খুলনা সিটি নির্বাচন

লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি

প্রকাশ : ১৪ মে ২০১৮, ০০:০০

গাজী শাহনেওয়াজ

প্রচারণা শেষ। এখন অপেক্ষা ভোটের। খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) পরিবেশ-পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভালো নির্বাচনের আভাস দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী। কেন্দ্রে এসে ৬০-৬৫ শতাংশ ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। দুই প্রার্থীই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এ হিসেবে সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে নৌকা-ধানের শীষের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।

তবে নির্বাচনে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে। সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক সবাই মেয়র, কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের করা অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন। হয়রানি করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা কিংবা তারা এজাহারভুক্ত আসামি কিনা জানতে চাইছেন ইসির কর্মকর্তা। অভিযোগ না থাকলে অযথা হয়রানি না করতে বলছেন তারা।

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের পাশাপাশি পুরো সিটিজুড়ে মেয়র প্রার্থীদের প্রচারণা ছিল তুঙ্গে। রোববার মধ্যরাতে প্রচারণা শেষ হয়েছে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক (নৌকা) এবং বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ নৌকার প্রার্থী খালেকের এবং ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগ পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে। তবে প্রধান দুই দলের হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে নগরীজুড়ে। শেষ হাসি কে হাসবেন তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আরো দুই দিন।

এদিকে, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ দেখতে চাইছেন সেখানকার ভোটারসহ সারা দেশের মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, খালিশপুর ও দৌলতপুর শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকা। এ দুটি এলাকায় প্রায় দুই লাখ ভোটার রয়েছে। অপরদিকে খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা এলাকায় আড়াই লাখের বেশি ভোটার রয়েছে। শ্রমিক এলাকা ও এক হাজার ১৯টি বস্তি এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। ওই সূত্র জানায়, ৭, ১৬, ১২, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা একে অপরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, গতকাল শেষ দিনের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী। ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর দাবি ছিল, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন। বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার এবং দমনপীড়নে নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ তার। তিনি জানিয়েছেন, রোববার এ দলটির ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তবে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের পক্ষে প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী এস এম কামাল হোসেন এসব দাবি নাকচ করে বলেছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। খুলনা সিটির নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপির প্রার্থী অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।

এদিকে, সব কিছু ছাপিয়ে খুলনা সিটির নির্বাচনটি ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। সাত মাস পর আগামী ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনের জয়-পরাজয় জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কেসিস নির্বাচন আওয়ামী লীগ-বিএনপির জন্য সতর্ক বার্তা এবং নির্বাচন কমিশনের জন্য অগ্নিপরীক্ষা বলে মনে করছেন তারা। নিজেদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করা, নির্বিঘেœ ভোটদানের ব্যবস্থা করা এবং শান্তিপূর্ণ ফলাফল প্রকাশ করাÑ এসব প্রমাণ করা ইসির জন্য জরুরি।

তবে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী। রোববার তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ ও ফল প্রকাশে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে যাতে নির্বিঘেœ বাড়ি ফিরতে পারেন, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, কেউ আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তবে খুলনার নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ভোটগ্রহণের সময় যতই এগিয়ে আসছে, সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ততই বাড়ছে চাপা আতঙ্ক। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, ১১টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ও ছয়টি ওয়ার্ডে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে।

এদিকে, গতকাল সকাল থেকে র‌্যাবের টহল শুরু হয়। ৩২ পেট্রোল র‌্যাবের ৩২০ জন সদস্য। আর দুপুর থেকে টহল শুরু করে বিজিবি। ১৬ প্লাটুনে মোট ৬৪০ জন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি খুলনা সদর দফতরের টুআইসি মেজর হান্নান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সোনালী সেন বলেন, সিটি করপোরেশনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। শহরে প্রবেশের ৮টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ভোটের অনুকূল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব আবদুল বাতেনের নেতৃত্বে ২৯ সদস্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক টিম দুপুর থেকে পর্যবেক্ষণ কাজ শুরু করেছে। সিটির নিজস্ব পর্যবেক্ষক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, নগরীর ২৪ ও ২৭নং ওয়ার্ড এবং বয়রা ও সোনাডাঙ্গা এলাকায় পুরো নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক। কোনো শঙ্কা নেই। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওয়ার্ড থেকে কিছু প্রার্থী তাদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ দিচ্ছেন। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে কথা বলছি। তাদের কাছে জানতে চাচ্ছি, যারা অভিযোগ দিচ্ছেন তারা এজাহারভুক্ত মামলার আসামি কিনা। যদি না থাকে তাহলে অযথা হয়রানি না করতে।

আর সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং যশোর জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘১-৩নং ওয়ার্ড এলাকা পর্যবেক্ষণ করেছি। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখতে পাইনি। পরিবেশ-পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভালো। আশা করছি, ভালো নির্বাচন হবে।’ নির্বাচনের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, এই পরিস্থিতি ভোটের দিন পর্যন্ত বহাল থাকলে ভোটার উপস্থিতি দাঁড়াতে পারে ৬০-৬৫ শতাংশ।

