চট্টগ্রাম বন্দরকে বদলে দেওয়ার অনন্য গল্প

প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

কাজী আবুল মনসুর

তরফদার রুহুল আমিন। দেশের একজন স্বনামধন্য শিল্পপতি ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। চট্টগ্রাম বন্দর অপারেশনকেন্দ্রিক ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তিনি। বন্দরের বেসরকারি নিউমুরিং টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে কাজ করে তরফদার রুহুল আমিন এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের ফুটবল অঙ্গনে জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি। সম্প্রতি একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরকে বদলে দেওয়ার সময়োপযোগী কর্মকাণ্ড এবং ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন প্রতিদিনের সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি কাজী আবুল মনসুরের সঙ্গে

 

প্রশ্ন : আপনি তো দীঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দর কেন্দ্রিক ব্যবসায়িক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত আছেন, বন্দরের বেসরকারি টার্মিনাল অপারের্টিং কাজের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হলেন?

তরফদার রুহুল আমিন : আসলে এটা ২০০৪ সালের কথা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তখন জাপান থেকে গ্যান্ট্রি ক্রেন ক্রয় করে জাপানের মিৎসুবিশি ও সুমোটোমো কোম্পানির এ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং আমাদের প্রতিষ্ঠান এ কোম্পানির স্থানীয় কনট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছিলাম। চুক্তি ছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ গ্যান্ট্রি ক্রেন চালু করলে এ কাজের মেনটেইন্যান্স করব আমরা, অপারেশন করবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ওই অপারেশনও সুপারভাইজ করবে আমাদের প্রতিষ্ঠান বিদেশি বিশেষজ্ঞ দিয়ে। এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজেদের অপারেটর দিয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন চালানোর চেষ্টা চালায়। কিন্তু আধুনিক এসব গ্যান্ট্রি ক্রেন চালানোর মত অভিজ্ঞতা না থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে হোঁচট খায়। পরে এ কাজের জন্য ওপেন টেন্ডার আহ্বান করে প্রাইভেট অপারেশনে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সরকারের সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাদের প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স সাইফ পাওয়ার টেক’ দুবাই পোর্টসহ বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অপারেটর এনে গ্যান্ট্রি ক্রেন অপারেশন চালু করেছিলাম। এবং সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা পরে টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করি।

প্রশ্ন : প্রাইভেট অপারেটর হিসেবে আপনাদের প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাইফ পাওয়ার টেক দায়িত্ব নেয়ার পর কনটেইনার হ্যান্ডলিংসহ বন্দরের উন্নয়ন কর্মকান্ড কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর : অবশ্যই বেড়েছে, ২০০৭ সালের মার্চ মাসে যখন আমরা অপারেটর হিসেবে অপারেশন শুরু করি এর আগে যেখানে চট্টগ্রাম বন্দরের চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনালে তখন বছরে ২ লাখ ১০ হাজার টিইউএস কনটেইনার উঠানামা হতো। আমরা দায়িত্ব নেয়ার এক বছরের মাথায় এ সংখ্যা বৃদ্ধি করে প্রথম দিকে সাড়ে ৩ লাখ থেকে পৌনে চার লাখ এবং পরে এ সংখ্যা বৃদ্ধি করে দ্বিগুণেরও বেশি পাঁচ লাখ টিইউএসে উন্নীত করতে সক্ষম হই। এ সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার কারণে আমদানি রফতানিকারকরা তাদের পণ্য দ্রুত রফতানি ও খালাস করতে পারছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয়ও এর ফলে বেড়েছে। আমি বলব চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে এটা একটা বড় পরিবর্তন। এক কথায় আগের ধীরগতির কাছ আর নেই। বলতে পারেন আমরা বন্দরের চেহারা বদলে দিয়েছি।

প্রশ্ন : চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে বিদেশের অন্যান্য বন্দরের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর : আসলে চট্টগ্রাম বন্দর হচ্ছে কলকাতা কিংবা শ্রীলংকার বন্দরের মতো এন্ডিং বন্দর। এটা সিঙ্গাপুর বন্দরের মতো কোনো ট্রানজিট বন্দর নয়। অবকাঠামোগত কারণে এখানে কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমনÑ চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের একটি প্রধান সমুদ্রবন্দর। দেশের ৯০ শতাংশ আমদানি-রফতানি পণ্যই এ বন্দর দিয়ে উঠানামা করে থাকে। এখানে যেসব পণ্য আসে সেগুলো আর অন্য কোনো দেশে ট্রান্সশিপমেন্ট হয় না। সিঙ্গাপুর বন্দর বিশ্বের একটি ট্রান্সশিপমেন্ট হাব এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে এর সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না। তবে বর্তমান সরকার জাতীয় প্রবৃদ্ধির সঙ্গে মিল রেখে চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে বেশকিছু উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তাছাড়া এখন বন্দরের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো।

প্রশ্ন : সাইফ পাওয়ার টেক এখন চট্টগ্রাম বন্দরের কত ভাগ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করছে?

