তারেকের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল

আইনমন্ত্রী

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রায়ে তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল। কারণ, তিনিই হচ্ছেন এ হামলার হোতা। এমন মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, গ্রেনেড হামলার হোতা খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। এ হামলায় শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে একেবারে শেষ করে দেওয়ার যে যড়যন্ত্র হয়েছিল, তার নায়ক ছিলেন তিনি। রায়ের পর গতকাল বুধবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রায়ে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের ধারণা, তার মৃত্যুদণ্ড ই হওয়া উচিত ছিল। কেননা, এ হামলা কার্যকর করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন যারা, তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তবে মামলা শেষ হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট। আর রায়ের কাগজপত্র পাওয়ার পর আমরা চিন্তাভাবনা করব, এই রায়ে তারেক রহমান এবং আরো দুজনÑকায়কোবাদ ও হারিছ চৌধুরীকে যে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে, সেটার জন্য আমরা উচ্চতর আদালতে গিয়ে তাদের ফাঁসির জন্য (এনহ্যান্সমেন্ট) আপিল করব কি-না।

আপিলের প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত রায় না পাচ্ছি, ততক্ষণ পর্যন্ত যদি বলি আপিল করব, আমার মনে হয় এটা প্রি-ম্যাচিউরড। আমরা রায় পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে দেখার পর সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

পলাতকদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করব, এটা অত্যন্ত নৃশংস একটা হত্যাকা-। আমরা যেমন বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি, সেই রকম এই মামলায় যারা সাজাপ্রাপ্ত, হত্যাকারী বলে আদালত রায় দিয়েছেন এবং ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা আমরা নিশ্চয়ই করব।

মন্ত্রী আরো বলেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যেসব হত্যাকা-ের বিচার বাংলাদেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যেসব হত্যাকা-ের বিচার না হওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, সেসব হত্যাকা-ের বিচার সবগুলো সুষ্ঠু এবং ডিউ প্রসেস ফলো করে বিচারকাজ শেষ করা হয়েছে এবং সর্বশেষ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হত্যা মামলা শেষ করা হলো।

‘আজকে আমরা মনে করি, বাংলাদেশের জনগণ বিচার পেয়েছে। তার কারণ হচ্ছে, কোনো মামলাই এমনকি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায়ও বিএনপির আমলে বিচার হয়নি। বিএনপি কোনো দিনই আইনের শাসন মানে না। কোনো দিনই আইনের শাসনের ধারাবাহিকতা যে, এসব মামলার বিচার হওয়া উচিত, সেটা মানে নাই।’

 

"