চট্টগ্রামে ফের উচ্ছেদ শুরু

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের চাক্তাই খালের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতি উচ্ছেদ অভিযান ফের শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে খালের বহদ্দারহাট অংশে উচ্ছেদে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুল আলম চৌধুরী। সিডিএ সূত্র জানায়, চাক্তাই খালটির দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ৮৮১ কিলোমিটার। বিএস খতিয়ান অনুযায়ী খালের ৮ দশমিক ১৩৭ একর জায়গা বেদখল। খালটির ওপর অবৈধ স্থাপনা ৩০০টি।

সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিন বলেন, পর্যায়ক্রমে নগরীর ১৩টি খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এ অভিযান আগামী দুই মাস পর্যন্ত চলবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এরপর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে পতেঙ্গা বিমানবন্দর সড়কের লালদিয়ায় কর্ণফুলীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃৃপক্ষ। ১৫ একর জায়গা উদ্ধার করে আমদানি-রফতানি পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের জন্য টার্মিনাল বানাবে বন্দর।

অভিযানের নোটিস পেয়ে অনেক স্থাপনা নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ এলাকায় লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়েছে। বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম বাড়ৈর নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলমগীর হাসান জানান, ১২-১৩ নম্বর ঘাটের মাঝখানে ১৩০ পরিবার উচ্ছেদ করা হবে। যাদের সামর্থ্য আছে তারা ঘরবাড়ি ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে।

 

"