উত্তর : সাইফ পাওয়ার টেক অপারেশন শুরু করার পর চট্টগ্রাম বন্দর গত বছর ২৫ লাখ টিইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে। এখানে আমাদের সংখ্যা ১৪ লাখ টিইউএস কনটেইনার। এ বছর ২০১৮ সালে আমরা প্রায় ১৫ লাখ টিইউএস অতিক্রম করতে যাচ্ছি। সব মিলিয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ার টেক চট্টগ্রাম বন্দরের মোট কনটেইনার উঠানামার ৬০ ভাগ কনটেইনারই হ্যান্ডলিং করছে সফলতার সঙ্গে। কনটেইনার হ্যান্ডলিং বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব বহুলাংশে বেড়ে গেছে যা বাংলাদেশের জাতীয় প্রবৃদ্ধির হারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

প্রশ্ন : কনটেইনার অপারেটর হিসেবে আপনারা কত বছর হলো জড়িত আছেন?

উত্তর : বাংলাদেশে একমাত্র প্রাইভেট কনটেইনার টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে সাইফ পাওয়ার টেক ১০ বছর টার্মিনাল অপারেশনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

প্রশ্ন : অতীতে দেখা গেছে শুরুতে সাইফ পাওয়ার টেক যখন কাজ আরম্ভ করছিল তখন চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিরোধিতা করেছিলেনÑ এ ব্যাপারে আপনাদের বক্তব্য কী?

উত্তর : আসলে ওই সময় কনসেপ্টটি ভিন্ন ছিল। আগে একটা কনসেপ্ট ছিল, সরকারের কাজগুলো সরকার নিজে নিজেই চালাবে। সরকারি পর্যায়ে অনেক সীমাবদ্ধতা থাকায় বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী সমাজ যথাযথ সেবার বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাচ্ছিল না। মান ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছিল। পৃথিবীর প্রায় বেশির ভাগ বন্দরই বর্তমানে বেসরকারি পর্যায়ে অপারেটর নিয়োগের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম চেম্বারসহ বন্দর ব্যবহারকারীদের দাবি জানাচ্ছিল, চট্টগ্রাম বন্দরের এই কার্যক্রমকে যাতে প্রাইভেট অপারেশনের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। এক্ষেত্রে বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের যুক্তি ছিল এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকান্ডে দক্ষতা বেড়ে যাবে। এ দক্ষতা বাড়াতে গিয়ে বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুটি কয়েক লোকের অসুবিধা হয়েছিল যারা সাবেক মেয়রকে ভুল বুঝিয়েছিলেন। পরে ব্যবসায়ী বন্দর ব্যবহারকারীরা বিষয়টি নিয়ে মেয়রের সঙ্গে দেখা করে পুরো ব্যাপারটি তাকে বুঝিয়ে বললে তিনি অনুধাবন করতে পারলেন, তাকে মহল বিশেষ ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তাকে বুঝিয়েছিল। এরপর তিনি ভুল বুঝতে পেরে এ বিষয় নিয়ে কোনো সভা কিংবা ফোরামে আর উচ্চবাচ্য করা থেকে বিরত থাকেন।

প্রশ্ন : বন্দর ব্যবহারকারীদের বিশেষ করে পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর তরফ থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগে বলা হয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে, যে কারণে তাদের পণ্য ডেলিভারি করতে অনেক সময় লেগে যায়। একজন বেসরকারি অপারেটর হিসেবে আপনি বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

উত্তর : আসলে অভিযোগটি সঠিক নয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ যেসব যন্ত্রপাতি এনেছে এবং আমরা যেগুলো আমদানি করছি এগুলো সবই আধুনিক। বিষয়টি হচ্ছে অবকাঠামোগত কারণ। আমাদের বন্দর কোনো ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর নয় বিধায় এখানে অটোমেশনের যন্ত্রপাতি ব্যবহারযোগ্য নয়। যেমনÑ সিঙ্গাপুর প্রভৃতি বন্দরগুলো কন্ট্রোলরুম থেকে সব অপারেশন নিয়ন্ত্রিত হয় লোকবলের তেমন প্রয়োজন হয় না এবং সেখানকার যন্ত্রপাতিও অবকাঠামো অনুপাতে স্থাপন করা হয়। আমাদের দেশে এখনো সে সময় আসেনি। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে যেসব যন্ত্রপাতি রয়েছে সেগুলো স্ট্যান্ডার্ড ও আধুনিক ।

