োগ-পদোন্নতিতে অভিন্ন নীতিমালা চায় ইউজিসি

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের স্বায়ত্তশাসিত এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য অভিন্ন নীতিমালা করার তোড়জোড় চলছে। যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরাম। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) দাবি এই নীতিমালা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্ববিদ্যালয় ধারণাটার আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে মুক্তচিন্তা আর কাজের স্বাধীনতা। প্রাচীন তক্ষশিলা থেকে এ যুগের প্রথম সারির এমআইটি, স্ট্যানফোর্ড কিংবা হার্ভার্ডে উচ্চশিক্ষায় এই চর্চা চলছে।

১৯৭৩ সালে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম এই চারটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য পাস হয় একটি অধ্যাদেশ। যার মাধ্যমে দেয়া হয় স্বায়ত্তশাসন। পরে অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য করা হয় আলাদা আইন। ভিন্ন ভিন্ন আইনে চলা এই স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নের কথা বলে দুই বছর আগে কাজ শুরু হয় অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কাজ করছে নিয়োগ ও পদোন্নতি বিষয়ক সমন্বিত নীতিমালা তৈরির। এর খসড়ায় পাঠদান বা গবেষণার সময়কেও বেঁধে দেয়া হয় সুনির্দিষ্ট কর্মঘণ্টায়। তবে শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছেন শিক্ষকরা। তাদের দাবি, এতে স্বাতন্ত্র্য হারাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন, উচ্চশিক্ষার জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য অভিন্ন নিয়োগ ও পদোন্নতির নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি নিয়ে ইউজিসি অনেক দিন ধরে কাজ করছে। ইউজিসির ওয়েবসাইটে ২২.০১.২০১৮ তারিখে প্রকাশিত অভিন্ন নীতিমালা, যেটি ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখের ইউজিসির সভায় চূড়ান্ত করা হয়, সেখানে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ প্রণয়নের পর শিক্ষকদের বেতন কাঠামো নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে ইউজিসি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কমিশন সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ প্রশাসনের কয়েকজন সিনিয়র সচিবের কয়েক দফা আলোচনাকালে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়নসংক্রান্ত একটি অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি প্রাধান্য পায়’।

 

 

"