যুক্তরাষ্ট্রে পানশালায় গুলিতে বন্দুকধারীসহ নিহত ১২

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি পানশালায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ১১ জন। গুলিতে বন্দুকধারীও নিহত হন। স্থানীয় পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বুধবার স্থানীয় সময় রাতে ওই পানশালায় গুলি চালানো হয়। পুলিশ বলছে, এ হামলায় ১১ জন মারা গেছেন। বন্দুকধারীসহ গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১২।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে গতকাল বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, বুধবার রাতে ক্যালিফোর্নিয়ার থাউজেন্ড ওকস এলাকার বর্ডার লাইন বার অ্যান্ড গ্রিলে গুলি চালায় বন্দুকধারী। স্থানীয় শেরিফ জিওফ ডিন জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে বন্দুকধারীও আছেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলসের ৪০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে থাউজেন্ড ওকসের অবস্থান। রাতে যখন গুলিবর্ষণ শুরু হয় তখন কমপক্ষে ২০০ মানুষ ওই পানশালার ভেতরে ছিলেন। ভেঞ্চুরা কাউন্টির শেরিফ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। এ সময়ও গুলি চলছিল। পরে পুলিশের সঙ্গেও বন্দুকধারীর গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। বন্দুকধারীর গুলিতে একজন পুলিশ সদস্যও নিহত হয়েছেন।

পুলিশ বলছে, হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। প্রথম গুলি চলার পর পানশালায় উপস্থিত মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন বন্দুকধারী কয়েক ডজন গুলি ছুড়েছেন। গোলাগুলির সময় পানশালায় থাকা অনেকেই শৌচাগারে আশ্রয় নেয়। পুলিশ সদস্যরা চেয়ার দিয়ে জানালা ভেঙে পানশালায় ঢোকেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, ওই পানশালায় একটি কলেজের অনুষ্ঠান চলছিল। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে কমপক্ষে ৩০টি গুলি ছোড়া হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে একজন ব্যক্তি ওই পানশালায় ছুটে যান এবং গুলি চালান। সেই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘সে অনেক গুলি ছুড়েছে কমপক্ষে ৩০টি। এমনকি সবাই হুড়োহুড়ি করে বের হয়ে যাওয়ার পরও সেখানে গুলির শব্দ শোনা গেছে।’

থাউজেন্ড ওকস শহরের মেয়র অ্যান্ডি ফক্সের দাবি, তার শহর যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা বিশ্বের যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময় ঘটতে পারে। এমনকি সম্পূর্ণ নিরাপদ স্থানেও এমন ঘটনা ঘটা অস্বাভাবিক নয়।’ অ্যান্ডি ফক্স জানিয়েছেন, হতাহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং এর মধ্যে পুলিশ সদস্যও আছেন।

"