এবারও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

প্রকাশ : ১৭ মে ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

গম বা আটার বাজারমূল্য হিসাব করে গতবারের মতো এবারও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৭০ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতবছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকাই ছিল। তবে সর্বোচ্চ ফিতরা ছিল ২ হাজার ৩১০ টাকা। তার আগের বছর সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ এক হাজার ৯৮০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেজুর, কিশমিশ, পনির বা যবের মধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর ফিতরার জন্য নির্ধারিত ওজনের আটার দাম ৭০ টাকা, যবের দাম ৫০০ টাকা, কিশমিশ ১ হাজার ৩২০ টাকা, খেজুর ১ হাজার ৬৫০ টাকা এবং পনিরের ১ হাজার ৯৮০ টাকা ধরে এই ফিতরা হিসাব করা হয়েছে। দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মো. আবদুল কুদ্দুছ, ঢাকা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আলমগীর রহমান, ঢাকা নেসারিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি কাফীলুদ্দীন সরকার, ফরিদাবাদ মাদরাসার ফাতওয়া বিভাগের পরিচালক মুফতি আবদুস সালাম, কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া কামিল মাদরাসার প্রধান মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সালাম, দীনি-দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক আনিছুর রহমান সরকার, পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান শিকদার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা আবদুল জলীল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস মাওলানা ওয়ালীয়ুর রহমান খান ও মুফাসসির মাওলানা আবু ছালেহ পাটোয়ারী প্রমুখ।

 

"