আমার দিনরাত্রি

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৮, ০০:০০

হাসান মোস্তাফিজুর রহমান

আমি নাকি মুদি দোকানদার! আমার জন্য নাকি মুনহিরের মানইজ্জত যায় যায়। সবকিছুর মতো ফাজলামোরও একটা সীমা থাকা উচিত। চালাচ্ছি ডিপার্টমেন্ট স্টোর। আকারে বিশাল না হলেও একেবারে ছোট তো না। তা ছাড়া এ জাতীয় স্টোরে নানা পদের যেসব জিনিস থাকে, তার প্রায় সবই আছে আমার স্টোরে। তবু আমি নাকি মুদি দোকানদার! আমার জন্য নাকি ওর মানসম্মান ধুলোয় গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা। কাউকে মুখ দেখাতে পারে না।

গতকাল রাত ১২টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় গেছি। ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। প্লাস মন খারাপ। বিক্রি-বাট্টা ভালো হয়নি।

গলায় এক নম্বর কাসুন্দির ঝাঁজ ঢেলে মুনহির বলল, ‘রাত ১২টায় তোমার বাসায় আসার কথা মনে পড়ল?’

কথার ছিরি শুনে ঝাঁ করে মেজাজ বিল্লা হয়ে গেলেও নিজেকে সামলে ঠা-া গলায় বললাম, ‘কী করার আছে বল? ব্যবসা করতে হবে না?’

‘ব্যবসা কি শুধু তুমি একাই করো? আর কেউ করে না?’

‘করে। কিন্তু আমার ব্যবসার ধরনটাই তো এ রকম।’

‘তাই? গতকাল রাতেও তো ১১টায় ফিরেছ। প্রতিদিন তাই করো। আজ হঠাৎ কী হলো?’

‘বিক্রি ভালো হয়নি আজ। ভাবলাম আরেকটু দেখি।’

‘আরেকটু দেখতে গিয়ে বাসায় বৌ আর একমাত্র ছেলেটাকে একা ফেলে রেখে রাত ১২টায় ফিরলে?’

‘আরে একটা ঘণ্টাই তো। তা ছাড়া প্রতিদিন রাত ১১টা পর্যন্ত তোমাদের তো একাই থাকতে হয় বাসায়।’

‘সেটাই। ছোট্ট একটা বাচ্চা নিয়ে প্রতিটা দিন-রাত ১১টা পর্যন্ত বাসায় একা থাকতে হয় আমাকে। তারপরও ব্যবসা করে তোমার মন ভরে না। আজ আরো এক ঘণ্টা আমাদের একা রাখলে।’

‘আহা, মুনহির, ব্যাপারটা বোঝার...।’

গলার ভলিউম একধাপ বাড়িয়ে মুুনহির বলল, ‘বোঝাবুঝির কিছু নেই। তুমি আমার একটা প্রশ্নের জবাব দাও। আগামীকালও যদি তোমার বিক্রি ভালো না হয়? তাহলে কি আগামীকালও রাত ১২টায় বাসায় ফিরবে?’

‘এ...এটা কী ধরনের প্রশ্ন!’

‘তোতলাচ্ছ কেন? প্রশ্ন যে ধরনেরই হোক প্রশ্নের জবাব দাও।’

‘আগামীকালের ব্যাপার আগামীকালই দেখা যাবে।’

‘চালাকিমার্কা জবাব দিও না। অতি চালাকের গলায় দড়ি। আমি স্পষ্ট জবাব চাই।’

‘আরে কিসের কী স্পষ্ট জবাব?’

‘ওওও! প্রশ্নটা মনে হয় ভুলে গেছ! ঠিক আছে, আবারও করছি। আগামীকালও তোমার বিক্রি-বাট্টা ভালো না হলে আগামীকালও কি রাত ১২টায় বাসায় ফিরবে?’

‘কী আশ্চর্য! এভাবে জেরা করছো কেন উকিলের মতো?’

‘আনস্যার মাই কোয়েশ্চন, হাসিব।’

‘দেখো আমি অনেক ক্লান্ত। এত রাতে এসব জেরা ভালো লাগছে না।’

‘ওকে। আই গট মাই আনস্যার। তার মানে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানদারি করেও যদি তোমার বিক্রি ভালো না হয় তাহলে আগামীকাল রাতেও তুমি ১২টায় বাসায় ফিরবে। তার পরদিনও তুমি স্যাটিসফাই না হলে রাত ১২টায় বাসায় ফিরবে। রাইট?’

জবাব না দিয়ে দেয়ালের পেইন্টিঙটার দিকে তাকিয়ে আছি।

‘অ্যাই! আমি ওদিকে না, এদিকে। তাকাও আমার দিকে?’

