সুনামগঞ্জ-৫

একই আসনে লড়বেন সবচেয়ে ধনী ও গরিব প্রার্থী

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৫২ প্রার্থী। চুড়ান্ত যাচাই-বাচাইয়ে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বৈধ বলে গণ্য হয়েছে ৪০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন। সকল প্রার্থীদের মধ্যে সম্পদের দিক থেকে সবচেয়ে বিত্তশালী প্রার্থী সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের বিএনপির মিজানুর রহমান চৌধুরী। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্টানে ঋণও তার বেশি। আর সবচেয়ে কম সম্পদ একই আসনে ন্যাপের প্রার্থী মো. আব্দুল ওদুদের। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

বিএনপি’র প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী তিনি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। সংসদ নির্বাচনে এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছেন। এর আগে তিনি ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। এ আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী হলেন, দলের কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি সাবেক সাংসদ কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন।

পেশায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের হলফনামায় দেখা গেছে, তার অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের পরিমান ৯ কোটি ৫৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৭ টাকা। দুটি ব্যাংকে তার দেনা আছে ৩ কোটি ৮৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪১ টাকা। তার বার্ষিক আয় ৩৮ লাখ ৭৩ হাজার ২৯১ টাকা। হলফনামায় মিজানের অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে ৭ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার ৫৭৩ টাকা। নগদ টাকা আছে ৮ লাখ ৩ হাজার ৯৬৩ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্টানে জমা ১২ লাখ ৪৪ হাজার ২০০ টাকা।

আব্দুল ওদুদ এ আসনে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) প্রার্থী। তার আয় আছে, তবে সম্পদ নেই বললেই চলে। ডেকোরেটরের ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ব্যাংকে আছে ১৪০০ টাকা। স্থাবর কোন সম্পদের কথা হলফনামায় উল্লেখ নেই। হলফনামা অনুযায়ী জেলার প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম সম্পদ ন্যাপের প্রার্থী আব্দুল ওদুদের।

এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৯২ টাকা, নগদ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণ ৫০ তোলা, কৃষি জমির মূল্য ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৯৩৭ টাকা, অকৃষি জমির মূল্য ৩২ লাখ ৭৬ হাজার ৪০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া থেকে মাসিক আয় ৪ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা। স্থায়ী আমানতে বিনোয়োগ ৯৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৪ টাকা। বিএনপির প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের কৃষি খাতে বার্ষিক ৩৪ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে আয় ১৩ লাখ ৮১ হাজার ৫৮০ টাকা, নগদ ১ লাখ টাকা, ব্যাংকে জমা ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৫০ টাকা, কৃষি জমি ২ লাখ ২৩ হাজার ৩২৬ টাকার, অকৃষি জমি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকার।

"