কাল্পনিক বক্তব্যে নিন্দার ঝড়

প্রিয়া সাহার অসত্য বক্তব্যে তোলপাড়

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

জুবায়ের চৌধুরী

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার দেওয়া বক্তব্যকে ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। তার এই ‘ডাহা মিথ্যা’ নালিশের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে নিন্দার ঝড় বইছে। মুসলিমসহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানরাও এই বাংলাদেশি নারীর কাল্পনিক বক্তব্যের প্রতিবাদ করছেন। গত দুই দিন ধরে প্রিয়া সাহার ওই বিতর্কিত বক্তব্যটিই এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া অভিযোগ করেন, ‘বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান গুম হয়ে গেছে। তার নিজের বাড়ি জমি দখল করা হয়েছে।’ তার এই বক্তব্যের দায় নিচ্ছে না হিন্দু সম্প্রদায়ের সংগঠনগুলো। তারা বলছে, এই বক্তব্য একান্তই প্রিয়া সাহার। এর সঙ্গে সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রিয়া সাহার এ বক্তব্যে কড়া প্রতিবাদ করেছেন সরকারের মন্ত্রীরা। গতকাল শনিবার সরকারের একাধিক মন্ত্রী এটিকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাকে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আজ রোববার আদালতে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রিয়া সাহার এ বক্তব্য নিয়ে গত দুই দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় বয়ে গেছে। গত ১৭ জুলাই হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত চীন, তুরস্ক, উত্তর কোরিয়া, মিয়ানমারসহ ১৬টি দেশের সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার এমন ২৭ জন ব্যক্তির সঙ্গে একান্তে কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় প্রিয়া সাহা বলেন, ‘স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানকার ৩ কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান গুম হয়ে গেছে। দয়া করে বাংলাদেশি জনগণকে সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না, থাকতে চাই।’ ট্রাম্প তখন বলেন, ‘বাংলাদেশ?’ জবাবে হ্যাঁ সূচক জবাব দিয়ে ওই বাংলাদেশি নারী আরো বলেন, ‘এখনো সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু মানুষ থাকে। আমার অনুরোধ, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না। সেখানে থাকতে আমাদের সহযোগিতা করুন। আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। তারা বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। আমার জমি ছিনিয়ে নিয়েছে। কিন্তু কোনো বিচার হয়নি।’ তখন ট্রাম্প জিজ্ঞাসা করেন, ‘কে জমি নিয়ে গেছে?’ উত্তরে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘মুসলিম মৌলবাদী সংগঠনগুলো। তারা সব সময় রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়ে আসছে।’

পরে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এবিসি নিউজের একটি ভিডিও প্রিয়া সাহার কথোপকথনের বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের সমালোচনা-আলোচনা শুরু হয়। ওই ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে নানা মন্তব্য করেন অনেকেই। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে অনেকেই কমেন্ট করে নিন্দা জানায়। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি গভীর ষড়যন্ত্র। হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে সামান্য একজন ব্যক্তির অভিযোগ বা নালিশের কারণে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কখনো নষ্ট হবে না।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে প্রিয়া সাহার করা মন্তব্য খতিয়ে দেখার ঘোষণা দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি প্রিয়া সাহার অভিযোগটিকে ডাহা মিথ্যা বলেও আখ্যা দেন। একই দিন বিকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বৌদ্ধ মন্দিরে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বাংলাদেশি সংখ্যালঘু নির্যাতন বিষয়ে প্রিয়া সাহা যে তথ্য দিয়েছেন তা সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের আটটি বিভাগেই ঘুরেছি। মসজিদ, মন্দির ও চার্চে গিয়ে ইমাম, পুরোহিতদের সঙ্গে মিশেছি। আমার কাছে যেমনটা মনে হয়েছে, এখানকার ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বাসের লোকজন একে অপরকে শ্রদ্ধা করেন। তাই আমি মনে করি, তার অভিযোগ সঠিক নয় বরং ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য নাম।

কে এই প্রিয়া সাহা : প্রিয়া সাহা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি ‘দলিত কণ্ঠ’ নামের একটি পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ‘দলিত কণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রিয়া সাহার পুরো নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রিয়া বালা বিশ্বাস’। বয়স দেখানো হয়েছে ৫৪ বছর। প্রিয়া সাহা এনজিও ‘শারি’র নির্বাহী পরিচালক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন, থাকতেন রোকেয়া হলে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি মহিলা ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিভ্রান্তিমূলক কর্মকান্ডের জন্য গত বছর তাকে মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার নাটক করে প্রচুর বিদেশি ফান্ড কালেক্ট করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গার চরবানিয়ারীতে। তার স্বামী দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী উপপরিচালক মলয় সাহা। তারা ঢাকার ধানমন্ডিতে থাকেন। তাদের দুই মেয়ে প্রজ্ঞা পারমিতা সাহা ও ঐশ্বর্য লক্ষ্মী সাহা যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করছেন।

