সরকারি কর্মকর্তাদের ই-মেইল ব্যবহার বাধ্যতামূলক হচ্ছে

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি ও অফিশিয়াল কাজে কর্মকর্তাদের সরকারি বা সরকার প্রদত্ত ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ডটগভডটবিডি সংবলিত ই-মেইলের বাইরে অন্য প্ল্যাটফরম বা ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহারের ওপর আরোপ করা হচ্ছে কড়াকড়ি। এজন্য অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে ‘ই-মেইল পলিসি’। গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার এবং ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা’-বিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে কোর্সের উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সরকারি কর্মকর্তারা এখনো দাফতরিক কাজে শতভাগ অফিশিয়াল ই-মেইল ঠিকানা উল্লেখ করেন না দাবি করে পলক বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা এখনো ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা দিয়েই দাফতরিক কাজ করছেন। এটা ঠিক না। অবশ্য ৯০ শতাংশ কর্মকর্তাই করছেন। আবার অনেকেই জানেন না, বিসিসি (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল) থেকে সব কর্মকর্তাকে একটি সরকারি ই-মেইল অ্যাড্রেস দেওয়া হয়। এর শেষে থাকে ডটগভডটবিডি। আপনারা অনেকেই এখনো জানেন না। আমরা চাই, সরকারি কর্মকর্তারা সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করবেন। কারণ একজন ব্যক্তির কারণে পুরো দেশ সাইবার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সরকারি কর্মকর্তাদের সরকার প্রদত্ত ই-মেইল ব্যবহারে বাধ্য করতে আইন তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান পলক। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে একটি ‘ই-মেইল পলিসি’ তৈরি করেছি; যা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় আছে। বিসিসি থেকে একটি নোটিস জারি করা হতে পারে সবার উদ্দেশে সরকার প্রদত্ত ই-মেইল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য। পুরো দেশ যেখানে ডিজিটাল হচ্ছে, সেখানে ঝুঁকিও থাকবে। তবে সেই ঝুঁকি মোকাবিলায় আমরা কোনো ফাঁক রাখতে চাই না।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে অন্তত একটি অনলাইন কোর্স দেব। এর জন্য সব ধরনের সাপোর্ট আমরা দেব। পর্যায়ক্রমে অনেকগুলো কোর্স অনলাইনে নিয়ে যাব। এ ছাড়া মুক্তপাঠে বিভিন্ন কনটেন্ট আমরা রেখে দিতে পারি, এতে অল্প সময়ে অনেককে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে।’

অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির (ডিএসএ) মহাপরিচালক রাশেদুল ইসলাম। কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন ডিএসএর পরিচালক তারেক এম বরকত উল্লাহ এবং এটুআইয়ের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার আরফে এলাহি।

 

"