অভিনেতা খলিল স্মরণে

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকাই চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা খলিল উল্লাহ খান। অভিনয় ক্যারিয়ারে আট শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর অসংখ্য ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান এই দর্শকনন্দিত অভিনেতা। গতকাল ছিল তার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। জীবদ্দশায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন খলিল। এ উপলক্ষে আজ শিল্পী সমিতি তার আত্মার শান্তি কামনা করে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল পালন করবে বলে জানা গেছে।

শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান ললেন, ‘আজ শনিবার আমরা শিল্পী সমিতিতে তার উদ্দেশ্যে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করছি। দু-দুবার তিনি আমাদের শিল্পী সমিতির সভাপতি ছিলেন।’

খলিল উল্লাহ খান ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটের কুমারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এমসি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে ১৯৫১ সালে যোগ দেন আনসার বাহিনীতে। ১৯৫৯ সালে জহির রায়হান পরিচালিত ‘সোনার কাজল’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে খলিলের সিনেমায় পদার্পণ। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রÑ প্রীত না জানে রীত’, ‘সংগম’, ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’, ‘ক্যায়সে কঁহু’, ‘জংলি ফুল’, ‘আগুন’, ‘পাগলা রাজা’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ওয়াদা’, ‘বিনি সুতার মালা’, ‘বউ কথা কও’, ‘কাজল’ প্রভৃতি।

১৯৬৬ সালে এস এম পারভেজ পরিচালিত ‘বেগানা’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এরপর বহু সিনেমায় তাকে খলচরিত্রে দেখা গেছে। ইতিহাসনির্ভর ‘ফকির মজনু শাহ’ সিনেমায় নামভূমিকায় অভিনয় করেও তিনি ভূয়সী প্রশংসা পান। ১৯৬৫ সালে ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে খলিল আত্মপ্রকাশ করেন পরিচালক হিসেবে। এ ছাড়া ‘সিপাহী’ ও ‘এই ঘর এই সংসার’ নামে দুটি সিনেমা প্রযোজনাও করেন তিনি।

শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ধারাবাহিক ‘সংশপ্ত’ নাটকে তার ‘মিয়ার বেটা’ চরিত্র দর্শকনন্দিত হয়। ২০১২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয় এই অভিনেতাকে।

"