ইউটিউব থেকে কুসুমের ‘নেশা’ সরাতে নোটিস

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

মডেল অভিনেত্রী কুসুম শিকদারের গাওয়া ও অভিনীত ‘নেশা’ গানের মিউজিক ভিডিও বৈধ-অবৈধ সব ভিডিও ও টিজার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য আইনি নোটিস দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার ই-মেইল, ডাক ও কুরিয়ারযোগে গানটির প্রকাশক ‘বঙ্গ’সহ গানটির মডেল কুসুম শিকদার ও খালেদ হোসাইন সুজনকে আইনি নোটিসটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী রাগিব।

একই সঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যান, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব, সংস্কৃত মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্য সচিবকেও নোটিস পাঠানো হয়।

৩ আগস্ট বঙ্গ নামের প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব চ্যানেল ‘বঙ্গবিডি’ থেকে কুসুম শিকদারের ‘নেশা’ শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হয়। ভিডিওতে কুসুমের আবেদনময়ী উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে জোর সমালোচনা শুরু হয়। এবার এ গানটির বৈধ-অবৈধ সব ভিডিও ও টিজার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউটিউব থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য আইনি নোটিস দেওয়া হয়েছে। নোটিসে বলা হয়, নেশা ভিডিওটি শুরুই হয় ‘চোখে আমার তোমার নেশা, শ্বাসে আমার তোমার নেশা, সারা দেহে তোমার নেশা, রগে রগে তোমার নেশা, তোমায় পান করে....জ্ঞান হারাই, হই মাতাল’ এমন ‘উত্তেজক’ কথার আবৃত্তি দিয়ে। তারপর একের পর এক আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল দৃশ্য। নোটিসে আরো বলা হয়, ভিডিওটিতে ৫টি শাওয়ারের দৃশ্য, ৭টি সুইমিং পুলের দৃশ্য, ১টি শয্যাদৃশ্য ও ৩টি চুম্বন দৃশ্য রয়েছে। গানের কথার সঙ্গে এসব দৃশ্যের কোনো মিল বা সংযোগ নেই। নিতান্তই গানকে দ্রুত জনপ্রিয় করার সস্তা রাস্তা হিসেবে ওই সব দৃশ্য সংযোজন করা হয়েছে। এমনকি ভিডিওটির কভার ছবিও অত্যন্ত অশ্লীল এবং আপত্তিকর। এ ধরনের অশ্লীল ভিডিও তৈরি প্রকাশনা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা এবং পর্নোগ্রাফি আইন, ২০১২-এর ৮ ধারা মতে দ-নীয় অপরাধ। নোটিসে বিটিআরসি চেয়ারম্যান, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব, সংস্কৃত মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্যসচিবকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘নেশা’ ভিডিওটি সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়।

"