প্রতীক পেয়ে মাঠে প্রার্থীরা

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে জাতীয় নির্বাচনের আমেজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পরপরই শুরু হলো ভোটের দামামা। আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামলেন প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। নানা প্রতিশ্রুতিও দিলেন ভোটারদের। গতকাল মঙ্গলবার প্রতীক পেয়ে গণসংযোগ, নির্বাচনী ইশতেহার ও মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন তারা। এই তিন সিটি করপোরেশনে আগামী ৩০ জুলাই একসঙ্গে ভোট হবে। এই প্রচারণা চলবে ভোট শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত। আর এই নির্বাচন হচ্ছে দলীয় প্রতীকে। এই নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের আমেজ তৈরি হয়েছে। আগে খুলনা ও গাজীপুর সিটিতে দলীয় প্রতীকে ভোট হয়। দুই সিটিতেই বড় ব্যবধানে জয় পান নৌকার প্রার্থীরা। এদিকে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে এলাকার উন্নয়নকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন ভোটাররা। আর সিটি নির্বাচন ঘিরে আচরণবিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানাল নির্বাচন কমিশন।

রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় মেয়র প্রার্থীদের ও পরে কাউন্সিল প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয় নির্বাচন অফিস। এই নির্বাচনে এবার পাঁচজন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (মতিন) মেয়র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবকে কাঁঠাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম হাতপাখা, গণসংহতি আন্দোলনের মুরাদ মোর্শেদ হাতি, বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ধানের শীষ ও আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও পছন্দের প্রতীক পেয়ে সন্তুষ্ট। প্রতীক পাওয়ার পরই প্রার্থীরা মেনে পড়েন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। আর বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল নেমে পড়েন গণসংযোগে।

লিটনের ইশতেহারে ৮২ প্রতিশ্রুতি : গতকাল দুপরে মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিটনের ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলের উপদেষ্টা আবদুল খালেক ইশতেহারের ১৫টি বিষয়ের মোট ৮২টি প্রতিশ্রুতির প্রতিটি পড়ে শোনান। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ইশতেহারের প্রথমেই রয়েছে কর্মসংস্থান। গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে গার্মেন্টস শিল্প, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা এবং বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক দ্রুত বাস্তবায়ন করে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন লিটন। প্রতিশ্রতি দিয়েছেন রেশম কারখানা ও টেক্সটাইল মিল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর, জুট মিল সংস্কার, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন এবং কুটিরশিল্পের সম্প্রসারণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি।

শিক্ষানগরীর হিসেবে খ্যাত এ নগরীতে শিক্ষা নিয়েও কাজ করতে চান জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছেলে খায়রুজ্জামান লিটন। এর মধ্যে রয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত বাস্তবায়ন, রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, নতুন একাধিক বালক ও বালিকা স্কুল-কলেজ নির্মাণ, পূর্ণাঙ্গ সংগীত, ইউনানি এবং আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয় স্থাপন ও নাগরিক কেন্দ্রগুলোকে ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা।

ইশতেহারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে অবকাঠামো গড়ায়। এর মধ্যে নগরীর চারদিকে রিং রোড ও লেক নির্মাণের কথা রয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদা মার্কেট নির্মাণেরও ঘোষণা এসেছে। এ ছাড়া ক্রীড়ায় উন্নয়ন, প্রবীণ নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত, প্রবীণ নিবাস স্থাপন, প্রতিবন্ধীদের উন্নয়ন, মুক্তিযুদ্ধ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, সিটি মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা, ইমাম-পুরোহিতদের জন্য উৎসব ভাতা এবং মাদকমুক্ত নগরী গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘মেয়র থাকাকালে উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই শহরকে সব সূচকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির যে গৌরব অর্জন করেছিলাম, তা আজ প্রায় শূন্যের কোটায়। আমার সময় রাজশাহী শান্তি, সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি আর পরিচ্ছন্ন সবুজের বাসযোগ্য নগরীর মর্যাদা লাভ করেছিল। এগুলো সব অতীত হয়ে গেছে। তা পুনরুদ্ধার করতে হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে লিটন বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে সদ্য বিদায়ী মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের যদি কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, কাগজপত্র হাতে আসে, তবে সেগুলোর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাইদুর রহমান খান, কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শাহীন আক্তার রেণী, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সহসভাপতি তবিবুর রহমান শেখ, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগরের সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামাণিক দেবুসহ ১৪ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল গতকাল দুপুরে সাহেববাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন। এর আগে তিনি নগরীর নিউমার্কেট এলাকার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া আল্লামা মুহাম্মদ মিয়া কাসেমী রহ. (ইসলামিয়া মাদরাসা) মাদরাসায় বড় হুজুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দোয়া নেন। পরে শাহ্ মখ্দুম রুপোশ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শাফিক, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, মহানগর যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন, মহানগর ছাত্রদল সভাপতি আসাদুজ্জামান জনি, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি প্রমুখ।

