পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্প

শেখ হাসিনার নামে পায়রা সংযোগ সড়ক

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আর চার লেনের পায়রা-রজপাড়া সংযোগ সড়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে নামকরণ করা হচ্ছে। চলতি বছরের শেষ দিকে এই সড়কের কাজ শেষ হবে। ইতোমধ্যে পায়রা বন্দরমুখী এ সড়কের কাজ ৪৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদীয় কমিটির মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (বীর-উত্তম), এমপি। বৈঠকে কমিটির সদস্য এম আবদুল লতিফ, রণজিৎ কুমার রায়, মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার), মমতাজ বেগম ও বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, শেখ হাসিনা সড়ক নির্মাণের প্রকল্প চুক্তি ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর স্বাক্ষর হয়। পায়রা সমুদ্র বন্দর কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়িত ওই প্রকল্পের কাজ ৪৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। এর আর্থিক অগ্রগতি ৪২ শতাংশ। কমিটি এই সড়ক দ্রুত শেষ করার সুপারিশ করেছে।

বৈঠকে পায়রা সমুদ্র বন্দর উন্নয়নের অগ্রগতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম কাজ শুরু হয়েছে ২০১৫ সালে। এ পর্যন্ত ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বন্দরের জন্য ইতোমধ্যে এক হাজার ৪২৭ দশমিক ৪৯ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আরো জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। এই বন্দরের জন্য ১৬ একর জায়গার ওপর প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এটির কাজ ৯২ শতাংশ শেষ হয়েছে। নির্মাণ করা হচ্ছে চারটি শিপইয়ার্ড ও সাতটি বিভিন্ন প্রকার বোট।

কমিটি সূত্র জানায়, পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে যৌথ কোম্পানির পরিবর্তে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশি ড্রেজিং কোম্পানির সঙ্গে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়ে সহযোগিতার জন্য রয়্যাল হাস্কোনিং-কে পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর গঠন, উৎস, প্রকৃতি -সবকিছু সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ভিডিও কমিটির বৈঠকে প্রদর্শনের সুপারিশ করা হয়।

"