সব দলের সঙ্গে আবার সংলাপে বসবেন প্রধানমন্ত্রী

কাদের

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের আগে যেসব দল এবং জোট সংলাপে অংশ নিয়েছে তাদের আবার গণভবনে ডেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপে বসবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল রোববার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ঐক্যফ্রন্ট-যুক্তফ্রন্টসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গণভবনে সংলাপ হয়েছিল। এখন নির্বাচন শেষ হয়েছে, আমাদের নেত্রী ওয়ার্কিং কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ বৈঠকে বলেছেন, যাদের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে তাদের আমন্ত্রণ করবেন, আহ্বান করবেন, নিমন্ত্রণ করবেন।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চার জেলার নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকের আগে এ কথা জানান কাদের। কাদের বলেন, তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী এবং তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। এ ব্যাপারে আমরাও সবাই একমত, যারা সংলাপ এসেছিলেন তাদের আবারও নেত্রী সংলাপে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। একসঙ্গে সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। তবে কবে নাগাদ এ সংলাপ হতে পারে সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, সেটা খুব শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে। সব রাজনৈতিক দল গণভবনে আমন্ত্রিত। ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্ট, ১৪ দল, জাতীয় পার্টিসহ সব দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। যাদের সঙ্গে সংলাপ করেছিলেন তাদের চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

আগামী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে তাতে আওয়ামী লীগের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে কি না এমন প্রশ্নে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রতিপক্ষকে আমরা কখনো দুর্বল মনে করি না। সেটা মনে করেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। সেদিক থেকে বিএনপি বা তাদের ফ্রন্ট নির্বাচনে যদি আসে সেক্ষেত্রে তাদের স্বাগত জানাই।

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনেরও আলাদা একটি মজা আছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে, আমরা সেই রকম নির্বাচনই আশা করি। তারা উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এ রকমই আশা করব।

নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের প্রার্থী করা ‘ভুল’ ছিল বলে যে স্বীকারোক্তি কামাল হোসেন দিয়েছেন, সে বিষয়েও ওবায়দুল কাদেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা।

উত্তরে এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, তিনি তো ‘জেনে শুনে বিষ করেছি বিষ পান’ বিষয়টি এমন। আমাদের দেশের নেতারা একেক সময় একেক কথা বলেন, কামাল হোসেনের বক্তব্য এখানে আমরা স্ববিরোধী বলে মনে করছি।

ঢাকা ও আশপাশের জেলা, উপজেলা, পৌরসভায় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভা মেয়রদের নিয়ে এই যৌথ সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, উপ দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া উপস্থিত ছিলেন।

"