আমি বেঁচে থাকব কেউ আশা করেনি

ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ : ২৬ মে ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘আমি বেঁচে থাকব, এটা কেউ আশা করেনি। রাজশাহী সফররত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডাক্তাররা খরর দিয়েছিলেন যদি শেষবারের দেখা দেখতে চান, চলে আসুন।’ গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার আজ এই জায়গাটায় আসা এটা অলৌকিক বিষয়। আড়াই মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন অনেকেই আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলাম। দেশবাসীর দোয়া আপনাদের সবার দোয়া, আল্লাহর অশেষ রহমতে বেঁচে আছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মায়ের মতো, সেদিন যে ভূমিকা পালন করেছিলেন, তার প্রতি আমার ঋণের কথা বলে গেলাম। আমার অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয় কাচপুর সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তখনো তিনি আমার নাম ধরে বলেছিলেন পরবর্তী প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন আমার উপস্থিতিতেই হবে। তার ইচ্ছামতো আজকে এমনভাবে তারিখটি দেওয়া হয়েছে, যাতে শুভ অনুষ্ঠানে আমি উপস্থিত থাকতে পারি।

ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে তিনটি সেতুর চার লেনে উন্নীতকরণ এবং উত্তরবঙ্গের গেটওয়ে টাঙ্গাইল-গাজীপুর। গাজীপুর এবং চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিটি ঈদেই মানুষের ভোগান্তির অন্ত ছিল না। আজকে এই তিনটি সেতুর চার লেনে আপগ্রেডেশনে আমার বিশ্বাস যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি আরো জানান, টাঙ্গাইলের দিকেও সাংঘাতিক যানজট থাকে। ৫০ থেকে ৫২টি রেল চলাচলের কারণে সেখানে যানজট লেগেই থাকত। চন্দ্রাতেও আমরা পরিবর্তন এনেছি। সেখানেও ফ্লাইওভার হয়েছে। কোনাবাড়ি ফ্লাইওভার নীরবেই হয়ে গেছে। এর আগে কোনো পাবলিসিটিও ছিল না। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফ্লাইওভার কোনাবাড়ি ফ্লাইওভার। চন্দ্রার পথে আরো পাঁচটি ফ্লাইওভার আগামী বছর নির্মাণকাজ শেষ হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আজকে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে এবং বৈপ্লবিক পরিবর্তনটা এই প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হচ্ছে। বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগের চেহারাই পাল্টে যাচ্ছে।

 

"