হুকুম তালিম করতে দৃষ্টি সরিয়ে ভেজা বেড়ালের মতো নিরীহ চোখ মেলে বৌয়ের দিকে তাকালাম।

‘তার মানে যেদিনই সেলে তোমার না পোষাবে, সেদিন রাত ১২টায় বাসায় ফিরবে। এদিকে মুনাস আর আমাকে রাত ১২টা পর্যন্ত একা একা বাসায় থাকতে হবে। রাইট?’

‘জানি না।’

‘জানবে না কেন? জানতে হবে তোমাকে। তোমার কা-কারখানা দেখে কী মনে হচ্ছে জানো?’

‘কী মনে হচ্ছে?’

‘মনে হচ্ছে, রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানদারি করেও সেল মনের মতো না হলে রাত ১টা পর্যন্ত দোকানদারি করে দেড়টা-দুটোয় বাসায় ফিরবে এরপর থেকে। এসে কলিংবেল বাজিয়ে আমার আর বাচ্চা ছেলেটার ঘুম ভাঙাবে। হয়তো প্রতিদিন রাতেই। কারণ সেল তো তোমার মনের মতো হতে হবে, তাই না?’

পিঠে অতিরিক্ত বোঝা চাপানো অসহায় গাধার মতো তাকিয়ে আছি বৌয়ের দিকে। কথা সরছে না মুখে। এটা কী বলল ও!’

‘কী হলো? মুখে তালা লাগিয়ে গাধার মতো তাকিয়ে আছো কেন? বল আমি ভুল বলেছি?’

‘মুনহির, আমি সত্যিই অনেক ক্লান্ত। প্লিজ বাদ দাও?’

‘ক্লান্ত তো হবেই। খুব স্বাভাবিক। একজন মানুষ যদি সকাল ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানদারি করে সে ক্লান্ত হবে না?’

‘কী করার আছে বল?’

‘হাহ! এখন বলছ এ কথা? তোমাকে দোকান খুলে বসতে বলেছিল কে?’

‘সংসার চালানোর জন্য কিছু একটা তো করতে হবে, নাকি?’

দাঁতে দাঁত চেপে মুনহির বলল, ‘খবরদার, জ্ঞান দেবে না আমাকে! সংসার চালানো, হুঁহ! আর ব্যাটারা সংসার চালায় না? সংসার চালাতে গিয়ে তারা সবাই তোমার মতো দোকান খুলে বসেছে হাঁ?’

‘আরে আমি যেটা পারি সেটাই তো করব। আমি তো আর প্লেন চালাতে পারব না।’

‘বা বা বা! প্লেন চালাতে পারব না! যুক্তির সাগর একেবারে! যুক্তিবাদী কাঁহিকা! আমাকে কিছু না জানিয়ে চাকরিটা কেন দুম করে ছেড়ে দিলে সেটা বল আমাকে।’

‘একই কথা কতবার বলব?’

‘আবার বল। আমি আবার শুনতে চাই।’

‘কেন!’

‘তোমার গোবর মাথায় ঢোকাতে চাই যে কাউকে কিছু না জানিয়ে হুট করে চাকরিটা ছেড়ে তুমি ভুল না মহা অন্যায় করেছো।’

সশব্দে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, ‘মুনহির, প্লিজ! আজকের মতো রেহাই দাও না আমাকে। বললাম তো আমি খুব ক্লান্ত। খিদেও পেয়েছে খুব। চল একসঙ্গে খাই আগে। তারপর তোমার সেই একই প্রশ্নের জবাব আবার দেব। চল, প্লিজ!’

‘আমার সঙ্গে চালাকি করে পার পাবে না। এসব আমি বুঝি। তোমার চেহারা দেখে মোটেও মনে হচ্ছে না তোমার খুব খিদে পেয়েছে। সত্যি সত্যি খুব খিদে পেয়ে থাকলেও পাঁচ মিনিটে তোমার পাকস্থলী জ্বলেপুড়ে ছারখার হয়ে যাবে না। তোমার নাড়ি-নক্ষত্র আমার মুখস্থ।’

মনে মনে চমকে উঠলেও প্রকাশ করলাম না সেটা। মুখে তেল তেলে হাসি ফুটিয়ে তুলে খুব মিহি গলায় বললাম, ‘স্বাভাবিক। আমি তোমার স্বামী না? তা ছাড়া তুমি তো অনেক, অনেক বেশি ভালোবাস আমাকে। এসো, কাছে এসো, মুন।’

আরেকটু দূরে সরে বসে চোখ সরু করে তাকাল মুনহির। ‘তেল দিচ্ছো, না? আমি তোমাকে হাড়ে মজ্জায় চিনি। অযথা তেল দিও না। কারণ তোমার তেল এখন আমি আর খাই না। সো আনস্যার মাই কোয়েশ্চন।’

‘কী যে বল না তুমি! ভালোবাসাও এখন তোমার কাছে তেল হয়ে গেছে। বারবার বলা উত্তর আবারও না শুনলে তোমার যেহেতু শান্তি হবে না তো বলছি। ইয়ে... বলতেই হবে? বলব?’

