স্মরণ

লোকসংস্কৃতি রক্ষার্থে সোচ্চার কণ্ঠ

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

আবু আফজাল সালেহ

কাঙাল হরিনাথ। পুরো নাম কাঙাল হরিনাথ মজুমদার। বর্তমানের কুষ্টিয়া জেলা (পূর্বের নদীয়া জেলা) কুমারখালী উপজেলার কুন্ডুপাড়ায় ১৮৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৬ এপ্রিল, ১৮৯৬ সালে এই ক্ষণজন্মা লেখক, সাংবাদিক, সংগীতব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগী পরলোকগমণ করেন। তিনি অত্যন্ত গরিব ছিলেন। কুমারখালীতে অনেক নীলকুঠি ছিল। কিছুদিন নীলকর সাহেবের কাছে কাজ করেছিলেন। কিন্তু নীলচাষিদের ওপর অত্যাচার দেখে সেটাও ছেড়ে দেন। চাকরি ছাড়ার পর মনোযোগ দিয়ে গ্রামীণ সাংবাদিকতা শুরু করেন। মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত সেটাই করে গেছেন।

সংগীতের জন্য সংগঠন করেছিলেন। তিনি ‘কাঙাল ফকির চাঁদের দল’ নামে একটি বাউল দল তৈরি করেন। ‘কাঙাল ফকির চাঁদ ফকিরের জীবনী’ নামে একটি বাউল গানের সংকলন প্রকাশ করেন। সাংবাদিকতা বা লেখালেখি করেছেন ‘সংবাদ প্রভাকর’-এর মতো পত্রিকায়। স¤পাদনা করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’র মাধ্যমে। সমাজের বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরেছেন লেখনীর মাধ্যমে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। বলা যায়, সমাজ সংস্কারক হিসেবেও সফল তিনি। তার সংবাদপত্রে তিনি একদিকে যেমন মেয়েদের ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের দাবি দিনের পর দিন তুলেছেন; অন্যদিকে জমিদার, নীলকর, মহাজন ও পুলিশের অত্যাচারের বাড়াবাড়ির কাহিনি সাহসের সঙ্গে তার সংবাদপত্রে প্রচার কে গেছেন। তার বাড়ির চন্ডীমন্ডপ গৃহে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। স্বয়ং হরিনাথ আবার শিলাইদহের ঠাকুর-জমিদারদের অত্যাচার ও নিপীড়নের সাক্ষী ছিলেন। তার সংবাদপত্রে তিনি দ্বিধাহীনতার সঙ্গে ঠাকুরবাড়ির প্রজাবিরোধী অত্যাচারী ভূমিকার তথ্যভিত্তিক রিপোর্ট প্রকাশ করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলেন। কাঙাল হরিনাথ লিখেছিলেন, ‘দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহর্ষি হওয়ার পূর্বে প্রজাদের দুঃখ নিবেদনের সংবাদ তার কিছুটা কর্ণগোচর হলেও মহর্ষি হওয়ার পর প্রজার হাহাকার তাহার কর্ণে প্রবেশ করিতে অবসর পায়নি।’ কাঙাল হরিনাথ ব্রাহ্ম ছিলেন না বটে, কোনো দিন লন্ডন যাওয়াও তার হয়নি। কিন্তু তার গ্রামীণ সংবাদপত্রে সতীদাহর বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ছিলেন।

কাঙাল হরিনাথের পথ ধরে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার (বিশেষ করে গ্রামীণ সাংবাদিকতা) এগিয়ে চলেছে। কিন্তু তাকে আমরা কীভাবে মূল্যায়ন করছি! দুর্ভাগ্য আমাদের, হরিনাথকে অন্ধকার থেকে আলোয় আনার খুব কম চেষ্টা দেখি। উনিশ শতকের সামাজিক আন্দোলনে কাঙাল হরিনাথের ভূমিকা বিচার বা মূল্যায়ন করে দেখার সময় এসেছে বলে মনে করি। তাকে নিয়ে দুই বাংলার অনেক কলমযোদ্ধা আপ্লুত; পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট কলমযোদ্ধা প্রফুল্ল কুমার সরকার বলেছিলেন, কাঙাল হরিনাথের নাম নব্য বাংলার ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। ‘দেশ’ পত্রিকার প্রাক্তন স¤পাদক বঙ্কিমচন্দ্র সেন বলেছিলেন, কাঙালের গ্রামবার্ত্তা পত্রিকা থেকে আমি আমার সাংবাদিক জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকি। (সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, ভারত)।

