বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহান এই নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এই মহান নেতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল এ

সময় রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে এ সময় বিশেষ মোনাজাত হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তাদের তিন সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল এবং কামাল ও জামালের নবপরিণীতা স্ত্রীসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের অধিকাংশ সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে কিছু বিপথগামী ক্ষমতালিপ্সু সেনা সদস্যের বুলেটের নির্মম শিকার হয়ে প্রাণ হারান। বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।

গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা, ১৪ দলীয় নেতা ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও অন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদিতে পৃথক শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সে সময়কার বাসভবন, যেটি পরবর্তী সময়ে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়, তা ঘুরে দেখেন। তারা সেখানে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের এই বাড়িতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত হত্যাকা- সংঘটিত হয়।

ধানমন্ডি থেকে প্রধানমন্ত্রী বনানী কবরস্থানে যান। সেখানে তার মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের কবরে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন। তিনি এ সময় ফাতিহা পাঠ করেন। ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের শান্তি কামনায় দোয়া করেন।

 

"