ওয়াসার উদ্যোগ

চট্টগ্রামে ২৩০ পয়েন্টে ফায়ার হাইড্রেন্ট

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অগ্নিঝুঁকি মোকাবিলায় ২৩০টি পয়েন্টে ফায়ার হাইড্রেন্ট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে ওয়াসা। এরই মধ্যে ৩০টি পয়েন্টে বসানোও হয়েছে। অন্যগুলোর ব্যাপারে চাহিদাপত্র চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে ফায়ার সার্ভিসকে। তবে ওয়াসার এমডির দাবি, ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ না দেখানোর কারণে কাজ এগোচ্ছে না। অন্যদিকে ফায়ার সার্ভিস বলছে, সিটি করপোরেশন আর সিডিএ যৌথভাবে তালিকা দিলেই প্রকল্পটি বেশি কার্যকর হবে। বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রিয়াজউদ্দিন বাজার, তামাকুন্ডিলেন বা নিউমার্কেট এলাকা। অগ্নিকা-ের মতো দুর্যোগের সামনে দাঁড়ালে পানির জন্য যেতে হবে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরের কর্ণফুলী নদীতে। নগরীর সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা জিইসি মোড়, পাঁচলাইশ, বায়েজিদ শিল্প এলাকা বা আগ্রাবাদের মতো বাণিজ্যিক এলাকার কোথাও ধারে কাছে পানির কোনো উৎস নেই।

তাই উন্নত বিশ্বের আদলে নগরজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ এসব পয়েন্ট ফায়ার হাইড্রেন্ট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। অগ্নিকা- ছাড়াও যেকোনো দুর্যোগে এসব পয়েন্ট থেকে সর্বোচ্চ চাপে মোটামুটি অফুরন্ত পানি সরবরাহের নিশ্চয়তা দেবে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আগ্রহ না দেখানোই থমকে আছে প্রকল্পটি।

আর ফায়ার সার্ভিস বলছে, সিটি করপোরেশন এবং সিডিএ যৌথভাবে এই পয়েন্টগুলো নির্ধারণ করলে বেশি কার্যকর হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটি।

নগরবিদরা বলছেন, সম্প্রতি সময়ে অগ্নিকান্ডের ঝুঁকি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখন আর একে অন্যের ওপর দায় চাপিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। তাই নিরাপদ নগরী গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগ নেয়ার সময় এখনই।

সিডিএর হিসেবে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে ছোট বড় মিলিয়ে ভবন আছে প্রায় তিন লাখ। আর ফায়ার সার্ভিস বলছে এর মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার ভবনেই নেই অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। তাই ফায়ার হাইড্রেন্টের মতো প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

"