খুলনা-২

মর্যাদার লড়াইয়ে মঞ্জু-জুয়েল

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

শাহ আলম, খুলনা

দক্ষিণাঞ্চলের সব চেয়ে মর্যাদাপূর্ণ খুলনা-২ (সদর ও সোনাডাঙ্গা) আসনে লাড়ইয়ে নেমেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

রাজনৈতিক দিকে দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মঞ্জুর সাংগঠনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময়ের। অপরদিকে দলীয় কোন পদ-পদবী না থাকলেও বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে শেখ জুয়েলের গ্রহণযোগ্যতা বেশ উচ্চতায়। ফলে দুজনকেই ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে দেখছেন সাধারণ ভোটাররা। সূত্রমতে, বাংলাদেশ স্বাধীনের পর প্রথম সংসদ নির্বাচনে আ.লীগ প্রার্থী জয়ি হলেও, বিগত দিনে এ আসনে বিএনপিরই প্রাধান্য দেখা গেছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিজয়ী এ আসনে অংশ নিয়ে জয়ি হয়ে ছিলেন।

নগর আ.লীগের সভাপতি সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা-২ আসনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল দলের একক প্রার্থী। নেতা-কর্মীরা তাতেই উজ্জীবিত। উন্নয়নের ধারাবাহিকতার স্বার্থে আগামী নির্বাচনে ‘নৌকা’ প্রতীকের জয় অবসম্ভাবী।

অন্যদিকে দলমত নির্বিশেষে খুলনাতে মঞ্জুর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি তার দলীয় নেতাকর্মীদের। ২০০৪ সালের নবম সংদস নির্বাচনে তিনি এই আসনে এমপি হয়ে ছিলেন। এ কারণেই ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন তিনি। নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘সিটি নির্বাচনে নগরবাসীর কাক্সিক্ষত মতামতের প্রতিফলন ঘটেনি। জাল ভোট, কেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার লুটপাট করে ক্ষমতাসীনরা। সেই লুটপাটে সহযোগিতাকারী প্রশাসন এখনো খুলনাতে বহাল তবিয়তে। তাই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। খুলনা বিএনপির শহর। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে নগরবাসীর বিজয় সুনিশ্চিত।’

অধ্যক্ষ শেখ আব্দুস সামাদ বলেন, খুলনা নগরীর উন্নয়নে যিনি আন্তরিক তাকেই সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চাই। হয়রানি ছাড়া মানুষ উপকৃত হবে- এমন মানুষকেই বেছে নিতে হবে। প্রায় একই কথা বলেন অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র রায়, অ্যাড. রকিবা খান রুবা ও শিক্ষার্থী জি. এম. রাসেল ইসলাম।

মহানগরের সোনাডাঙ্গা ও সদর থানা নিয়ে খুলনা-২ আসন গঠিত। ১৬টি ওয়ার্ডের পরিধি নিয়ে খুলনা-২ আসন। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯০ হাজার ৪০৫ জন। তার মধ্যে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭০৯জন পুরুষ এবং ৯৮ হাজার ৫৩৬জন মহিলা ভোটার।

 

"