কাঙাল হরিনাথের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা একেবারে কম নয়। ১৮টি। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোÑ বিজয় বসন্ত (১৮৫৯), চারু-চরিত্র (১৮৬৩), কবিতা কৌমুদী (১৮৬৬), বিজয়া (১৮৬৯), কবিকল্প (১৮৭০), অক্রুর সংবাদ (১৮৬৩), সাবিত্রী নাটিকা, চিত্তচপলা (১৮৭৬), মাতৃমহিমা (১৮৯৬), কাঙ্গাল-ফিকির চাঁদ ফকিরের গীতাবলী (১২৯৩-১৩০০) বঙ্গাব্দ উল্লেখযোগ্য।

কাঙাল হরিনাথ ছিলেন একাধারে সাহিত্যশিল্পী, সংবাদ-সাময়িকপত্র পরিচালক, শিক্ষাব্রতী, সমাজ সংস্কারক, সাধক ও ধর্মবেত্তা। দারিদ্র্যের কারণে হরিনাথ পড়াশোনা বেশি দূর চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। কিন্তু শিক্ষার প্রসারে তিনি ছিলেন সদা সচেষ্ট। ১৮৫৫ খ্রি. হরিনাথ তার কয়েকজন বন্ধুর সাহায্যে কুমারখালী গ্রামে দেশীয় বিদ্যালয় স্থাপন করেন,পরে তিনি গ্রামে মেয়েদের জন্য বিদ্যালয় স্থাপন করেন। মূলত গ্রাম এবং গ্রামবাসীদের অবস্থা প্রকাশের জন্য এর নাম হয় গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা। তবে মূল লক্ষ্য ছিল কৃষকদের ওপর নীলকর সাহেব ও জমিদারদের অত্যাচারের কাহিনি প্রকাশ করা। তবে এ পত্রিকায় দর্শন, সাহিত্য ও অন্য সংবাদ প্রকাশিত হতো। লালন ফকিরের গান প্রকাশ করেছিল গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা। প্রখ্যাত লেখক মীর মোশাররফ হোসেন, জলধর সেন তাদের লেখক জীবনের সূত্রপাত করেছিলেন গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকায়। এ ছাড়া শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব, অক্ষয় কুমার মৈত্র, প্রসন্ন কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ ব্যক্তি এ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দেখা যায়।

গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকায় হরিনাথের আক্রমণের লক্ষ্য হয়েছিন সমাজের সর্বস্তরের প্রভাবশালী মানুষ। সরকারি অসহযোগিতায় গ্রামবাসীর অসহায়তার কথা তুলে ধরতে ‘দেশ নষ্ট কপটে, প্রজা মরে চপটে, কি কি করিবে রিপোর্টে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে। পুলিশ স¤পর্কে পত্রিকায় লেখা হয় ‘বিকারগ্রস্ত রোগীর হিক্কা উপসর্গের ন্যায় পুলিশ প্রজার উপসর্গ হইয়াছে’। আবার অন্য-জায়গায় লিখেছেনÑ ‘আদালতের আমলাদিগের হাতপাতা রোগ’-এর কারণে মূলত দরিদ্র প্রজারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন। গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকায় নদী ও জলনিকাশী সংস্কার, ডাক ও পুলিশ সংস্কার ইত্যাদি গ্রামীণ মানুষের দাবি-দাওয়া উপস্থাপিত করা হয়েছিল। ডাকঘরে মানি অর্ডারের ব্যবস্থা প্রচলনের কথা বলা হয়েছিল। দেশীয় শিল্পের উন্নতি ও বিকাশের কামনা করেছে গ্রামবার্ত্তা। এ দেশের তন্তুবায় সম্প্রদায়ের দুরবস্থা এবং সরকারের উদাসীনতায় গ্রামবার্ত্তা নীরব থাকতে পারেনি।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় হরিনাথ ছিলেন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্টের প্রতিবাদে তিনি লেখেন, ‘সংবাদপত্র আমাদিগের ব্যবসা নহে। তবে প্রজা কাঁদে, সেই ক্রন্দন লইয়া রাজদ্বারে ক্রন্দন করি, ভাবি রাজপুরুষগণ শুনিলে, প্রজা আর কাঁদিবে না। তাহাদের কাঁদিবার কারণ দূর হইবে। এইজন্য প্রতি বৎসর ক্ষতি স্বীকার করিয়াছি এবং উৎকট রোগের আধার হইয়া যন্ত্রণা ভোগ করিতেছি। যার জন্য, যার প্রজার জন্য কাঁদি তিনি তার বিলক্ষণ পুরস্কার প্রদান করিলেন। অতএব আর কাঁদিব না।’Ñ (গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা, ১৩-৩-১৮৭৮)।