‘স্টার্ট।’

‘রিজাইন না করে কোনো উপায় ছিল কি আসলে? বেতন বাকি ছিল ছাব্বিশ মাসের। এর সঙ্গে ছিল আনুষঙ্গিক পাওনাদি। প্রতি বছর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে আমাদের মালিক-সম্পাদক কী বলে আসছিলেন নিশ্চয়ই মনে আছে তোমার?’

‘আছে। অচিরেই আপনাদের সবার পাওনাদি মিটিয়ে দেওয়া হবে। এভাবে বছরের পর বছর পার করছিলেন উনি।’

‘বাহ্! তোমার স্মরণশক্তি তো চমৎকার!’

‘তেল দিও না। তারপর কী হলো বল।’

‘তারপর? আরে তারপর কী হলো তুমি তো জানোই। এ বছর বর্ষপূর্তিতে আমাদের জানানো হলো এবার ঠিক ঠিক আমাদের সবার দেনা-পাওনা মিটিয়ে দেওয়া হবে এবং এবার আমরা আমাদের মালিক-সম্পাদকের কথা বিশ্বাস করে ফেললাম। কারণ কিছুদিন আগেই সোনারগাঁয়ে ৬০ কোটিতে একটা জমি বিক্রি করেছেন তিনি। আর আমাদের পাওনা হলো ২৫ কোটি টাকার মতো। কিন্তু...।’

মুুখের কথা কেড়ে নিয়ে মুনহির বলল, ‘কিন্তু পরে তোমাদের সম্পাদক জানালেন পাওনার তিনভাগের একভাগ দেওয়া হবে। এতে তোমরা রাজি না হওয়ায় ৭১ জন সাংবাদিক, কর্মকর্র্তা, কর্মচারীকে টার্মিনেট করা হলো, তাই তো?’

‘বাহ্! তোমার তো দেখছি ঠিক ঠিক সব মনে আছে!’

‘এখন আমাকে বলো ওই ৭১ জনের মধ্যে কি তোমার নাম ছিল?’

ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলাম। ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছি মুুনহিরের দিকে।

‘কী হলো? তাকিয়ে আছো কেন এভাবে? আমার রূপ দেখার সময় পরে আরো পাবে। নাউ আনস্যার মি!’

‘ছিল না।’

‘রাইট। তো চাকরি নেই হয়ে গেল কেন?’

মাথায় উঠে গেছে বানর। আরো প্রশ্রয় দিলে কাঁঠাল ভেঙে খেতে শুরু করবে। ভেবে ঝাঁজাল গলায় চেঁচিয়ে বললাম, ‘কী আশ্চর্য, পুলিশের মতো এভাবে জেরা করছ কেন! তুমি জানো না চাকরি নেই হয়ে গেল কেন? আমরা সাতজন রিজাইন করলাম না?’

‘রিজাইন কেন করলে?’

‘বাহ্! করব না রিজাইন? এত বড় অন্যায় মেনে নেব? রক্ত পানি করা পাওনা টাকা। তিনভাগের একভাগ পাব জেনেও তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতে জাল মুচলেকায় সই করে স্বীকার করব সমস্ত পাওনা বুঝে পেয়েছি? তারপর মহা আনন্দে চাকরি করব?’

‘ব্যাপারটা মেনে নিয়ে কেউ চাকরি করছে না ওখানে?’

‘করছে। সেটা তাদের ব্যাপার। রক্ত পানি করা টাকা।’

‘রক্ত শুধু তুমিই পানি করেছ? তারা করেনি?’

‘হয়তো করেছে। কিন্তু তারা এত বড় অন্যায়ের প্রতিবাদ করেনি।’

‘আর তুমি প্রতিবাদ করে মহাবীর হয়ে গেছ, না?’

‘এত রাতে এসব ফালতু কথা শুনতে আর ভালো লাগছে না, মুনহির।’

দাঁতে দাঁত চেপে মুনহির বলল, ‘এসব মোটেও ফালতু কথা না। জীবনের কথা।’ বলেই চিৎকার করে উঠে বলল, ‘এসব মানসম্মানের কথা!’

