৩০০ আসনে মহাজোটের ৩০৩ প্রার্থী

আওয়ামী লীগ ২৫৮, জাপা ২৯, অন্য ১৬

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে মহাজোটের প্রার্থী তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। গতকাল রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে এ তালিকা জমা দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তালিকায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন ২৫৮ জন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ২৯, ওয়ার্কার্স পার্টি পাঁচটি, জাসদ তিনটি, তরিকত ফেডারেশন দুটি, বাংলাদেশ জাসদ একটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ তিনটি আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছে। পাশাপাশি বাইসাইকেল প্রতীকে জাতীয় পার্টি (জেপি) দুটি এবং লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টি ২৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে তিনটি আসনে আওয়ামী লীগ ও জোটের একাধিক প্রার্থী আছেন, যারা সবাই মহাজোটের প্রার্থী। এই আসন তিনটি হলো কুড়িগ্রাম-১ কুড়িগ্রাম-৪ ও বরিশাল-৩।

আওয়ামী লীগের ২৫৮ জনের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স পার্টির পাঁচ, জাসদের তিন, তরিকত ফেডারেশনের দুই, বাংলাদেশ জাসদের এক ও বিকল্পধারার তিনজন নৌকা প্রতীকে ভোট করবেন। জোটের অন্য শরিক জাতীয় পার্টি (জেপি) দুজন দলীয় প্রতীক ‘বাইসাইকেল’ নিয়ে ভোটে থাকছেন।

আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭৪ জনের তালিকা দেওয়ায় বাকি ২৬টি আসন থাকছে জাতীয় পার্টির জন্য। এসব আসনে মহাজোটের শরিক দলটির প্রতীক লাঙ্গলের জন্য একক প্রার্থী রাখা হতে পারে। সেক্ষেত্রে লাঙ্গল ছাড়া জোটের অন্য শরিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হতে পারে কিংবা দলীয়ভাবে ভোট করার ঘোষণা আসতে পারে।

এদিকে জাতীয় পার্টি ১৭৩ জনের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৯ আসনে মহাজোটের সঙ্গে ভোট করবে তারা। বাকি আসনগুলো ‘উন্মুক্ত’ বিবেচনায় তাদের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন। ইসি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থীর পরিচয় প্রতীক দিয়ে। যে প্রতীকে ভোট করবেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দলের। সে হিসাবে নৌকার প্রার্থী ২৭২ জন। বাকি ২৮টি আসনে জোটগতভাবে ভোট করতে হবে আওয়ামী লীগকে।

নির্বাচনে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি দলীয় ও তাদের জোটসঙ্গী দলগুলোর নেতাদের মিলিয়ে ২৯৮ জনকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে। আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭৪ জনের তালিকা দেওয়ায় বাকি ২৯টি আসন থাকছে জাতীয় পার্টির জন্য। এসব আসনে মহাজোটের শরিক দলটির প্রতীক লাঙ্গলের জন্য একক প্রার্থী রাখা হতে পারে। সেক্ষেত্রে লাঙ্গল ছাড়া জোটের অন্য শরিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হতে পারে কিংবা দলীয়ভাবে ভোট করার ঘোষণা আসতে পারে।

এদিকে জাতীয় পার্টি ১৭৩ জনের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৯ আসনে মহাজোটের সঙ্গে ভোট করবে তারা। বাকি আসনগুলো ‘উন্মুক্ত’ বিবেচনায় তাদের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থীর পরিচয় প্রতীক দিয়ে। যে প্রতীকে ভোট করবেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দলের। সে হিসাবে নৌকার প্রার্থী ২৭২ জন। বাকি ২৮টি আসনে জোটগতভাবে ভোট করতে হবে আওয়ামী লীগকে।

মহাজোটে এরশাদের দুটি : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জোটের প্রার্থী হিসেবে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নিজের এলাকা রংপুর-৩ (সদর) আসনের পাশাপাশি ঢাকার অভিজাত এলাকাখ্যাত ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট ও ভাসানটেক নিয়ে গঠিত এই আসনে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। এখন সেখানে সাবেক সেনাপ্রধান এরশাদের ওপরই আস্থা রাখল তারা।

২০০৮ সালের নির্বাচনেও জোটগতভাবে ঢাকার এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন এরশাদ। পুরান ঢাকার সূত্রাপুর-কোতোয়ালি এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৬ আসনও জাতীয় পার্টিকে ছেড়েছে আওয়ামী লীগ। বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদই এখানে দলীয় প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হচ্ছেন।

"