মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুকে আ.লীগের শ্রদ্ধা

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন করেছে আওয়ামী লীগ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আবদুস সোবহান গোলাপ এবং পরে দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ নেতারা জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা ৭ মার্চ ও ১৭ এপ্রিলের মতো মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত বিষয়গুলো স্বীকার করে না, তারা ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। বিএনপি নামক দলটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়। শুধুমাত্র নির্বাচন এলে জনগণের সামনে নির্বাচনী ইশতেহারে মুক্তিযুদ্ধ ব্যবহার করে।

দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুকুল বোস, মোজাফফর হোসেন পল্টু, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, আবদুল মতিন খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এ কে এম এনামুল হক শামীম, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক ফরিদুর নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর একে একে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৬টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারা দেশে সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পৃথক কর্মসূচিও ছিল।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহাকুমার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী, এম মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এম এ জি ওসমানী প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পান।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য জনগণের নির্বাচিত সংসদের নেতৃত্বের সরকার বিশ্বের সামনে আত্মপ্রকাশ করে। ১০ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় সেদিন।

স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার পরিচালনা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

"