বাজেট জনবান্ধব হতাশার কিছু নেই : আ.লীগ

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জনবান্ধব’ আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগ বলেছে, এ বাজেট নিয়ে হতাশার কিছু নেই। বাজেটের কোথাও নেগেটিভ কোনো বিষয় নেই। এ বাজেট জনবান্ধব পজিটিভ বাজেট। আওয়ামী লীগ মনে করে এবারের বাজেট জনকল্যাণমুখী, বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যমূলক বাজেট। এ বাজেট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলায় সহায়ক হবে, দেশের আর্থসামাজিক নিরাপত্তা ও প্রবদ্ধিও সুদৃঢ় করবে। গতকাল শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যুগোপযোগী ও জনকল্যাণমূলক বাজেট প্রণয়নের জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এ বাজেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্মিত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিত্তিমূলকে আরো সুদৃঢ় ও গতিশীলকরণের নব-উদ্যম সৃষ্টিকারী বাজেট। যুগান্তকারী পদক্ষেপের সমাহারে পরিপুষ্ট বাজেট। কাজেই এ বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করবে, ক্রমান্বয়ে উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিফলনও ঘটেছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সাফল্যের সম্ভাবনাময় বাজেট। নব-উদ্যম ও নব-উদ্যোগে দেশকে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বাজেট এটা। সর্বস্তরের জনগণও এ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে। এ বাজেট বাংলাদেশের সব শ্রেণি ও পেশার জনগণের স্বপ্নপূরণের বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যমূলক বাজেট। এটা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অনন্য সাধারণ দলিল। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, অদম্য তারুণ্য ও প্রতিবন্ধীসহ অনগ্রসর মানুষের কাছে এ বাজেট পৌঁছে গেছে। তাদের স্বপ্নপূরণেই এ বাজেট।

বাজেট বাস্তবায়নকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কি নাÑ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বাজেট বাস্তবায়ন সব সময়ই চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগ সরকার গ্রহণ করেছে। শেখ হাসিনার নতুন সরকার নতুন স্পিরিট ও নতুন উদ্যম নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জও অতিক্রম করবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার এক বছরের জন্য নয়। এর বিস্তৃতি ভিশন ২০২১, ২০৪১ ও ২১০০ সাল এবং ডেল্টা প্ল্যানের ইশতেহার। তাই নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে মিলিয়ে যারা আজ বাজেট সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন, তাদের বুঝতে হবে এই বাজেট কিন্তু এক বছরের জন্য। সরকারের পাঁচ বছরের জন্য বাজেট প্রণীত হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ডা. দীপু মনি, আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুন্নাহার লাইলী, ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, অসীম কুমার উকিল, শামসুন্নাহার চাঁপা, দেলোয়ার হোসেন, হারুনুর রশিদ, প্রকৌশলী আবদুস সবুর, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মারুফা আকতার পপি, আনোয়ার হোসেন, গোলাম কবির রাব্বানী চিনু, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং প্রমুখ।

 

"