‘যেকোনো প্রাপ্তি আনন্দের’

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০১৮, ০০:০০

বিনোদন প্রতিবেদক

‘যেকোনো প্রাপ্তি অবশ্যই অনেক আনন্দের। আর সেটি যদি হয় রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, তাহলে তো আনন্দটাও অনেক বেশি।’ বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ। মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত ‘কৃষ্ণপক্ষ’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

এ নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত তানিয়া আহমেদ আরো বলেন, পুরস্কার সব কাজের জন্য পাওয়া যায় না। কিছু কিছু সময় অনেক ভালো কাজও আড়াল হয়ে যায়। সত্যি বলতে, পুরস্কার পাওয়ার জন্য ভাগ্য লাগে। আমি নিজেকে ভাগ্যবতী বলে মনে করি। তাই প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে এই পুরস্কার নিতে পেরেছি।

‘কৃষ্ণপক্ষ’ হুমায়ূন আহমেদের গল্প। এদিকে হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরেই এই অভিনেত্রীর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছে। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তানিয়া আহমেদ বলেন, ক্যারিয়ারের প্রথম থেকেই আমি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের জন্য প্রস্তাব পেয়ে আসছি। কিন্তু সেই ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে কখনোই আমি আগ্রহী ছিলাম না। আমাদের দেশে বাণিজ্যিক ছবি কিংবা আর্ট ফিল্মের মতো হুমায়ূন আহমেদের ছবিও একটি ধারা তৈরি করেছে। সেই কারণে স্যারের ছবির প্রস্তাব পেয়ে এক কথায় রাজি হয়ে যাই। আমার সৌভাগ্য স্যারের ছবিতেই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছে। আবার স্যারের গল্পের ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি। এ জন্য শাওনের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে তার শুরুটা সম্পর্কে তানিয়া বলেন, ২০০০ সালের দিকে স্যার একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেটিতে ডাক্তারের একটি চরিত্র ছিল। এতে প্রথম অনেকে অভিনয় করেন। কিন্তু কেউ স্যারের মনের মতো কাজ করতে পারেননি। এটি ছিল এশিয়াটিকের নূর ভাইয়ের কাজ। পরে নূর ভাই আমাকে ডাক্তার চরিত্রটি করার জন্য প্রস্তাব দেন। তখন আমার বেবি ছোট ছিল। স্যার তখনো আমাকে চিনতেন না। আমার প্রথম কাজ দেখেই স্যার তখন আমাকে তার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তারপর থেকে স্যারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। স্যারকে আমি সব সময় আমার বাবার মতোই দেখতাম।

বর্তমানে আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্রের বাজার বড় হচ্ছে বলেই তিনি মনে করেন। তার মতে, দেশের বাইরেও অনেক ছবি পুরস্কৃত হচ্ছে। এ ছাড়া এখন আমাদের চলচ্চিত্রের প্রতি শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা আগ্রহী। আগামীতে আমাদের চলচ্চিত্র আরো এগিয়ে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

"