বিশ্লেষণ

সংকটের পাল্লায় ঝুলছে ভেনিজুয়েলা

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

রায়হান আহমেদ তপাদার
ama ami

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে চরম সংকটে নিপতিত হতে যাচ্ছে। একদিকে অকল্পনীয় মুদ্রাস্ফীতি, প্রধান পরাশক্তি আরোপিত বিধিনিষেধ, খাদ্য ঘাটতি, ঋণ শোধে ব্যর্থতা, অপরাধ ও দারিদ্র্যের ব্যাপক বৃদ্ধিতে দেশটি টালমাটাল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীনদের সহিত বিরোধীদের মতভেদের পরিণতিতে ভেনিজুয়েলার রাজনীতিও বিভেদের বেড়াজালে আটকে পড়ছে। অবস্থা এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কয়েকদিন ধরে হাজার হাজার মানুষ আশপাশের দেশগুলোতে ঢুকে শরণার্থীর জীবন বেঁচে নিতে শুরু করেছে। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ তৈলের মজুদ, হীরকসহ নানাবিধ মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ভেনিজুয়েলার এই পরিস্থিতি সত্যিই খুবই দুঃখজনক। ভেনিজুয়েলার জনগণ দুই প্রেসিডেন্টের প্রতি নিজেদের সমর্থন ও আনুগত্য প্রকাশ করায় পুরো জাতি এখন দ্বিধাবিভক্ত। দেশের এ সংকটময় মুহূর্তে বিশ্বশক্তিগুলোর দুই প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করায় রাজনৈতিক সংকট নিরসনের সম্ভাবনা অনেক দূরবর্তী বলেই মনে করা হচ্ছে। রাশিয়া এবং আমেরিকা কর্তৃক যথাক্রমে মাদুরো এবং গুইদোর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করায় ভেনিজুয়েলার অবস্থা সিরিয়ার ন্যায় গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকটের দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকা ইতোমধ্যেই অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট গুইদোর প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে। আমেরিকা ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ভূমিকা রাখার জন্য ভেনিজুয়েলার সেনাবাহিনীর প্রতি আহবান জানিয়েছে।

এমনকি আমেরিকা সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট গুইদোর প্রেসিডেন্সি ও সরকারকে বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, মানবিক এমনকি সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে। এদিকে ভেনিজুয়েলার দুই প্রেসিডেন্টকে কেন্দ্র করে চিরাচরিত নিয়মেই বলা যায়, বিশ্বের বৃহৎ শক্তিগুলোও দ্বিধাবিভক্ত হয়ে দুই প্রেসিডেন্টের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। পশ্চিমা বিশ্বশক্তিগুলো গুইদোকে সমর্থন দিয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পেছনে সমর্থন দিয়ে সক্রিয় হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকা, কানাডা, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, চিলি, পেরুসহ আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো অতি দ্রুতই মাদুরোর বিরোধী অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট গুইদোকে দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও গুইদোর সমর্থনে এগিয়ে এসেছে। সংকট ভেনিজুয়েলার কিন্তু বৃহৎ শক্তিগুলো দ্বিধাবিভক্ত হয়ে দুটি পক্ষকে সমর্থন দেওয়ায় ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক সংকট কোন দিকে মোড় নিতে পারে, সেটি নিশ্চিত করে বলাটা বেশ মুশকিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ল্যাটিন আমেরিকার সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভেনিজুয়েলা গভীর রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। দেশটিতে এখন প্রেসিডেন্ট পদের দাবিদার দুজন। একজন দীর্ঘকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ১০ জানুয়ারি থেকে মাদুরো তার প্রেসিডেন্সি পদের দ্বিতীয় মেয়াদের দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

অত্যন্ত ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যাত অংশগ্রহণহীন ২০১৮ সালের ২০ মে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মাদুরো পুনরায় ছয় বছরের জন্য দেশের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়ে ১০ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন। যদিও দেশটির ওই নির্বাচন বয়কট করেছিলেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এবং বলা হয়ে থাকে, ভোটার সাধারণও সেই ভোটে অংশ নেননি। সাজানো ভোটেই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেছিলেন; তাই এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি দেশে ও বহির্বিশ্বে। বিশেষ করে, আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্ব স্বীকৃতি দেয়নি ওই নির্বাচনকে। অন্যদিকে বিরোধী দল নিয়ন্ত্রিত ভেনিজুয়েলার আইনসভা-ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির বিরোধীদলীয় নেতা জুয়ান গুইদো নিজেকে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে তার সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক সংকট কতটা গভীরে গিয়ে পৌঁছেছে, সেটি অনুধাবন যোগ্য; যে দেশে এখন প্রেসিডেন্ট পদের দাবিদার দুজন। এর মধ্যে মাদুরো অবশ্য ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। তবে গুইদো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে চ্যালেঞ্জ করেই নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। এর থেকে বোঝা যায় যে, দেশটি আরো বড় সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং একপর্যায়ে হয়তো গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে। কেননা ভেনিজুয়েলার জনগণ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। আমেরিকা গুইদোকে বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকার সঙ্গে সব সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তার দেশ ভেনিজুয়েলা থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকান সব কূটনীতিককে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেন।

