সংরক্ষিত নারী আসন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ৪৯ জন

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক
ama ami

একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০ আসনের জন্য ৪৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যানুপাতে বণ্টন হওয়া নারী আসনে বিএনপির একটি আসন পাওয়ার সুযোগ থাকলেও নির্বাচিতরা শপথ না নেওয়ায় তাদের নারী আসন স্থগিত রয়েছে, তাই প্রার্থী একজন কম হয়েছেন। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অন্য সব রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জোটের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

অতিরিক্ত প্রার্থী না থাকায় আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এই ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের পাওয়া ৪৩ জনের মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্ররা একজনের মনোনয়নপত্র জমা দেন। গতকাল সোমবার ছিল এই নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। প্রার্থীদের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইসির যুগ্ম সচিব আবুল কাসেমের কাছে ৪৯ জন নারী প্রার্থীর মনোনয়পত্র জমা দেওয়া হয়। সংরক্ষিত নারী আসনে ভোটের জন্য ৪ মার্চ দিন ঠিক হলেও আসন সংখ্যার সমান প্রার্থী হওয়ায় ভোটাভুটির প্রয়োজন হচ্ছে না।

আওয়ামী লীগের ৪৩ জন :

ঢাকা থেকে সুবর্ণা মুস্তাফা, শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা ও নাহিদ ইজহার খান; চট্টগ্রাম থেকে খাদিজাতুল আনোয়ার ও ওয়াশিকা আয়েশা খানম; কক্সবাজার থেকে কানিজ ফাতেমা আহমেদ, খাগড়াছড়ি থেকে বাসন্তী চাকমা, কুমিল্লা থেকে আঞ্জুম সুলতানা ও আরমা দত্ত; ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, গাজীপুর থেকে শামসুন্নাহার ভূঁইয়া ও রুমানা আলী; বরগুনা থেকে সুলতানা নাদিরা, জামালপুর থেকে হোসনে আরা, নেত্রকোনা থেকে হাবিবা রহমান খান (শেফালী) ও জাকিয়া পারভীন খানম; পিরোজপুর থেকে শেখ অ্যানি রহমান, টাঙ্গাইল থেকে অপরাজিতা হক, সুনামগঞ্জ থেকে শামীমা আক্তার খানম, মুন্সিগঞ্জ থেকে ফজিলাতুন নেসা, নীলফামারী থেকে রাবেয়া আলীম, নরসিংদী থেকে তামান্না নুসরাত বুবলী, গোপালগঞ্জ থেকে নার্গিস রহমান, ময়মনসিংহ থেকে মনিরা সুলতানা, ঝিনাইদহ থেকে খালেদা খানম, বরিশাল থেকে সৈয়দা রুবিনা মিরা, পটুয়াখালী থেকে কাজী কানিজ সুলতানা, খুলনা থেকে গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, টাঙ্গাইল থেকে খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, দিনাজপুর থেকে জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালী থেকে ফরিদা খানম (সাকী), ফরিদপুর থেকে রুশেমা বেগম, কুষ্টিয়া থেকে সৈয়দা রাশেদা বেগম, মৌলভীবাজার থেকে সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহী থেকে আদিবা আনজুম মিতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, শরিয়তপুর থেকে পারভীন হক সিকদার, রাজবাড়ী থেকে খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, মাদারীপুর থেকে তাহমিনা বেগম, পাবনা থেকে নাদিয়া ইয়াসমিন জলি ও নাটোর থেকে রতœা আহমেদ।

জাতীয় পার্টির চারজন :

সরাসরি আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়ে ভোটে হেরে যাওয়া সালমা ইসলাম সংরক্ষিত আসন থেকে সংসদে যাচ্ছেন। যমুনা গ্রুপের কর্ণধার নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী সালমার পাশাপাশি জাতীয় পার্টি থেকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন দলের সভাপতিম-লীর সদস্য মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা তাদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।

ওয়ার্কার্স পার্টি ও স্বতন্ত্রের একটি করে :

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী লুৎফুন নেসা খান। তিনি দলটির সভাপতি সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেননের স্ত্রী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নারী আসনের প্রার্থী সেলিনা ইসলাম লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের স্ত্রী।

"