৬৭-তে ফেরদৌস ওয়াহিদ

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে জীবন্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ তার সহধর্মিণী রোকসানা ওয়াহিদের কথা বিশেষভাবেই বললেন। তার সাফল্যে তার স্ত্রীর ভূমিকা রয়েছে অনেক। মুর্শিদাবাদের মেয়ে রোকসানার সঙ্গে ফেরদৌস ওয়াহিদের বিয়ে হয় ১৯৭৭ সালের ৪ এপ্রিল। সে হিসেবে আগামী ৪ এপ্রিল ফেরদৌস ওয়াহিদ ও রোকসানা ওয়াহিদ তাদের বিবাহিত জীবনের ৪২ বছরে পার রাখতে যাচ্ছেন। এদিকে আজ ফেরদৌস ওয়াহিদের জন্মদিন। আজ তিনি ৬৬ পেরিয়ে ৬৭-তে পা রাখলেন বলে জানালেন। জন্মদিনে সাধারণত ফেরদৌস ওয়াহিদ নিজের গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুরের শ্রীনগর থানার দক্ষিণ পাইকশাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাটান। তাদের সঙ্গেই খাওয়া-দাওয়া করেন তিনি। ফেরদৌস ওয়াহিদের বাবা ওয়াহিদ উদ্দিন আহমেদ ও মা উম্মে হাবিবা নূরজাহান। ছয় ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি ভাইদের মধ্যে সবার ছোট। তার একমাত্র ছেলে হাবিবের নাম হাবিব রাখেন তারই মা উম্মে হাবিবা নূরজাহান। ফেরদৌস ওয়াহিদের ছেলে হাবিব বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক।

সিনেমাতে ফেরদৌস ওয়াহিদ প্রথম প্লেব্যাক করেন দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘আসামি হাজির’ সিনেমায়। পরিচালকের লেখা ও আলম খানের সুর সংগীতে সাবিনা ইয়াসমীনের সঙ্গে ‘আমার পৃথিবী তুমি’ গানটি করেন। সিনেমায় তার আলোচিত গান হচ্ছে ‘ওগো তুমি যে আমার কত প্রিয়’, ‘আমি এক পাহারাদার’, ‘শোন ওরে ছোট্ট খোকা’, ‘আমি ঘর বাঁধিলাম’ ইত্যাদি। সিনেমার বাইরে তার গাওয়া আলোচিত গান হচ্ছে ‘মামুনিয়া’, ‘আগে যদি জানতাম’, ‘এমন একটা মা দে না’।

গান তিনটি প্রসঙ্গে ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ‘এই তিনটি গান আমাকে জীবনের প্রায় প্রতিটি স্টেজ শোতেই গাইতে হয়েছে। এই গানগুলো মরণের কোনো খবর নেই। দিন দিন যেন এ গানের জনপ্রিয়তা বাড়ছেই। আবার একটি কথা না বললেই নয়, এখন যতগুলো স্টেজ শোতে যাওয়ার নিমন্ত্রণ পাই সবগুলোতে আমাকে এবং হাবিবকে বাধ্যতামূলকভাবেই থাকতে হয়। এটাও অনেক ভালো লাগা আমার। সন্তানের জন্য আজ গর্বিত আমি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন সব সময় সুস্থ থাকি, ভালো থাকি।’

ফেরদৌস ওয়াহিদ তার নিজের আজকের অবস্থানের পেছনে শ্রদ্ধেয় ফিরোজ সাঁইয়ের ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। ফেরদৌস ওয়াহিদ বর্তমানে তার দ্বিতীয় সিনেমা ‘দুর্ধর্ষ অভিযান’-এর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এটি নির্মাণের পাশাপাশি এতে অভিনয়ও করছেন তিনি। তার নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘কুসুমপুরের গল্প’।

 

"