নিষ্প্রাণ ম্যাচে রাজশাহীর প্রথম জয়

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ama ami

শম্বুক গতির ব্যাটিংয়ের মহড়াই দিচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল)। কাল প্রথম ম্যাচটা প্রত্যাশার কিছুটা পূরণ করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে আবার প্রস্তর যুগের ব্যাটিং করেছে দুই দল। তাতে করে ম্যাচ উপভোগ তো দূরের কথা, ধৈর্যশক্তির চূড়ান্ত পরীক্ষা দিতে হচ্ছে দর্শকদের। এমন ম্যাড়মেড়ে ব্যাটিং দেখার বিরক্তিটা প্রতিদিনই প্রকাশ করে যাচ্ছেন দর্শকরা।

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের কাল ছিল চতুর্থ দিন। এই কদিনে আটটি ম্যাচ মাঠে গড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব ম্যাচে নেই কোনো থ্রিলার। বিচ্ছিন্ন দুই একটা ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনার রেণু ছড়ালেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জন্য এতটুকুই যথেষ্ঠ নয়। কাল নিরুত্তাপ দিনের গ্যালারিতেও সেটার প্রভাব পড়ল।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মুদ্রা নিক্ষেপের লড়াই জিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছাড়াতে খুলনা টাইটানসকে সংগ্রাম করতে হয়েছে। অলআউট হওয়ার শঙ্কায় এড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১১৭ রান তুলেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। মামুলি এই রানের জবাব দিতে নেমে রাজশাহী কিংসও প্রস্তর যুগের ব্যাটিং করেছে। জয়ের জন্য ১৯তম ওভার অবধি অপেক্ষা করতে হয়েছে মিরাজের দলকে। উইকেট হারাতে হয়েছে তিনটি। বল হাতে অক্ষত ছিল ৭টি।

৭ উইকেটের দারুণ জয়। বিপিএলের চলতি আসরে এটা প্রথম জয় রাজশাহী কিংসের। পক্ষান্তরে এ নিয়ে টানা দুই ম্যাচে হারলেন মাহমুদউল্লাহর দল। দুটো ম্যাচেই খুলনাকে উড়ন্ত সূচনা এসে দিয়েছিলেন জুনায়েদ সিদ্দিকি। কিন্তু এদিনও বিনা উইকেটে ৪০ রানের দারুণ একটা ভিত পেয়েও ধসে পড়েছে খুলনার ইনিংস।

খুলনার পক্ষে সর্বোচ্চ ১৮ বলে ২৩ রান করেছেন জুনায়েদ। ২২ রান এসেছে ডেউইড মালানের ব্যাট থেকে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য রান বলতে পল স্টার্লিং (১৬), মাহমুদউল্লাহ (১১) ও আরিফুল হক (১২) ও ডেভিড ভিসের (১৪)। রাজশাহীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন উদানা। মুস্তাফিজুর রহমান ২ উইকেট শিকার করে ছুঁয়েছেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরির মাইলফলক।

দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক ও মেহেদি হাসান মিরাজের ৮৯ রানের জুটি রাজশাহীর জয়ের পথটা মসৃণ করে দেয়। মুমিনুল ৪৩ বলে ৪৪ রানে আউট হয়েছেন। মিরাজ পেয়েছেন ২০ ওভারের ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ছয়টি ৪৫ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন মিরাজ। শেষ দিকে ১৭ বলে ১১ রানে অজেয় ছিলেন সৌম্য সরকার।

"