জলবায়ুবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এগিয়ে বাংলাদেশ

বান কি মুনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্তারা ঢাকায়

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

বাংলাদেশ শুধু জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম দেশই নয়, ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় নিজস্ব তহবিল গঠন করে বিশ্বে অভিযোজনের নতুন নজিরও তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে জলবায়ুবিষয়ক দুই দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের (ঢাকা মিটিং অব দ্য গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপ্টেশন) সূচনা পর্বে এসব কথা বলেন তিনি। আজ বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। উপস্থিত থাকছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের পাশাপাশি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের প্রেসিডেন্ট হিলদা হেইন ও বিশ্বব্যাংকের সিইও।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই সম্মেলনের সূচনা পর্বে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন সংশ্লিষ্ট সক্ষমতা কীভাবে বাড়ানো যায় সেসব নিয়ে আলোচনা করা হবে। এদিকে জলবায়ুবিষয়ক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের রাষ্ট্রপতি হিলদা হেইন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, বিশ্বব্যাংকের সিইও ক্রিস্টালিনা জর্জিওভাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা ঢাকায় পৌঁছেছেন। গতকাল বিকালে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন ঢাকায় এলে তাকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে সকালে আসেন মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের রাষ্ট্রপতি হিলদা হেইন। তাকেও বিমানবন্দরে স্বাগত জানান ড. মোমেন। বৈঠক উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ড. হিলদা হেইন ও জাতিসংঘের সাবেক মহাপরিচালক বান কি মুনের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রচেষ্টাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কী করতে হবে সে বিষয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা করা হবে। আলোচনা শেষে নির্দিষ্ট প্রস্তাব অনুমোদন হবে। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বনেতারা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।

 

"