চলছে প্রস্তুতি

২০২৩ সালের মধ্যেই ফাইভজি চালুর পরিকল্পনা

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফাইভজি ইন্টারনেট সেবা চালুর জন্য এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের টেলিকম অপারেটররা। তারা বলছে, স্পেকট্রামের দাম না কমালে এই হাইটেক সেবাতে ডেটা খরচ কমানো কঠিন হবে। তবে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ছাড়া ফাইভ-জি চালু হলে মানসম্মত সেবা পাবে না গ্রাহকরাÑ বলছেন টেলিকম বিশেষজ্ঞরা। ফোরজি ইন্টারনেটের চেয়ে ফাইভজির গতি হবে বহুগুণ। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে ফাইভ-জি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এরই মধ্যে যার পরীক্ষা করেছে টেলিকম অপারেটর রবি।

রবির হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, ‘ফাইভ-জি’র ব্যবহারিক যে জায়গাগুলো রয়েছে সেগুলো নিয়ে অনেক কাজ করতে হবে। যেমন অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগে ফাইভ-জি অপারেশনের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকেও বিভিন্ন মেডিকেল অপারেশন হয়েছে। এই জিনিসগুলো বাণিজ্যিকভাবে আসতে একটু সময় লাগবে। এগুলো শুধুই পরীক্ষামূলকভাবে করা হয়েছে।’

বাংলাদেশে ফাইভ-জি স্পিড শুরুতে উন্নত বিশ্বের মতো নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলালিংক। বাংলালিংক চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স তাইমুর রহমান জানান, ‘ফাইভ-জি’র কিন্তু অনেক বেশি স্পেকট্রাম লাগবে। স্পেকট্রামের মূল্য এখন যা আছে, তা যদি থাকে তাহলে এটা সম্ভব হবে না। আমেরিকার ফাইভ-জি এবং বাংলাদেশের ফাইভ-জি একই রকম নাও হতে পারে।’

ফাইভ-জি ব্যবহারের জন্য নতুন হ্যান্ডসেট ও সিম রিপ্লেস করতে হবে গ্রাহকদের। গ্রামীণফোন হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত জানান, ‘যখন আমরা ফাইভ-জি চালু করব, তখন সিম রিপ্লেস করতে হবে। মার্কেটে এখন ফাইভ-জি হ্যান্ডসেট তেমন একটা নেই, কিছু সংখ্যক রয়েছে।’

নতুন তরঙ্গ কেনাসহ পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হলে গ্রাহক সুবিধা বাড়বে না ফাইভ-জি নেটওয়ার্কে। টেলিকম খাত বিশেষজ্ঞ রোকন-উজ-জামান জানান, ‘একটা প্রযুক্তির উন্নয়নে অনেক বিনিয়োগ করতে হয়। এছাড়া ইকোসিস্টেমকে তৈরি করতে হয়। এখন এই ইকোসিস্টেম যদি তৈরি না হয়, বিনিয়োগ যদি ঠিকমতো না হয়, এছাড়া বিনিয়োগ শুধু একজনের না, অনেক স্টেক হোল্ডারের হতে হবে। এর ফলে যা হবে এখান থেকে বিনিয়োগ রিটার্নটা যথেষ্ট পরিমাণে হবে না।’ প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের অনেক দেশে ফাইভ-জি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

"