তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই : সিইসি

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নুরুল হুদা বলেছেন, আগামী ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার যে সিদ্ধান্ত রয়েছে তা পেছানের সুযোগ নেই। তবে, রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে তফসিলের সময় ঠিক রেখে ভোটগ্রহণের সময়ে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। কিন্তু ভোটের তারিখ পেছালেও সেটা ডিসেম্বরের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কথা জানান।

সিইসি বলেন, ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচনের জন্য জানুয়ারি নানা কারণে ডিস্টার্ব মাস। এই মাসে বিশ্ব ইজতেমা হয়। আমি যতদূর জানি, দুই দফায় এ কারণে ১৫ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এখানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পুলিশ, র‌্যাব নিয়োগ করা হয়। ১ তারিখের পর থেকে স্কুলগুলো খোলা থাকে। এ ছাড়া এ সময় অনেক শীত ও কুয়াশা থাকে। এ জন্য চর ও হাওর অঞ্চলে ঝুঁকি থাকে।’ এসব কারণে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া দরকার বলেও মন্তব্য করেন নুরুল হুদা।

সিইসি বলেন, নির্বাচনের তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই। তবে একক দল নয়, দেশের যত রাজনৈতিক দল আছে, সবাই যদি বলে তাহলে নির্বাচন পেছানো যেতে পারে। জানুয়ারির ২৮ তারিখের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা আছে। এর মধ্যে সব রাজনৈতিক দল যদি বলে নির্বাচন কয়েক দিন পিছিয়ে দেন, তখন পিছিয়ে দেওয়া যাবে।’

এর আগে প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে সিইসি বলেন, সীমিত আকারে শরাঞ্চলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে কোথায় ব্যবহার করা হবে এটি কমিশনের হাতে থাকবে না। দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে এটি করা হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ইভিএম ব্যবহারে যদি দেখেন ভোটারদের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না, তাহলে আমাদেরকে জানাবেন। আমরা স্বার্থ রক্ষা না হলে ভোটারদের ওপর এটি জোর করে চাপিয়ে দেব না।

৫ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করতে আসে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা বৈঠকের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের জানান, সংলাপ শেষ না হওয়া এবং এর ফলাফল না জানানো পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা না করতে ইসিকে বলা হয়েছে।

 

"