ফেরদৌসের ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী’

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২০, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

ফেরদৌস তার সমসাময়িক নায়কদের মধ্যে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে যেমন বেশ এগিয়ে রয়েছেন; ঠিক তেমনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের দিক দিয়েও রয়েছেন শীর্ষে। এখন পর্যন্ত পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন নন্দিত এই নায়ক। পুরস্কারপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোতে ফেরেদৌস তার অনবদ্য অভিনয়ের কারণেই এতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। নন্দিত এই নায়ক একটি বিশেষ চলচ্চিত্র ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী’-এর কাজ প্রায় শেষ করেছেন। করোনার প্রভাব বাংলাদেশের শুরু হওয়ার আগেই মূলত এই সিনেমার কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর মাত্র দুদিন কাজ করলেই সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়ে যাবে বলে জানান ফেরদৌস। এটি নির্মাণ করছেন এখলাছ আবেদীন।

ফেরদৌস জানান, মূলত থিয়েটার কর্মীদের ভিন্ন ধরনের এক গল্প নিয়েই এই সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে ফেরদৌসের সিনেমার গল্পে অভিনয় করার কথা। তা নিয়েই শুরু হয় নানা ধরনের ঘটনা।

এ বিষয়ে ফেরদৌস বলেন, ‘সিনেমাটিতে দেখা যাবে যে, আমি একজন থিয়েটার কর্মী। আমাকে একটি নাটকের মঞ্চায়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে অভিনয় করতে হবে। সেজন্যই তার সম্পর্কে আমার বিশদ জানতে হয় নানাভাবে। একজন অভিনেতা হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিজের মধ্যে ধারণ করা কত কঠিন এবং দুরূহ ব্যাপার, তাই সিনেমাটিতে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।’

এদিকে আজ ফেরদৌসের জন্মদিন। তবে এবারের জন্মদিনটি তার জীবনের এক অন্যরকম জন্মদিন। সিনেমার তারকাখ্যাতি পাওয়ার পর এবং বিয়ের পর জন্মদিনের পুরোটা সময় কোনোদিনই পরিবারকে দিতে পারেননি। কিন্তু এবার তাকে পুরোটা সময়ই পরিবারকেই দিতে হচ্ছে। হোক সেটা বাধ্য হয়ে কিংবা নিজের ইচ্ছেতে।

ফেরদৌস বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে যে, এবারের পুরোটা সময় আমি আমার মা, স্ত্রী তানিয়া, দুই কন্যাসন্তান নূজহাত ও নামিরাকে দিতে পারব। এটা সত্যিই আসলে ভীষণ ভালো লাগার বিষয়। কারণ যখন থেকে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছি এরপর থেকে আসলে পরিবারকেই বিশেষ এই দিনটিতে পুরোটা সময় একান্তে দেওয়ার সুযোগ হয়ে উঠেনি। কিন্তু এবার সেই সময় হলো। আশা করছি খুব ভালোভাবে কাটবে সময়।’

প্রসঙ্গত, গেল ৪ জুন শেষ নিঃশ^াস ত্যাগ করেন ফেরদৌস প্রথম যে সিনেমাতে অভিনয় করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন সেই সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’-এর পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি। ফেরদৌস বলেন, ‘আমার পিতার মৃত্যুর পর বাসু দা’র মৃতুতে ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। তার সিনেমাতে অভিনয় না করলে আজকের ফেরদৌস হয়ে ওঠা আমার পক্ষে সম্ভব হতো না। আমি যত দিন বাঁচব তাকে বুকে লালন করে, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব, মনে রাখব।’

 

"