সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে অভিনয়ে উচ্ছ্বসিত তারা

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

দেশের কিংবদন্তি নাট্যাভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। তার পরবর্তী প্রজন্মের প্রত্যেক অভিনয়শিল্পীর কাছেই একটি লালিত স্বপ্ন থাকে তার সঙ্গে অভিনয় করার। একেবারেই নতুন যারা তাদের কাছে তো সুবর্ণা মুস্তাফা অভিনয়ের আদর্শ। তাই তাদের স্বপ্নটা যেন অনেকটাই ধরাছোঁয়ারও বাইরে। হয়তো অনেক তরুণ অভিনয়শিল্পী সেই স্বপ্নই দেখতে সাহস করেন না। কিন্তু নাট্যকার ও নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ বলা যায় একেবারেই নতুন তিন অভিনয়শিল্পীকে একসঙ্গে একই ঈদের ধারাবাহিকে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিলেন সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে। তারা তিনজন হচ্ছেন নাজিবা, নীলাঞ্জনা নীলা ও রিমি করিম। আগামী ঈদে নাগরিক টিভিতে প্রচারের জন্য বদরুল আনাম সৌদ তার নিজের গল্পে নির্মাণ করেছেন সাত পর্বের ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘একটা দোতলা বাড়ির গল্প’। এরই মধ্যে রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে ধারাবাহিকটির শুটিং শেষ হয়েছে। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, শিল্পীদের কাছ থেকে অভিনয় বের করে আনার ক্ষেত্রে সৌদ কিন্তু কোনোই কম্প্রোমাইজ করেন না। নাজিবা, রিমি ও নীলার ক্ষেত্রেও কিন্তু তাই হয়েছে। ওরা তিনজনই যার যার চরিত্রে ভালো অভিনয় করেছেন। তবে এটাও বলতে হয়, এ নাটকে শামস সুমনও অসাধারণ অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি একেবারেই নতুন অভিনেতা সাফায়েতও ভালো করেছেন। আশা করছি নাটকটি দর্শক বেশ উপভোগ করবেন। নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ জানান, কমেডি এবং পারিবারিক গল্পের নাটক ‘একটা দোতলা বাড়ির গল্প’। এই নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে আরো অভিনয় করেছেন শামস সুমন, জিতু আহসান, শাহাদাৎ হোসেন, ওয়াসেকসহ অনেকে। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে রিমি করিম, নীলা ও নাজিবার ভাষ্য, ‘আমাদের অনেক শ্রদ্ধার, ভালোবাসার প্রিয় মানুষ সুবর্ণা ম্যাডাম। তিনি আমাদের তিনজনকেই খুব ¯েœহ করেন। তার সঙ্গে একই নাটকে অভিনয় করতে পারা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় নিঃসন্দেহে। অভিনয়ে তিনি আমাদের পথপ্রদর্শক, তিনি আমাদের অভিনয়ের কিংবদন্তি। তার সান্নিধ্যে থাকতে পেরে তার সঙ্গে অভিনয় করতে পারাটা যেন অভিনয়ে আমাদের বিরাট স্বীকৃতি। ধন্যবাদ সৌদ ভাইয়ের প্রতি। কারণ, তিনি আমাদের সেই সুযোগটা করে দিয়েছেন।’ এদিকে আসছে কোরবানির ঈদের দিন থেকে টানা সাত দিন নাগরিক টিভির পর্দায় দেখা যাবে ‘একটা দোতলা বাড়ির গল্প’ নাটকটি। প্রসঙ্গত, সুবর্ণা মুস্তাফা এরই মধ্যে শেষ করেছেন আরিফ খানের ‘নূরুল আলমের মধুচন্দ্রিমা’ এবং ‘যাত্রাপথের গল্প’।

"