মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে কাদের

পাকিস্তানপন্থি এনজিও রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিশৃঙ্খলা করছে

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাকিস্তানপন্থি কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিশৃঙ্খলা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, কয়েকটি এনজিওর কর্মকা-ের বিষয়ে সরকারের কাছে অভিযোগ এসেছে। এনজিওরা মোনাজাত করবে বলে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে রাজনৈতিক মহাসমাবেশ করেছে। এই সমাবেশে কয়েকটি এনজিওরসহায়তার বিষয়ে সরকার অবগত হয়েছে। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গতকাল রোববার সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন কাদের।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতের বিষয়ে কাদের বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কথা হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওদের কর্মকা- সম্পর্কে তথ্য যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছি। নানা ধরনের অভিযোগ আসে, কোনোটা সত্য আবার কোনোটা সত্য নাও হতে পারে। এ বিষয়টি মার্কিন দূতকে জানিয়েছি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদারতাকে প্রশংসা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলেছে, ওই মুহূর্তে বাংলাদেশ যে মানবিকতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। তাদের সুষ্ঠুভাবে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, তারা তাতে একমত।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (মার্কিন রাষ্ট্রদূত) বলল, আমরা তো এই ইস্যুতে প্রথম থেকেই তোমাদের সঙ্গে আছি, বাংলাদেশ যে পজেটিভলি রেসপন্স করেছে, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে বর্ডার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন যে উদারতার সঙ্গে, এটা রেয়ার। অবশ্যই বাংলাদেশ প্রশংসার দাবিদার।

যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাবাসনে চাপ দেবে কি নাÑ এ বিষয়ে কাদের বলেন, সেটা আমরা বলছি। তাদের সঙ্গে চায়নার ট্রেডওয়্যার চলছে, মিয়ানমারকে হয়তো চাপ প্রয়োগ করবে। আমাদের প্রতিনিধিদল চায়না গেছে। চায়নার মতো বড় শক্তি মিয়ানমার তাদের বন্ধু দেশ, সে ক্ষেত্রে মিয়ানমারের ওপর চাপটা আরো বেশি করে প্রয়োগ করে। এখানে ১১ লাখ লোক আমাদের ইকোট্যুরিজম অ্যাফেক্ট হচ্ছে। এত বড় বোঝা নিতে পারছি না। তারা প্রতিনিয়তই মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে, যাতে তাদের ডিগনিটি ও সেফটি এবং সিটিজেনশিপ নিশ্চিত করে তাদের সিটিজেনকে তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেওয়ার খবরের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ছাত্রলীগের কিছু কর্মকা-ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষোভ থাকতে পারে। তবে শনিবারের মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

"