মহাজোটের প্রার্থী হতে লবিংয়ে জাপা, বিএনপিতে প্রার্থীজট সুবিধায় আ.লীগ

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুর-২ আসনে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে আ.লীগ। তবে একাধিক প্রার্থী নিয়ে অস্বস্তিতে আছে বিএনপি। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর মনোনীত প্রার্থী শেষ মূহুর্তে এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হতে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা গেছে, গত (২ ডিসেম্বর) রোববার মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের পর আসনটি থেকে ৭ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন- বর্তমান এমপি মো. ফরিদুল হক খান দুলাল (আ.লীগ), সাবেক সংসদ সদস্য এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি), সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আব্দুল হালিম (বিএনপি), মো. মনোয়ার হোসেন (বিএনপি), মোস্তফা আল মাহমুদ (জাপা-এরশাদ), মনজুরুল আহসান খান (সিপিবি) এবং হাফেজ মো. মিনহাজ উদ্দিন (ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ)। প্রার্থীদের মধ্যে এ আসনে ভোট যুদ্ধ হবে মূলত আ.লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে।

আ.লীগের দলীয় মনোনীত একক প্রার্থী হওয়ায় উপজেলা সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। কেননা আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন চুড়ান্ত হওয়ার পর গত (১ ডিসেম্বর) শনিবার উপজেলা বর্ধিত সভায় অন্য মনোনয়ন প্রার্থীরা নৌকার পক্ষে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ফলে আসনটি থেকে পুন:রায় ফরিদুল হক খান দুলাল তৃতীয় বারের মতো এমপি হওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে আছেন। নির্বাচনী মাঠ প্রস্তুতের কাজ করে যাচ্ছেন দলীয় নেতা কর্মীরা।

অন্যদিকে বিএনপি’র বৈধ মনোনয়ন পত্রে তিন প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় রয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতা কর্মীরা। বৈধ মনোনিত প্রার্থীদের মধ্যে কে হচ্ছেন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী। এ প্রশ্ন সাধারণ ভোটারের মধ্যে। বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু দলীয় মনোনয়ন চুড়ান্ত হলে মহাজোট প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনীর বৈতরী পাড় করা সম্ভব বলে অনেকে মনে করছেন।

এছাড়াও এ আসন থেকে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত উপজেলা আহবায়ক মোস্তাফা আল মাহমুদ মহাজোটের প্রার্থী হতে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি জেলা ও উপজেলা সাংবাদিকদের নিয়ে পৃথক পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন, মহাজোট থেকে তাকে চুড়ান্ত ভাবে মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি উপজেলাকে উন্নয়নের মডেল হিসাবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

 

"