৫২ পণ্য সরিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

উচ্চ আদালতের আদেশের পর মানহীন ৫২টি পণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নিতে পণ্যের মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে দেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতেও বিজ্ঞাপন আকারে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তারা। এদিকে, এরই মধ্যে নিষিদ্ধ ৫২টি পণ্যের আবার মান উন্নয়ন করা হয়েছে দাবি করে বিএসটিআইয়ের কাছে চিঠি দিয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তবে বিএসটিআই বলছে, মান উন্নয়ন করা ওই পণ্যগুলো আবারও ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ মে ৫২টি মানহীন খাদ্যপণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নিতে আদেশ দেন উচ্চ আদালত।

একই সঙ্গে ওই খাদ্যপণ্য বিক্রি ও সরবরাহে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেন আদালত। এরপরই বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিষিদ্ধ পণ্যগুলো বাজার থেকে সরিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দেয়। তবে ওই মানহীন পণ্যগুলো এখনো বাজার থেকে না সরানোয় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও দেখিয়েছেন অনেকে।

এক ক্রেতা বলেন, কে কোম্পানি বাজারজাত করছে, সেই কোম্পানির মালিককে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এ ছাড়া এক বিক্রেতা বলেন, ‘বিএসটিআই আমাদের নোটিস দিয়ে গেছে এই পণ্যগুলো দোকান থেকে নামানোর জন্য। এবং আমরা তা নামিয়ে রেখেছি।’

এদিকে বেশ কিছু নিষিদ্ধ পণ্যের মান উন্নয়ন করা হয়েছে দাবি করে প্রতিষ্ঠানগুলো বিএসটিআইয়ের কাছে আবেদন করেছে বলে জানা গেছে। বিএসটিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা পর্যবেক্ষণে বসছি, এ ব্যাপারে শিগগিরই একটা ব্যবস্থা নেব। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যে গুণগত মান বাংলাদেশে মানের সঙ্গে উন্নয়ন করতে পারে, তা হলে তাদের বাজারজাত করার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এই মধ্যবর্তী সময়ে পণ্যগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে।’

তবে আবারও পণ্য পরীক্ষা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই। সংস্থাটির এক কর্মকর্তা বলেন, এখন পরীক্ষা করে দেখব যে, তারা মান উন্নয়ন করেছে কি না, যদি পণ্যে গুণগত মান উন্নয়নের প্রমাণ দেখতে পাই। তা হলে আমরা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেব।’

রমজানের আগে খোলাবাজার থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪০৬টি খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে নিজেদের ল্যাবে পরীক্ষা করার পর ৫২টি পণ্য অনিরাপদ বলে ঘোষণা দেয় বিএসটিআই। এরপরই বেসরকারি এক ভোক্তা অধিকার সংস্থা উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন।

 

"