৮০০ পর্বে মীর সাব্বিরের ‘নোয়াশাল’

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

২০১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আরটিভিতে অভিনেতা ও নির্মাতা মীর সাব্বিরের নির্দেশনায় প্রচার শুরু হয়েছিল ধারাবাহিক নাটক ‘নোয়াশাল’-এর। বিগত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই ধরনের দর্শকপ্রিয়তা নিয়ে আরটিভিতে এখনো মীর সাব্বির নির্দেশিত এ ধারাবাহিক নিয়মিত প্রচার হচ্ছে। মীর সাব্বিরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘ফুলঝুরি মিডিয়া লিমিটেড’-এর প্রযোজনায় এ ধারাবাহিক আজ রাত ৯টা ২০ মিনিটে আরটিভিতে ৮০০তম পর্ব প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা মীর সাব্বির।

নাটকটির প্রধান প্রধান কয়েকটি চরিত্রে অভিনয় করছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, ডলি জহুর, খায়রুল আলম সবুজ, চিত্রলেখা গুহ, দিলারা জামান, নরেশ ভূঁইয়া, মীর সাব্বির, আ খ ম হাসান, রওনক হাসান, অহনা রহমান, টয়া, নিশা, আইরিন তানি, আমিন আজাদ, ওয়ালিউল হক রুমী, বিনয় ভদ্র, শফিক খান দিলুসহ অনেকে। এ শিল্পীরা নিয়মিত ‘নোয়াশাল’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন।

দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে একই ধারাবাহিক নির্দেশনা প্রসঙ্গে মীর সাব্বির বলেন, একই ধারাবাহিক নির্দেশনা দিয়ে আমি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, সেটা বহুমুখী অভিজ্ঞতা। সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি একজন অভিনেতা হিসেবে, নির্দেশক হিসেবে, প্রযোজক হিসেবে, লেখক হিসেবে আবার সব শিল্পীর সঙ্গে সম্পর্কের সমন্বয়ের জন্য যে হৃদতা, সেই অর্জনটাও আমি অনেক বড় করে দেখছি। ইউটিউবের এ সময়ে একটি টিভি সিরিয়ালকে দেশ-বিদেশের বাংলা ভাষাভাষী দর্শকের কাছে জনপ্রিয় হিসেবে ধরে রাখা অনেক চ্যালেঞ্জিং। দর্শক নোয়াশাল শুরু থেকেই দেখছে, এখনো দেখছে এবং সেটা আমি প্রতিনিয়তই সাড়া পাই। একজন নির্মাতা হিসেবে এটা অনেক বড় সাফল্য। তবে কষ্ট একটাই মিডিয়া থেকে আমি নোয়াশাল ধারাবাহিকটি নির্মাণের জন্য কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা, উৎসাহ বা অনুপ্রেরণা পাইনি।

তিনি আরো বলেন, যেখানে বর্তমান সময়ের নাটকগুলোতে বাবা-মায়ের চরিত্র প্রায় শূন্যের কোটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সেখানে আমি একাই আমার নাটকে বাবা-মায়ের চরিত্রসহ সিনিয়র শিল্পীদের নানাভাবে উপস্থিত করছি। আমি মনে করি, নির্মাতা হিসেবে সিনিয়র শিল্পীদের অবশ্যই অভিনয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এ টি এম শামসুজ্জামান বলেন, মীর সাব্বির নিঃসন্দেহে একজন মেধাবী নাট্যনির্মাতা। তার আন্তরিকতা, তার আচার-আচরণ আমাকে এতটাই মুগ্ধ করেছে যে, আমি অনেক সময়, অনেক ক্লান্ত থাকলেও তার নাটকে কাজ করতে নিজের মধ্যে কখনোই অনীহা জন্মায়নি। মীর সাব্বির এ দেশের নাট্যাঙ্গনের এক বিরাট সম্পদ। এ দেশের বরেণ্য নির্মাতাদের কাতারে তার নামটি শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

 

"