এ ছাড়া আজ সোমবার দুপুর থেকে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স বিতরণ শুরু হবে। ১৫৬১টি ভোটকক্ষের প্রতিটির জন্য একটি করে ও মোট ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটির জন্য অতিরিক্ত হিসাব আরো একটি করে ব্যালট বক্স বরাদ্দ রাখা হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে দুপুরে এগুলো বিতরণ করা হবে।

আট হাজার আইনশৃঙ্খলার সদস্য : সিটি নির্বাচনে আট হাজারের মতো নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্র এবং কেন্দ্রের বাইরে এসব সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে কেন্দ্র পাহারায় থাকবে পুলিশ, আনসার ও আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে ৬ হাজার ৮১৬ জন এবং কেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অর্থাৎ ৩২০ জন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ৩২ পেট্রোল অর্থাৎ ২৬০ জন, পুলিশ ১১ টিম এবং আনসার ৩ ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে ১২ টিম।

নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ৭৩ জন : প্রার্থী এবং তাদের কর্মী-সমর্থকরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিক জরিমানা ও শাস্তির পাশাপাশি সামারি ট্রায়াল করে দন্ড দেবেন এসব ম্যাজিস্ট্রেট। এর মধ্যে ৩১ ওয়ার্ডে ৬০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৩ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।

৪৯৭২ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা : এ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার (ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ৪ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে প্রতি কেন্দ্রে ১ জন প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ২৮৯ জন, প্রতিটি কক্ষে ১ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে ১৫৬১ জন এবং প্রতিটি কক্ষে দুজন পোলিং অফিসার হিসেবে ৩১২২ জন। ভোটার শনাক্ত এবং ব্যালট দিয়ে ভোট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এসব কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসির ৩১ নিজস্ব পর্যবেক্ষক : ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট কার্যক্রমের গতি-প্রকৃতি, ভোটার, প্রার্থী-কর্ম সমর্থকদের গতিবিধি এবং সর্বোপরি নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন সব কিছু সাধারণ পোশাকে শুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করবেন ইসির এই নীরব পর্যবেক্ষকরা। ভোটে কোনো ধরনের অনিয়ম দেখলে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ, রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত এবং প্রয়োজনে কমিশনকে ঘটনার তথ্য সম্পর্কে জানাবেন তারা। এসব নিজস্ব পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে ৩১ জন, যার মধ্যে ইসির যুগ্ম সচিব আবদুল বাতেনকে সমন্বয়ক, উপসমন্বয়ক মো. শাহাদাত হোসেন এবং ২৯ জন মাঠে ঘুরে ঘুরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।

৫ কেন্দ্র ও ওয়ার্ডে ইভিএম ও সিসিক্যামেরা : ভোটার সচেতন এবং শিক্ষিত ও শহরকেন্দ্রিক ২৪ ও ২৭নং ওয়ার্ডে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে। যান্ত্রিক জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ যাতে বুঝেশুনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য নগরীর ওই দুটি ওয়ার্ডকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিবেচনায় সিটির ৩টি ভোটকেন্দ্রে সিসিক্যামেরার সহায়তায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন, যার মধ্যে বিএল কলেজ কেন্দ্র, পিটিআই কেন্দ্র এবং পাইওনিয়র কলেজ কেন্দ্র। ভোটারদের গতিবিধি ও ভোটগ্রহণ কার্যক্রম ওই ক্যামেরার সাহায্যে অবলোকন করবেন কমিশন। এসব প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য আইটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা হয়েছে।

৩ পদে ১৯১ প্রার্থী : খুলনা সিটি নির্বাচনের ৩ পদে ১৯১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ৫ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মিজানুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুজ্জাম্মিল হক। আর সাধারণ কাউন্সিলর ৩৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ১৪৮ জন।

ভোটকেন্দ্র, কক্ষ এবং ওয়ার্ডের সংখ্যা : সিটিতে ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড এবং ভোটকেন্দ্র ২৮৯টি এবং ভোটকক্ষ ১৫৬১টি।

৪৯৩০৯৩ জন ভোটার : খুলনা সিটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন; যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। ভোটার সংখ্যানুপাতে মহিলার চেয়ে পুরুষ ভোটার ৪ হাজার ৭৭৯ জন বেশি।

সাধারণ ছুটি : ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। ছুটি ঘোষণায় কমিশন থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা চলবে ভোটগ্রহণ।

মালামাল সামগ্রী : সিটি নির্বাচনের ভোটের সামগ্রী আজ সোমবার সকাল থেকে কেন্দ্র পাহারায় থাকা পুলিশ এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা র‌্যাব-পুলিশের সহায়তায় এসব সামগ্রী বিতরণ করবেন।

গত এপ্রিলে খুলনা ও গাজীপুর সিটির তফসিল ঘোষণা করে ইসি। তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণের সময় নির্ধারণ করা হয় আগামী ১ মে। ইতোমধ্যে আদালতের নির্দেশ স্থগিত হয় গাজীপুরের ভোট, যা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২৮ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে কমিশনকে। এ নির্বাচন আগামী ২৬ জুন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

"