উপস্থাপনায় হৃদির দুই দশক

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

বাবার অনুপ্রেরণায় উপস্থাপনায় নিজেকে সম্পৃক্ত করেছিলেন এ সময়ের দর্শকপ্রিয় উপস্থাপিকা হৃদয় নন্দিতা হৃদি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত মনেপ্রাণে উপস্থাপনার সাথেই নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তিনি। দেখতে দেখতে উপস্থাপনায় সফলতার সঙ্গে হৃদি দুই দশক পার করছেন। অবশ্য হৃদি তার আজকের এ অবস্থানের পেছনে অনায়াসে স্বীকার করেন দুটি পরিবারের কথা। একটি তার নিজের পরিবার, অন্যটি এটিএন বাংলা পরিবার। যদিও একুশে টিভিতে প্রথম ‘তাল’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে প্রথম উপস্থাপক হিসেবে হৃদির যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৮ সালে ‘তিব্বত তারার দেশ’ অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে এটিএন বাংলায় তার যাত্রা শুরু হয়। একই সময় তিনি বিটিভিতে ‘আনন্দধারা’ নামক একটি অনুষ্ঠানেরও উপস্থাপনা করতেন। তবে এটিএন বাংলাতেই তিনি নিয়মিত হয়ে যান পরবর্তী সময়ে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত এটিএন বাংলার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত আছেন হৃদি। এটিএন বাংলার ‘শুভমুক্তি’, ‘ব্যান্ডের গ্যালারি’, ‘এ সপ্তাহের ছবি’সহ অনেক দর্শকপ্রিয় অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেছেন হৃদি। ‘শুভ মুক্তি’র এখনো নিয়মিত উপস্থাপক তিনি। অবশ্য ২০০০ সালে ইভা রহমানের আগ্রহে এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান ঘোষিকা হিসেবে কাজ শুরু করেন হৃদি। টানা এক যুগ তিনি ঘোষিকা হিসেবে কাজ করার পর ২০১২ সাল থেকে তিনি এটিএন বাংলায় প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। এটিএন বাংলায় বিশেষ বিশেষ দিবসের অনুষ্ঠানের সরাসরি অনুষ্ঠানগুলোর উপস্থাপনা করেন হৃদি। দীর্ঘ দুই দশকের এই পথচলা প্রসঙ্গে হৃদি বলেন, ‘আজ আমি যে অবস্থানে আছি, তার পেছনে আমার বাবা মোজাফফর হোসেন, আমার মা আরজুমান আরা, আমার ভাই বাপী এবং এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান স্যারের অবদান সবচেয়ে বেশি। এটিএন বাংলা পরিবার তো সব সময়ই পাশে ছিল, আছে এবং আমার বিশ্বাস থাকবেও। অনেক সময় অনেক ভালো ভালো প্রস্তাব ছিল অন্য কোথাও চাকরি করার। কিন্তু এটিএন বাংলা আমাকে যে অবস্থান তৈরি করে দিয়েছে, সে কারণে তা ছেড়ে যাওয়ার কথা কখনো চিন্তাও করিনি। আমি কৃতজ্ঞ এটিএন পরিবারের কাছে, আমাার নিজের পরিবারের কাছে।

 

"