তারেককে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট হবে না

অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

আদালত প্রতিবেদক

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গতকাল বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মাহবুবে আলম বলেন, ‘মৃত্যুদ- হলে বিদেশে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) দেওয়া হয়। তবে তারেক রহমানের তো যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনে অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া সমর্থন করে না। তাই তাকে ফিরিয়ে আনতে কষ্ট হবে না।’

রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রায়ে যাদের মৃত্যুদ- হয়েছে তাদের আদালত থেকে বিনা খরচে রায়ের কপি দেওয়া হয়। আর তারা যদি আপিল করেন তবে সেটা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসবে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব শুনানির জন্য পদক্ষেপ নেবে। তবে এটাতে পেপারবুক তৈরির বিষয় রয়েছে, সেগুলো আদালতের বিষয়। মামলার আপিল শুনানিতে আমাদের পদক্ষেপগুলো আমরা নেব।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ মামলায় তারেক রহমানকে যদি নাটের গুরু বলা হয়ে থাকে, তবে সেটা রায় পর্যালোচনা করে দেখব। রায় পড়ে যদি দেখি তারও মৃত্যুদ- হওয়া উচিত ছিল, তবে তার দ- বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করব। কিন্তু সবটাই নির্ভর করবে রায়টি পড়ার পর।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এই মামলায় একজন পাকিস্তানি নাগরিকেরও সাজা হয়েছে। এখানে আমরা অনুমান করছি বাংলাদেশের ক্ষতি করতে, নেতৃত্বশূন্য করতে পাকিস্তান এখনো নিবৃত হয়নি। পাকিস্তান এরই মধ্যে সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে পড়েছে। আমরা সেক্ষেত্রে জেএমবিসহ জঙ্গিদের দমন করতে সফল হয়েছি। সাজাপ্রাপ্ত ওই পাকিস্তানি নাগরিকের দ্বারা যথেষ্ট সন্দেহ আছে। দেশটিকে অস্থিতিশীল করতে পাকিস্তানের ইন্ধন থাকতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘জুলফিকার আলী ভুট্টো নিজে খুন করেননি। কিন্তু খুন করিয়েছেন, সে জন্য তারও ফাঁসি হয়েছে। তাই আমারও মনে হয় তারেকের অন্যদের মতো ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। আজকের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এসেছে রাষ্ট্রীয় সমর্থন, প্ররোচনা ও অর্থায়নে এসব কাজ করেছে সাজাপ্রাপ্তরা।’

 

"