পাবনা কৃষক বিদ্রোহের সময় কলকাতার সোমপ্রকাশ, অমৃতবাজার পত্রিকা প্রজাদের নেয়নি, কিন্তু গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা অসহায় প্রজাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। পাবনার কৃষক বিদ্রোহকালে তাকে জমিদারবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও হরিনাথ জানান, ‘গ্রামবার্ত্তা জমিদার কি প্রজা কাহারও স্বপক্ষে বা বিপক্ষে নহে। অত্যাচার ও অসত্যের বিরোধী’। পাবনার ইংরেজ ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট একবার এক দরিদ্র বিধবার একটি দুগ্ধবতী গাভী জবরদস্তি সংগ্রহ করেন। হরিনাথ সেই অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ করে ‘গরুচোর ম্যাজিস্ট্রেট’ নামে সংবাদ প্রকাশ করেন। অধিকার আদায় ও সত্য প্রকাশে ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ ও কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের রয়েছে বলিষ্ঠ ভূমিকা। সংবাদটি ছাপা হওয়ার পরে ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকা সম্বন্ধে তৎকালীন পাবনা জেলার ম্যাজিস্ট্রেট সেসময় কুমারখালী ছিল পাবনা জেলার মহকুমা। মি. হামফ্রে তার চিঠিতে কাঙাল হরিনাথ বরাবর চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘মি. এডিটর আমি তোমাকে ভয় করি না বটে, তবে তোমার লেখনী পড়ে অনেক কুকর্ম ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি।’

হরিনাথ ছিলেন আপসহীন। তিনি ঠাকুর পরিবারের কৃষক-প্রজাবিরোধী আচরণের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। এজন্য একাধিকবার তাকে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে। কথিত আছে ঠাকুর পরিবারের লাঠিয়াল বাহিনী কাঙাল হরিনাথকে আক্রমণ করলে লালন ফকিরের দলবল তাকে রক্ষা করেছিল। অক্ষয় কুমার মৈত্র বলেছিলেন, ‘হরিনাথ যাহাকে লক্ষ্য করিয়া সুতীব্র সমালোচনায় পল্লী-চিত্র বর্ণনা করিয়া গিয়াছেন তিনি এ দেশের সাহিত্য-সংসারে এবং ধর্মজগতের চিরপরিচিত-তাহার নামোল্লেখ করিতে হৃদয় ব্যথিত হয়, লেখনী অবসন্ন হইয়া পড়ে।’

সারা জীবন অবহেলিত গ্রামবাংলায় শিক্ষাবিস্তারের জন্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রের মাধ্যমে আন্দোলন করেছেন তিনি। অতঃপর গোপাল কুন্ডুু, যাদব কুন্ডু, গোপাল স্যান্যাল প্রমুখ বন্ধুদের সাহায্যে ১৩ জানুয়ারি, ১৮৫৫ সালে নিজ গ্রামে একটি ভার্নাকুলার বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন হরিনাথ মজুমদার। এরপর বেশ কিছুদিন বিনা বেতনে শিক্ষকতার মহান পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীকালে তারই সহায়তায় ২৩ ডিসেম্বর, ১৮৫৬ সালে কৃষ্ণনাথ মজুমদার কুমারখালীতে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন।

