‘গরবিনী মা সম্মাননা’ পেলেন মমতাজ, পপি ও নিশোর মা

প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৯, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

গতকাল ছিল বিশ^ মা দিবস। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হসপিটাল আয়োজিত ‘গরবিনী মা সম্মাননা’ প্রদান করা হয় গতকাল মা দিবসে। হসপিটালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তীর উদ্যোগে তারকাদের মধ্যে এবারের মা দিবসে ‘গরবিনী মা সম্মাননা’ প্রদান করা হয় বাউল সম্রাজ্ঞী-নন্দিত কণ্ঠশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের মা উজালা বেগম, চিত্রনায়িকা পপির মা মরিয়ম বেগম ও অভিনেতা আফরান নিশোর মা আঞ্জুমান আরাকে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তারকাদের মায়েদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হসপিটালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী। মায়ের জীবনে ভূমিকা প্রসঙ্গে এবং গরবিনী মা সম্মাননা প্রসঙ্গে মমতাজ বলেন, ‘আজকের এই ক্ষণটি প্রত্যেকের জন্য অনেক আবেগের। প্রত্যেক সন্তানই এখানে কথা বলতে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে যাচ্ছেন। আমিও ভীষণ আবেগাপ্লুত। সত্যিই মায়ের কোনো তুলনা হয় না। আমি আমার মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসা জানাচ্ছি আজ মা দিবসে।’

পপি বলেন, ‘অনেক কথাই আসলে বলার ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মা সম্পর্কে বলতে এসে অনেক কথাই এলোমেলো করে ফেলেছি। আজ আমার জীবনের সত্যিই স্মরণীয় দিন। আমি জীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছি। কিন্তু আমার মা গরবিনী মা সম্মাননা পেয়েছেনÑ এটাই আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।’ আফরান নিশো বলেন, ‘আমি আমার মা-বাবার মেজো ছেলে। আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল আমি যেন সামরিক বাহিনীতে যোগ দিই। কিন্তু আমি হয়ে গেলাম অভিনেতা। কিন্তু তারা খুব বেশি খুশি ছিলেন না। তার পরও আজ যে অবস্থানে এসেছি আমার মায়ের অনুপ্রেরণাতেই। এখন আমার পরিবার খুশি। তবে সত্যি মাকে কখনো বলা হয়ে উঠে না তাকে যে কতটা ভালোবাসি।’

এদিকে কথা বলতে বলতেই মঞ্চে আফরান নিশো আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকেন নিশো। সেই সময় অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

"