প্রশ্ন : এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার কারণে আপনি একজন ব্যস্ত ব্যবসায়ী হিসেবে সব মহলে পরিচিত। হঠাৎ করে আপনাকে ইদানীং খেলার মাঠে ফুটবল নিয়ে সময় দিতে দেখা যায়। এজন্য অনেকে আপনাকে একজন ফুটবলপ্রেমী হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে কিছু বলুন।

উত্তর : আসলে বাংলাদেশের সর্বত্র ফুটবল চেনে না এমন লোক খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। সেই ছোটবেলা থেকেই আমরা ফুটবলের সঙ্গে পরিচত হয়ে আসছি। দেশের গ্রামগঞ্জে এবং সর্বত্র খোঁজ নিলে দেখা যাবে আমরা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে দু-একমাসের মধ্যে আমরা বাচ্চাদের ফুটবল কিনে দেই। বল নিয়ে তারা নাড়াচাড়া করে লাথি দেয়। এভাবে ফুটবলের সঙ্গে তাদের পরিচিত করাই। আমি মনে করি এ ফুটবল বাঙালি জাতির রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অর্থনীতিতে সর্বক্ষেত্রে যেখানে দেশ উন্নতি করছে এগিয়ে যাচ্ছে। খেলাধুলায় ক্রিকেটে আমরা লাল সবুজ পতাকাকে বিশ্ব দরবারে মাথাউঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। অথচ ফুটবলে আমরা যেখানে আরো আগে এগিয়ে যেতে পারতাম কিন্তু পারিনি। বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনে আমাদের অবস্থান আজ সবার নিচে অর্থাৎ আমরা দিন দিন পিছিয়ে যাচ্ছি। এই পিছিয়ে যাওয়া থেকে ফুটবলকে একটি ভালো অবস্থানে দাঁড় করাতে আমরা দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছি।

প্রশ্ন : ফুটবলের উন্নয়নে আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

উত্তর : আমাদের মাঠ পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরি করার যে পাইপলাইন যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেটা ধ্বংস হয়ে গেছে বলা যায়। এ হাল থেকে ফুটবলকে রক্ষা করতে নতুন নতুন খেলোয়াড় তৈরি করার লক্ষ্যে আমরা জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আমরা স্বল্প মেয়াদে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ পর্যায়ে আমরা দেশব্যাপী অনূর্ধ্ব-২০ বয়সের খেলোয়াড়দের বাছাই পর্বের টুর্নামেন্ট চালু রেখেছি। আগামী মার্চ-এপ্রিলের দিকে বিভাগীয় পর্যায়ে হোম-এওয়ে টুর্নামেন্টের আয়োজন করছি এবং এ টুর্নামেন্ট থেকে ২০০ জনকে বাছাই করে তাদের দীর্ঘমেয়াদে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে একটা শক্তিশালী জাতীয় দল গঠন করা যায়। এ তো গেল স্বল্প মেয়াদের প্রশিক্ষণের কথা। দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ফুটবল ফেডারেশনের সহযোগিতা প্রয়োজন যা আমরা এ পর্যায়ে পাচ্ছি না। আগামী ফুটবল ফেডারেশন নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আমরা যাতে ফুটবল ফেডারেশনকে ঢেলে সাজাতে পারি। যাতে আগামী ৫/৭ বছরের মধ্যে বিশ্ব মানচিত্রে অন্তত এশিয়া পর্যায়ে মাথাউঁচু করে দাঁড়াতে পারি। ভবিষ্যতে ফুটবলে বিশ্ব মানচিত্রে একদিন লাল সবুজের পতাকাকে উন্নীত করব সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।

প্রশ্ন : আপনি তো চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের পরিচালক ও ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান, সাইফ পাওয়ার টেক গ্রুপ পরিচালিত সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবেরও কর্ণধার আপনি, ক্লাব পর্যায়ে আপনাদের পরিকল্পনা কী?

উত্তর : দেশের ৬৪টি জেলায় বর্তমানে যে ফুটবল লীগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেখানে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের গ্রুপ সাইফ পাওয়ার টেক কাজ করে যাচ্ছে এবং ঢাকা মহানগর লীগে যে ৪৮ ক্লাব রয়েছে সেগুলোকেও আমরা সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি যাতে দেশের সর্বত্র ফুটবলকে সচল রাখা যায়।

প্রশ্ন : আপনি কি আশা করেন দেশের ফুটবলের ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে?

উত্তর : অবশ্যই। এজন্য দরকার সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনা। এখানে যদি যথাযথ শৃঙ্খলা যদি ফিরিয়ে আনা যায় আমি মনে করি দেশের ফুটবলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস।

 

"