বাজার বেড়েছে ২৫ শতাংশ

ই-কমার্স প্রসারে প্রয়োজন উচ্চগতির ইন্টারনেট

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

ই-কমার্স, এফ-কমার্স প্ল্যাটফরম ব্যবহার করে সততার সঙ্গে ব্যবসা করলে টেকসই ও সফল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন তরুণ উদ্যোক্তারা। ব্যস্ত নগরী ঢাকার ক্রেতারাও বলছেন, কিছুটা ভিন্ন ধরনের পোশাক, প্রসাধনী কিংবা লাইফস্টাইল গেজেট কিনতে অনলাইন তাদের কাছে হয়ে উঠছে সহজ মাধ্যম। এ খাতের ব্যবসায়ী সংগঠন বলছে, সারা দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নির্ভরযোগ্য কুরিয়ার সেবা নিশ্চিত করতে পারলে এ ধরনের ব্যবসায় বিনিয়োগ বহুগুণ বাড়বে।

মাকসুদুল করিম হিরা। লেখাপড়া শেষে চাকরি না খুঁজে যুগের চাহিদা বুঝে ছয় থেকে সাত বছর আগে ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু করেন অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা। দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজার ও আমদানিকারকদের থেকে গৃহস্থালি ও লাইফস্টাইল পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও সম্প্রতি, একটি চীনা ইলেকট্রিক ডিভাইস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পরিবেশক হয়েছেন। নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকজনকে কাজের সুযোগ করে দিতে পেরে তিনি এখন অনেক খুশি।

হিরা জানান, খুবই ভালো লাগে। পাঁচজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। পাঁচটি পরিবার চলছে। আমাদের শুরু মাত্র দুটি পণ্য দিয়ে। এখন আমাদের পণ্য ২ হাজারের বেশি। প্রায় ২ কোটি টাকার বেশি পুঁজি আমাদের। তার মতো অনেক তরুণ এখন আসছেন ই-কমার্স, এফ-কমার্স ব্যবসায়। কোনো কোনো শিক্ষার্থীও লেখাপড়ার পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন এমন ব্যবসা। হাতের মুঠোয় একটা স্মার্টফোনই তাদের যখন ইচ্ছা তখনই ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

আরোক উদ্যোক্তা সাগর সরকার জানান, শুরু করি ফ্যাশন আইটেম দিয়ে। দেড় বছরের মধ্যে আমি তা বাড়িয়েছি। ৬০০ থেকে ৭০০ অর্ডার প্রতি মাসে আসে। কোয়ালিটি এবং প্রাইজ ঠিক থাকলে অবশ্যই ব্যবসা বাড়বে। ক্রেতারাও বিভিন্ন সাইট ও ফেসবুক পেজ ঘুরে যাচাই করে পণ্য অর্ডারের সুযোগকে ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছেন। তাই তো প্রতি বছর ২৫ শতাংশ হারে বাড়ছে অনলাইন বাজারের পরিধিও।

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব আবদুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘এখন তেমন বিনিয়োগ আসেনি। দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবস্থাও আমাদের জন্য জরুরি।’ ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের বাইরেও দারাজ, বিক্রয় ডটকম, আজকের ডিলসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহ করছেন উদ্যোক্তারা।

"