পাঁচ বছরে গ্রামে পৌঁছাবে শহরের সুবিধা : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, গত ১০ বছর দেশজুড়ে অবকাঠামোগত নানা উন্নয়ন হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য উন্নত বাংলাদেশ। তাই আগামী পাঁচ বছর হবে বিশ্বকে তাক লাগানোর বছর। এ পাঁচ বছর দেশের অবকাঠামো খাতে উন্নয়নে প্রতিটি গ্রামে শহরের সব নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত একটি সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। গুণগত কাজ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমরা দেশে আগামী পাঁচ বছরে উন্নয়নে চমক দেখাতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। তিনি অন্যায় ও অবিচার মুক্ত একটি গর্বিত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু তাকে হত্যার কারণে স্বাধীনতার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়নি। এই হত্যার কারণে বাংলাদেশের উন্নয়ন স্তিমিত হয়েছে। জাতির পিতার সোনার বাংলা গঠনের আশা-আকাঙ্খা অপূর্ণ রয়ে গেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের উন্নত দেশগুলোর গ্রামীণ অবস্থা সম্পর্কে যে জ্ঞান আছে, সেখান থেকে অথবা কর্মকর্তাদের উন্নত দেশগুলোর গ্রামের অবস্থা বাস্তাবিক অভিজ্ঞতা গ্রহণ করে আমাদের কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব।

তিনি আরো বলেন, টার্গেট নিয়ে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ করতে হবে। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করব এটাই আমাদের অঙ্গীকার। এ সময় সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ব্যতিক্রম কিছু করে দেখানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি উন্নয়নের বড় বাধা। এর ফলে অবকাঠামো উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পাশাপাশি আমাদের কঠোর নজরদারি থাকবে। এর ফাঁক দিয়ে কেউ যদি দুর্নীতি করে তাকে বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন সমন্বয়ের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা যেহেতু মন্ত্রিসভার সদস্য। আর মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। ওনি মূল কেন্দ্রবিন্দু। আর মন্ত্রীদের মধ্যে পরস্পর সহযোগিতা তো থাকবেই। আমরা এরই মধ্যে আলোচনা করেছি। অতীতের সমস্যা থাকলে সেগুলো সমাধান করা হবে। এছাড়া সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, রাজউকসহ যে সংস্থাগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হবে। সমস্যা থাকলে সেগুলো সমাধান করা হবে। এছাড়া সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, রাজউকসহ যে সংস্থাগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হবে। এর আগে তিনি গাড়ি থেকে নেমে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। মোনাজাত শেষে এলজিইডি ভবনের অফিস রুম প্রদর্শন করেন এবং কর্মকর্তারা তাকে বিভিন্ন বিষয়ে অবহিত করেন।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুক এবং এলজিআরডির প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, নগরবাসীর উন্নত জীবনমান নিশ্চিতে আমরা কাজ করছি। সময়ের পরিক্রমায় এ শহর বদলে যাবে। নতুন প্রজন্ম একটি আধুনিক ঢাকা পাবে।

"