আঁতকে উঠে আড়চোখে খোলা জানালাটার দিকে তাকালাম।

গলার ভলিউম আরো বাড়িয়ে দিয়ে মুনহির বলল, ‘চোরের মতো ওভাবে জানালার দিকে তাকাচ্ছো কেন! মানুষ শুনবে? তোমার মানসম্মান যাবে? এই যে সম্মানজনক একটা পেশা ছেড়ে দিয়ে মুদি দোকানদার হয়ে বসে আছো, তাতে তোমার মানসম্মান যায় না?’

‘মুনহির, প্লিজ! আস্তে কথা বলো। এত রাতে এভাবে...।’

‘কেন আস্তে বলব? এত দিন আস্তে বলেছি। আর না। এখন থেকে সব দরজা-জানালা খুলে বলব। রিজাইন করার আগে একবার আমাকে জানাতে পারতে। এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তুমি তোমার স্ত্রীকে একবার জানাবে না! আমাকে তোমার মানুষ মনে হয় না?’

‘আহা, কী বলছ এসব তুমি!’

‘তোমার জন্য মুখ দেখাতে পারি না স্কুলে। ভাই কি এখনো বেকার, ম্যাডাম? ভাই এখন কী করেন, ম্যাডাম? প্রায় প্রতিদিন জিজ্ঞেস করে সবাই। যারা জানে তারা বলে, ম্যাডাম, ভাই নাকি এখন মুদি দোকানদারি করেন? একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের টিচারের হাজব্যান্ড মুদি দোকানদার। মানইজ্জত থাকে, বল?’

‘যারা বলে তাদের ডিপার্টমেন্ট স্টোরের কথা বলতে পারো না?’

‘আরে রাখো তোমার ডিপার্টমেন্ট স্টোর! গালভরা নাম। ওই একই কথা। মুদি দোকান। যারা বলে তারা তো যা বলার বলেই ফেলে। সংশোধন করে আর কী হবে? তুমি কী করো কেউ জিজ্ঞেস করলে আগে দ্বিধাহীন গলায় বলতে পারতাম সাংবাদিকতা। মহান পেশা। আর এখন...।’ বলতে বলতে হেঁচকি তুলে ফেলল মুনহির। ‘আব্বু আর ভাইয়াকেও মুখ দেখাতে পারি না।’

উঠে এগিয়ে গিয়ে আলতো করে হাত রাখলাম ওর কাঁধে। ‘মুনহির, শান্ত হও, প্লিজ? অনেক রাত হয়ে গেছে। চলো খেয়ে নিই।’

এক ঝটকায় আমার হাত সরিয়ে দিয়ে লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল ও। ‘খাব না আমি! আমার ওইটুকুন ছেলেটা তোমার সঙ্গে খাবে বলে অপেক্ষা করতে করতে না খেয়েই ঘুমিয়ে গেছে। মা হয়ে আমি কোন প্রাণে খাই? তুমি খাও। পেট ভরে খাও। খাবার দেওয়া আছে টেবিলে।’

কথা শেষ করে একদৌড়ে গিয়ে শোবারঘরে ঢুকেছিল মুনহির। দড়াম করে লাগিয়ে দিয়েছিল দরজা। না, আমিও খেতে পারিনি। আমার সঙ্গে খাবে বলে আমার অপেক্ষায় শেষে না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিল আমার ছেলেটা। বাবা হয়ে আমিও কোন প্রাণে খাই? বসারঘরে আরো ঘণ্টাখানেক ওভাবেই বসে ছিলাম। বসে বসে ভাবছিলাম।

মুদি দোকানে বসে মুদি দোকানদার এখনো ভাবছে। খুবই ছোট্ট একটা দেশ আমার। অথচ জনসংখ্যা ভয়াবহ। ন্যায্য

সুযোগ-সুবিধাসহ মিডিয়ার সংখ্যা হাতেগোনা কয়েকটা। প্রাপ্য সুবিধাবঞ্চিত আর বেকার সাংবাদিকের সংখ্যা অসংখ্য। ওদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি এখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকেও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে প্রতি বছর কয়েক শ ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট বেরুচ্ছে। এ অবস্থায় নতুন-পুরোনো সবাই এ পেশায়

হুমড়ি খেয়ে পড়লে বেকারের সংখ্যা আরো বাড়বে। সাংবাদিকতায় পড়াশোনা করা নবীনরা বা অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা কি সাংবাদিকতা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না? অবশ্যই পারে। আরো ভালোভাবে পারে। সেটা দেখিয়ে

দেওয়া দরকার দেশ ও দশের স্বার্থে এবং সেটা দেখিয়ে দেওয়ার জন্যই আজ আমি মুদি দোকানদার!

লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে বাধা আসবেই। কিছু মানুষ পথ আগলে দাঁড়াবেই। কিন্তু থেমে গেলে চলবে না। বাধাদানকারীদের দুহাতে দুপাশে সরিয়ে দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে লক্ষ্যে।

"