জানা যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রিয়া ছাড়াও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আরো দুইজন নেতা যুক্তরাষ্ট্রে নির্যাতনের শিকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সম্মেলনে যোগদান করার সুযোগ পান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নাম চাওয়া হলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রিয়া সাহা, নির্মল রোজারিও, অশোক বড়–য়ার নাম দেওয়া হয়।

হিন্দু-মুসলিমদের হয়রানি করছেন প্রিয়া : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগের পেছনে প্রিয়া সাহার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার নিজ বাড়ি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের চরবানিয়ারী গ্রামের স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। তাদের অভিযোগ, এলাকার মুসলিম-হিন্দুদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে নষ্ট করার জন্যই তিনি ট্রাম্পের কাছে এ অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা জানান, প্রিয়া বালা বিশ্বাস তার ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে স্থানীয় কয়েকজন হিন্দু ও মুসলিমকে হয়রানি করে আসছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তার ভাইয়ের পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে যে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছিল সেটি নিয়েও রহস্য রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন নিরীহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোককেও আসামি করে তিনি হয়রানি করছেন বলেও অভিযোগ তাদের। তারা মনে করেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে পরিকল্পিতভাবে রাতের বেলায় পরিত্যক্ত ঘরটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল দুপুরে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম নাজিরপুরের নিজ বাড়িতে বসে সাংবাদিকদের বলেন, প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে নিজ দেশ, নিজের এলাকা সম্পর্কে চরম মিথ্যাচার করেছেন। এটা চরম অন্যায় ও রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

প্রিয়া ইস্যুতে মন্ত্রীদের বক্তব্য : গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ধানমন্ডিতে নিজবাসায় সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অসত্য খবর দেওয়ার পেছনে নিশ্চয়ই একটা কারণ থাকতে পারে। তার একটা উদ্দেশ্য থাকতে পারে। সেই উদ্দেশ্যটা কী সেটাও দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রী বলেন, গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আগে বাংলাদেশে হিন্দুদের হার ছিল এইট প্লাস (৮ শতাংশের বেশি)। ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী সেটা টেন প্লাস হয়েছে।

এদিকে গতকাল প্রিয়া সাহার দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রিয়া সাহা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য, মিথ্যা ও বানোয়াট। এ বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যে উগ্রবাদীদের উৎসাহিত করে। এছাড়া তার এ বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ। দেশদ্রোহ হিসেবে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ প্রসেস শুরু হয়ে গেছে।’ অপরদিকে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, প্রিয়া সাহার মন্তব্য একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রিয়া সাহা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যে অভিযোগ করেছেন তা একেবারেই মিথ্যা। বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট কথা বলেছেন তিনি। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার উদ্দেশ্যেই প্রিয়া সাহা এ ধরনের বানোয়াট ও কল্পিত অভিযোগ করেছেন। একই দিন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত তার কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার বক্তব্যের বিষয়ে বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, প্রিয়া সাহার বক্তব্য তো প্রিয় সাহারই। আমাদের সংগঠন এ রকম কোনো বক্তব্যের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কাউকে তো বলে নাই যে, তুমি এভাবে বলবা। অতএব প্রিয়া সাহার মত প্রিয়া সাহারই।’ তবে তিনি বলেন, ‘প্রিয়া সাহার ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে এ অভিযোগ সত্য। তার ঘরবাড়ি পুড়ানোর ঘটনা দুই-এক মাস আগের।’

এদিকে বাংলাদেশে প্রিয়া সাহার অভিযোগের মতো কোনো পরিস্থিতি নেই বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে প্রিয়া সাহা তার ব্যক্তিস্বার্থেই অভিযোগ করেছেন। এর পেছনে নিশ্চয়ই তার বা কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ আছে।

প্রিয়া সাহার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ : বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তোলায় প্রিয়া সাহার ঢাকার বাড়ির সামনে গতকাল শনিবার বিক্ষোভ দেখিয়েছে একদল যুবক। ‘সচেতন ছাত্র সমাজ’ ব্যানারে ২০-২৫ জন প্রথমে মানববন্ধন করেন। তারা প্রিয়া সাহার বাসায় তালা দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও পরে তা আর করেননি। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আবদুল কাইয়ুম নামে এক শিক্ষানবীশ আইনজীবী বলেন, প্রিয়া সাহা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেছেন। তার এই কাজ অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি সংখ্যালঘুদের কথা চিন্তা করে নয় বরং তার যে দুই মেয়ে আমেরিকা প্রবাসী তাদের নাগরিকত্ব পেতে ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেছেন। ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি অনেক কঠিন। তিনি মিথ্যাচার করে তার দুই মেয়ের নাগরিকত্ব নেওয়ার পথ পরিষ্কার করছেন। বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট করেছেন।

এদিকে সমাজবিশ্লেষক ও দেশের সুপরিচিত কলামিস্ট বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী প্রিয়া সাহার এই বক্তব্যকে যারপার নাই নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতার শত্রু জামায়াতে ইসলামী ও অন্যদের সহজে চেনা যায় কিন্তু এ ধরনের ব্যক্তিরা যে দেশের চরম শত্রু তা চেনা যায় না। এদের সম্পর্কে সাবধান থাকতে হবে।

 

"