“১৮৬০ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসের ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে হরিনাথ মজুমদারের মাতৃভাষা ও স্বদেশ প্রেম লক্ষ করা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে। যত দিন বঙ্গসন্তান মাতৃভাষা উপেক্ষা করিয়া পরভাষার পক্ষপাতী থাকিবেন, যত দিন মাতৃভাষা ঘৃণা করিয়া বৈদেশিক অনুশীলনে সময়ক্ষেপণ করিবেন, তত দিন বঙ্গের উন্নতির আশা আমরা করি না, তত দিন জাতীয় উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখি না। যাহাতে দেশে মাতৃভাষার চর্চা দিন দিন বৃদ্ধি পায়, যাহাতে মাতৃভাষা আদরের সামগ্রী, যতেœর ধন বলিয়া লোকের প্রতীতি জন্মে, যাহাতে সকলে বদ্ধপরিকর হইয়া মাতৃভাষার দীনবেশ ঘোচাইতে সমর্থ হন, বিধি রত্নে মাতৃভাষাকে অলঙ্কৃত করিতে কৃতসংকল্প হন, সে বিষয়ে চেষ্টা করা প্রত্যেক বঙ্গসন্তানের অবশ্য কর্তব্য কর্ম।”

স¤পাদক হরিনাথ মজুমদার ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’র প্রথম সংখ্যায় (মে, ১৮৬৩) পত্রিকা প্রকাশের উদ্দেশ্য বিশদ ব্যাখ্যা করেছেনÑ ‘এ পর্যন্ত বাঙালা সংবাদ পত্রিকা যতই প্রচারিত হইতেছে তাহা কেবল প্রধান প্রধান নগর ও বিদেশীয় সম্বাদাদিতেই পরিপূর্ণ। গ্রামীয় অর্থাৎ মফস্বলের অবস্থাদি কিছুই প্রকাশিত হয় না। তজ্জন্য গ্রামবাসীদিগের কোনো প্রকার উপকার দর্শিতেছে না। যেমন চিকিৎসক, রোগীর অবস্থা সুবিদিত না হইলে তাহার প্রতিকারে সমর্থ হন না, তদ্রƒপ দেশহিতৈষী মহোদয়গণ গ্রামের অবস্থা অবিদিত থাকিলে কিরূপে তাহার প্রতিকার করতে যতœবান হইবেন? যাহাতে গ্রামবাসীদের অবস্থা, ব্যবসায়, রীতি, নীতি, সভ্যতা, গ্রামীয় ইতিহাস, মফস্বল-রাজকর্মচারীগণের বিচার এবং আশ্চর্য ঘটনাদি প্রকাশিত হয় তাহাই এই পত্রিকার প্রধানোদ্দেশ্য এবং লোকরঞ্জনার্থ, ভিন্ন দেশীয় সম্বাদ ও গদ্য পদ্য নানারূপ চিত্তরঞ্জন বিষয়ও লিখিত হইবে। এই পত্রিকা বর্ত্তমান বৈশাখ অবধি প্রতি মাসে একবার প্রকাশিত হইবে।’

দেশীয় তাঁতি সম্প্রদায়ের দুরবস্থা এবং সরকারের ঔদাসীন্য সম্পর্কে ‘গ্রামবার্ত্তা’র মন্তব্য স্বাদেশিকতার বিশেষ পরিচয় বহন করে : ‘লাঙ্কেষ্টরের তাঁতিরা যত দিন গভর্নমেন্ট হৃদয়ে বাস করিবে, তত দিন এ দেশীয় তাঁতি জোলার দুরবস্থা সেই হৃদয়ে স্থান পাইবে, এরূপ ভরসা করা যায় না।’ (নভেম্বর ১৮৭৩)।

ফিকির চাঁদের বাউল দলের বিপুল জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ-অভিভূত হয়ে অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় মন্তব্য করেছিলেন, ‘এমন যে হইবে তাহা ভাবি নাই। এমন করিয়া যে দেশের জনসাধারণের হৃদয়তন্ত্রীতে আঘাত করা যায় তাহা আমি জানিতাম না।’ এ মন্তব্যই বলে দেয় কাঙাল হরিনাথের দেশপ্রেম এবং সামাজিক উচ্চতা।

লেখক : কবি ও কলামিস্ট

abuafzalsaleh@gmail.com

 

"