সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

চাকরি ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। তিন পার্বত্য জেলা বাদে বাকি সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি ছাপা হয়েছে ৩১ জুলাইয়ের কালের কণ্ঠ ও যুগান্তর পত্রিকায়। বিজ্ঞপ্তিটি পাওয়া যাবে www.dpe.gov.bd ও dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে এবং bit.ly/2LUeEK9 লিংকে। আবেদন করা যাবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

আবেদনের যোগ্যতা

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। পার্বত্য তিন জেলাÑরাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। বাকি ৬১টি জেলার পুরুষ ও নারী উভয় প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। পুরুষ প্রার্থীদের বেলায় শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক। কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের জিপিএসহ এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই আবেদন করতে পারবেন নারীরা।

৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের বেলায় বয়সসীমা ৩২ বছর।

আবেদন অনলাইনে

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের চাকরির আবেদনবিষয়ক ওয়েবপোর্টালের (dpe.teletalk.com.bd) মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে আবেদনপ্রক্রিয়া। আবেদন করা যাবে ৩০ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। অনলাইন আবেদন ফরমে ধারাবাহিকভাবে নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, কোটা আছে কি না, জাতীয়তা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘর পূরণ করতে হবে। জন্মতারিখ জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে মিল রেখে দিতে হবে। কোটার ঘরে যেসব প্রার্থীর মা-বাবা অথবা স্বামী বা স্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন, তাদের নির্ভরশীল (ডিপেনডেন্ট) ঘরটি নির্বাচন করতে হবে। তিনি সর্বশেষ যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন, তার নাম এবং প্রার্থীর সঙ্গে তার সম্পর্ক উল্লেখ করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের মুক্তিযোদ্ধার নাম, মুক্তিযোদ্ধা সনদ নম্বর, ঠিকানা এবং প্রার্থীর সঙ্গে তার সম্পর্ক লিখতে হবে। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার ঘরে জেলা, উপজেলা নির্বাচন করতে হবে এবং বিস্তারিত ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। পরের ধাপে আগের পৃষ্ঠায় দেওয়া তথ্যগুলো দেখাবে। সব তথ্য ঠিক আছে কি না ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। কোনো তথ্য পরিবর্তন করতে হলে সংশোধন বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণের পর প্রার্থীর রঙিন ছবি এবং স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। ছবির আকার হবে ৩০০ বাই ৩০০ পিক্সেল এবং ফাইল সাইজ সর্বোচ্চ ১০০ কেবি। স্বাক্ষরের আকার ৩০০ বাই ৮০ পিক্সেল এবং ফাইল সাইজ হবে সর্বোচ্চ ৬০ কেবি। ছবি ও স্বাক্ষর আপলোডের পর পুনরায় সব তথ্য ঠিক আছে কি না দেখে নিতে হবে। তথ্য ঠিক থাকলে ওপরে দেওয়া সব তথ্য ঠিক আছে নির্বাচন করে আবেদন সাবমিট করতে হবে। সাবমিটের পর ইউজার আইডি, ছবি ও স্বাক্ষরযুক্ত অ্যাপ্লিকেন্ট কপি পাওয়া যাবে। পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে। অনলাইন আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল থেকে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর পাওয়া এসএমএসটি পরবর্তী সময়ে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। প্রাথমিকভাবে কোনো কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

বেতন-ভাতা

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুসারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা স্কেলে এবং প্রশিক্ষণবিহীনরা ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা স্কেলে বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

 

 

"