অন্যদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন-প্রেসিডেন্ট মাদুরোর প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। তার মতে, মাদুরোই ভেনিজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট। ভেনিজুয়েলায় যেকোনো আমেরিকান সামরিক হস্তক্ষেপের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি জানিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই অভিযোগ করা হয়েছে যে, আমেরিকা ভেনিজুয়েলার সামরিক বাহিনীকে ক্ষমতা দখলের জন্য উসকানি দিয়ে চলেছে। এটি একটা স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল। তা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক আইনের মূলনীতির ভিত্তিতে ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক সংকটের সমাধান চায় রাশিয়া, বলেছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট মাদুরোর সঙ্গে এক ফোনালাপে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ভেনিজুয়েলার বৈধ সরকারের প্রতি সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন, ধ্বংসাত্মক যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী। ক্রেমলিন আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকটের সমাধানের জন্য সব পক্ষের প্রতি আহবান জানায়। ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও রাশিয়া মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় এই সংকট আরো গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ১৯৬২ সালের কিউবার মিসাইল সংকটকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে যে ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিলো ভেনিজুয়েলার সংকটকে নিয়েও সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার লক্ষণ স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ভেনিজুয়েলার এই রাজনৈতিক সংকটের পেছনে রয়েছে মাদুরো সরকারের প্রতি গভীর জন-অসন্তোষ।

২০১০ সাল থেকেই এই সংকটের শুরু বলা যায়। তবে ২০১৮ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রাজনৈতিক সংকটকে তীব্রতর করে তোলেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এই নির্বাচন দেশে-বিদেশে পায়নি বৈধতা। তা সত্ত্বেও মাদুরো নিজেকে সাজানো নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করে দেশটিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় ফোঁসে ওঠেছেন দেশটির জনগণ। ভেনিজুয়েলার জনগণের আশু মুখ্য দাবি হলো; মাদুরোকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্বাচন নতুন করে দিতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি জনঅসন্তোষ দীর্ঘকালীন দেশটির সমাজ তান্ত্রিক সরকার জনগণের দৈনন্দিন জীবনের দাবি ও চাহিদা পূরণ তো করতেই পারেনি বরং জনজীবনের সবক্ষেত্রে সংকট তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্যদ্রব্যের অভাব, সরকারের তীব্র দমননীতি, গণতন্ত্রহীনতা, একদলীয় সর্বাত্মকবাদী শাসনে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হতে থাকায় এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ রাজপথের আন্দোলনে নেমে এসেছে মাদুরো সরকারের পতনের দাবিতে।

দেশে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেয় ২০১০ সালের পর থেকে। মানুষের খাদ্য চাহিদাসহ দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপণ্য, ঔষধপত্র ইত্যাদি জীবনধারণের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। দেশে দুর্ভিক্ষাবস্থা দেখা দেওয়ায় ভেনিজুয়েলিয়ানরা ২০১৪ সাল থেকেই দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে গিয়ে আশ্রয় নিতে শুরু করে। ভেনিজুয়েলার অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্যাভাবে বিরাজির দুর্ভিক্ষাবস্থা, দেশ ছেড়ে মানুষের পালিয়ে যাওয়া মানবিক বিপর্যয় ইত্যাদি কারণগুলো দেশটির রাজনীতিতে সংকট তৈরি করেছে। মাদুরো সরকার অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ। অথচ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তিনি প্রবল জনমতকে উপেক্ষা করে চলেছেন। যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা ছিল প্রবল, সে সংকটে সেনাবাহিনী এগিয়ে এসে দেশকে রাজনৈতিক সংকট থেকে উদ্ধার করবে, সেটিও হয়নি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেনাবাহিনী মাদুরো সরকারের প্রতি অনুগত থেকে কাজ করবে। এ সংকটে এবং ফলে দেশটিতে এখন দুটি সরকার। একটির নেতা ক্ষমতাসীন মাদুরো এবং অন্যটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন জনসমর্থিত স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট গুইদো। তাই অপেক্ষা, সমাধান কোন পথে শান্তিপূর্ণ আলোচনার ভিত্তিতে নাকি সশস্ত্র গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে সংকটের সমাধান ও জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে। তবে বর্তমানে ভেনিজুয়েলার অবস্থা বিবেচনায় বিশেষজ্ঞদের অভিমত, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, দিন যত গড়াচ্ছে দেশের মানুষ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। এরূপ অবস্থায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট গুইদোর সমর্থনে আমেরিকানরা সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে। আর সেটি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভেনিজুয়েলার অবস্থা এখন টালমাটাল। বলা হয়, মাদুরো রাষ্ট্রক্ষমতায় টিকে আছেন সশস্ত্র বাহিনীর সমর্থনে। অন্যদিকে স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট গুইদোর পেছনে এসে সমবেত হয়েছেন ভেনিজুয়েলার লাখ লাখ মানুষ। এই জনগণই এখন গুইদোর মূল শক্তি এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মাদুরো সরকারের পদত্যাগ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন তীব্রতর করার আহবান জানিয়েছেন। বলা যেতে পারে, হয়তো রাজপথেই ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মাদুরো না গুইদোÑ কে হবেন ভেনিজুয়েলার নিয়ন্ত্রক, সেটি জানতে অপেক্ষা করতে হবে কয়েক সপ্তাহ, মাস বা কয়েক বছর। কারণ ভেনিজুয়েলার সংকট এখন আর অভ্যন্তরীণ সংকটে সীমাবদ্ধ নেই। বৃহৎ শক্তিগুলো জড়িয়ে পড়েছে। আরেকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে ভেনিজুয়েলার বিচার বিভাগ। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বিচার বিভাগ একাধিকবার আইন বিভাগ ও রাজনীতির ওপরে সুস্পষ্টভাবে আগ বাড়িয়ে চড়াও হয়েছে কিসের অনুপ্রেরণায় কাদের স্বার্থে তাকে বলবে?

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

raihan567@zahoo.com

"