নায়করাজের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের নায়করাজ ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত একমাত্র নায়ক রাজ্জাকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত বছরের এই দিনে তিনি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরপারে চলে যান। দেখতে দেখতে আজ তার চলে যাওয়ার এক বছর হলো। চলে যাওয়ার এক বছরে পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ কিছু করার তেমন উদ্যোগ নেই। তবে নায়করাজের ছোট ছেলে সম্রাট জানান, সব সময়ের মতো কবর জিয়ারত এবং দোয়া করা হবে পারিবারিকভাবেই।

সম্রাট বলেন, আব্বা চলে যাওয়ার পর আব্বার রুহের মাগফিরাত কামনা করে আমরা প্রায় সময়ই আব্বার কবরস্থানের পাশে গিয়ে দোয়া পড়ি। সেই ধারাবাহিকতাটাই স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত থাকবে আজ। আমার আব্বার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আব্বাকে যেন মহান আল্লাহ বেহেশত নসিব করেন।

এদিকে শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, নায়করাজ রাজ্জাক স্যার আমাদের চলচ্চিত্রের অহংকার। তার প্রয়াণে চলচ্চিত্রে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। তার চলে যাওয়ার আজ এক বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু তাকে আমরা মন থেকে এক মুহূর্তের জন্যও ভুলিনি। তিনি আমাদের শ্রদ্ধার সর্বোচ্চ আসনে বিরাজমান থাকবেন সারাজীবন। আজ তার কবরস্থানে শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে এবং আগামী ৮ সেপ্টেম্বর শিল্পী সমিতির উদ্যোগে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি তার স্মৃতিতে আলোচনা অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। আমার বিশ্বাস নায়করাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ৮ সেপ্টেম্বর সবাই উপস্থিত থাকবেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জানান, দেশটিভিতে আজ রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে তার নেওয়া সাক্ষাৎকারটি প্রচার হবে। আসাদুজ্জামান নূরের উপস্থাপনায় ‘বেলা অবেলা সারাবেলা’ অনুষ্ঠানে প্রায় ৯০ মিনিট নায়করাজ রাজ্জাক কথা বলেছিলেন আসাদুজ্জামান নূরের সঙ্গে। পুরোটাই প্রচার হবে বলে জানান নূর। গত বছরের ২৯ জুলাই দেশটিভির প্রধান কার্যালয়ে নায়করাজ এই সাক্ষাৎকারটি দিয়েছিলেন।

পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, নায়করাজ শুধু একজন নায়ক হিসেবেই সফল ছিলেন না, তিনি একজন পরিচালক হিসেবেও সফল ছিলেন। তাই পরিচালক সমিতির পক্ষ থেকেও তার জন্য দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হচ্ছে। খুব সম্ভবত আগামী ২ অথবা ৩ সেপ্টেম্বর বিএফডিসিতে এ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

উল্লেখ্য, নায়করাজ রাজ্জাক একাধারে ছিলেন নায়ক, প্রযোজক ও পরিচালক। নায়ক হিসেবে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ছিল জহির রায়হানের ‘বেহুলা’। এতে তার বিপরীতে ছিলেন সুচন্দা। তার নির্দেশিত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ছিল সম্রাট ও কেয়াকে নিয়ে নির্মিত ‘আয়না কাহিনী’।

"