বরিশাল প্রতিনিধি জানান, প্রতীক বরাদ্দের পরপরই নগরজুড়ে মাইকিং শুরু করে দিয়েছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। নগরীর বিভিন্ন দোকান ও পথচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন মেয়র প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। সবাই নিজের ও দলের জন্য ভোট চাইছেন। সব মিলিয়ে ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান। সিটি করপোরেশনটিতে মেয়র পদে ছয়জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দলীয় পদে মেয়র নির্বাচন হওয়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ নৌকা, বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ধানের শীষ, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের ওবাইদুর রহমান মাহবুব হাতপাখা, বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী মই এবং সিপিবির প্রার্থী এ কে আজাদ নির্ধারিত কাস্তে প্রতীকই পেয়েছেন। সকাল থেকেই প্রতীক বরাদ্দের জন্য বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে যান মেয়র ও কাউন্সিরর প্রার্থীরা।

প্রতীক পেয়ে দুপুরে নগরীর সদর রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া আর সমুদ্রে সাঁতার কাটা সমান। তবে এরই মধ্যে জনগণ বুঝতে পারবে যে এই সরকার কতটা নিরপেক্ষ। তিনি বলেন, নির্বাচনে নিজেদের আত্মীয়স্বজনকে বিজয়ী করার পরিকল্পনা করেছে আওয়ামী লীগ। তবে বিএনপি কোনো ছোটখাটো দল নয় যে ভয় পেয়ে সরে যাবে। নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করেই খালেদার মুক্তি নিশ্চিত করবে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ দুপুরে এক ব্যক্তির জানাজায় যোগ দেন। পরে সন্ধ্যা ৭টায় একযোগে নগরীর ৩০ ওয়ার্ডে মিছিলের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়। এ সময় সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, ইনশআল্লাহ বরিশাল সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম উৎসবমুখর পরিবেশেই হবে। এরমধ্য দিয়েই বরিশালের জনগণ তরুণ নেতৃত্বকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করবেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, বরিশাল সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম উৎসবমুখর পরিবেশেই হবে। এরমধ্য দিয়ে বরিশালের জনগণ তরুণ নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।

অপরদিকে প্রতীক বরাদ্দের পর সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা বর্তমানে খুবই নাজুক। খুন এখন নুনের চেয়েও সস্তা। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ইসলামী আন্দোলন জয়ী হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ছাত্র ও যুববিষয়ক সম্পাদক মুফতি সৈয়দ আবুল খায়ের, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া হামেদী, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ আবদুল্লাহ নাছের প্রমুখ।

সিলেট প্রতিনিধি জানান, প্রচারণায় নেমেছেন হেভিওয়েট দুই মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের কামরান ও বিএনপির আরিফুল। গতকাল সকালে প্রতীক পেয়েই শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন আ.লীগের প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী। মাজার জিয়ারতের পর দরগাহ গেট এলাকায় জনসংযোগ কপ্রণ এ দুই মেয়র প্রার্থী।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত মেয়াদের বেশির ভাগ সময় আমি কারাগারে ছিলাম, তাই আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অনেকটা বাস্তবায়নের সুযোগ পাইনি। তার পরও আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন করতে পেরেছি বলে মনে করি। আগামী ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে সিলেটবাসী ভোট দিয়ে আমাকে আবারও জয়যুক্ত করবেন। নগরীর উন্নয়নে আমি জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাব।’ আরিফুল বলেন, ‘নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র আপনাদের পাহারা দিতে হবে। কোনো ধরনের অশুভ শক্তি যেন ভোট কারচুপি করেতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

আর নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ মনোনীত বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, ‘অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আমি সিলেট নগরবাসীর খেদমত করে যেতে চাই। নির্বাচনের জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। আশা করছি, ৩০ জুলাইয়ের ভোটের ফল আমাদের পক্ষেই আসবে।’ কামরান আরো বলেন, ‘নগরবাসীর জন্য একটি আদর্শ নগরী গড়ে তুলতে আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন। আশা করছি, সবাই সহযোগিতা করবেন।’

অন্যদিকে জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

প্রতীক পেলেন সাত মেয়র প্রার্থী : গতকাল মঙ্গলবার সকালে সিসিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাত মেয়র প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন মেয়র প্রার্থী দলীয় প্রতীক পেয়েছেন। আর স্বতন্ত্র ৩ মেয়র প্রার্থী বাছাই করে প্রতীক নিয়েছেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পেয়েছেন নৌকা, বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ, ইসলামী আন্দোলনের ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন হাতপাখা, সিপিবি-বাসদের আবু জাফর মই, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী বদরুজ্জামান সেলিম বাস, নগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের টেবিল ঘড়ি ও এহসানুল হক তাহের হরিণ, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

"