প্রত্যাশা

ভোক্তা অধিকার ও তৃৃণমূলে সুশাসন

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

এস এম নাজের হোসাইন

চতুর্থবারের মতো ও টানা তৃতীয়বার দেশের প্রধান মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা। ৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শপথ করানোর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে দেশের আপামর জনসাধারণের প্রত্যাশা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বর্তমান মন্ত্রিসভা ও মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্যরা সরকারের দিনবদলের সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে উপনীত করা, দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনিক কাঠামোতে সংস্কার আনতে সক্ষম হবেন। দেশের মানুষ নাগরিক হিসেবে যোগ্য সম্মান পাবে, একই সঙ্গে নাগরিকের মৌলিক অধিকার বিশেষ করে ভোক্তা অধিকার (সুশিক্ষা, সুচিকিৎসা, নিরাপদ খাদ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, বস্ত্র, নিরাপদ আবাসন, নিরাপদ সড়ক যাতায়াত, আইসিটি, ব্যাংকিং ও আর্থিক অধিকারগুলো) সুরক্ষিত হবে। নাগরিকদের মুক্তচিন্তা ও মতামতের প্রতিফলন ঘটানোর অধিকারগুলো রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। যদিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদের ৬১ শতাংশ সদস্য ব্যবসায়ী। নির্বাচনের পূর্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় সরকারকে ব্যবসায়ীবান্ধব করার অঙ্গীকার করেছিলেন। সে অনুযায়ী মন্ত্রিসভায় বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী স্থান পেলেও দেশের ভোক্তা অধিকার কর্মী ও সচেতন জনগণ আশা ছাড়েননি। কারণ, জাতির জনকের মেয়ে হিসেবে এবং মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃৃত্ব প্রদানের কারণে দেশের মানুষ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন শেখ হাসিনার হাত ধরেই দেশের শাসনতান্ত্রিক, সুশাসন প্রতিষ্ঠাসহ অনেকগুলো যুগান্তকারী পরিবর্তন সম্ভব হবে। সে কারণে জনপ্রত্যাশা হলো সাধারণ জনগণের নিত্যদিনকার সমস্যা নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য মূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ, মজুদদারি, ফঁড়িয়া ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাজারে অসাধু সংঘবদ্ধ ব্যবসায়ী বা সিন্ডিকেট রোধে প্রতিযোগিতামূলক আইনের যথাযথ প্রয়োগ, পণ্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলনে প্রাইস কমিশন গঠন ও বাস্তবায়ন, পণ্যমূল্যের সিন্ডিকেট, বাণিজ্যে অনৈতিকতা রোধ ও সব সেবা-সার্ভিসে অব্যবস্থা নিরসনে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-০৯ পরিবর্তন-পরিমার্জন করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আপদকালীন বিকল্পব্যবস্থা হিসেবে টিসিবিকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা; শহর-নগরে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনমান রক্ষায় বিদ্যমান ‘বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১’ পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করে জনস্বার্থে তা কার্যকর করা, সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দিয়ে নগরে বসবাসরত নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের জন্য ফ্ল্যাট বরাদ্দের ব্যবস্থা করা, সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ শর্তে গৃহনির্মাণ ঋণ, খাদ্যে ভেজাল, ফরমালিন ও বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশ্রণরোধে নিরাপদ খাদ্য আইন-১৩ বাস্তবায়ন জোরদার করা, সিন্ডিকেটভিত্তিক বর্তমান গণপরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো, রেলপথকে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করে রেলপথের সেবা সাধারণ জনগণের আওতায় নিয়ে আসা, সরকারি নাগরিক সেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ভোক্তাদের সত্যিকারের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোক্তা প্রতিনিধি নির্বাচনে ক্যাব প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত, বাজার তদারকিকে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অত্যাবশ্যকীয় কাজের আওতায় আনার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি, সরকারিভাবে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোকেও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান, আর্থিক ও ঋণ কেলেংকারি রোধ, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে গ্রাহকদের অধিকার সংরক্ষণ, ভোগান্তি নিরসনে ব্যাংক, আর্থিক খাতে সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, গ্রাহকদের অধিকার সুরক্ষা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় গ্রাহকদের সত্যিকারের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, সরকারি-বেসকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও কোচিং-বাণিজ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ, নিয়ন্ত্রণহীন টেলিকম ও আইটি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, ওষুধ ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণহীন ভেজাল, মূল্য আদায়ের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সরকারি হাসপাতালগুলোয় সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত ও গ্রাহক ভোগান্তি নিরসন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা, কৃষি খাতে সত্যিকারের কৃষক পর্যায়ে ভর্র্তুকি পৌঁছানো নিশ্চিত ও প্রণোদনা বাড়ানো ও নিশ্চিত করা, কৃষকের পণ্যের বিক্রয় মূল্য ও খোলা বাজারে খুচরা বিক্রয়মূল্যের একটি সীমা নির্ধারণ, খুচরা বাজারে মূল্য বৃদ্ধিকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন। কারণ, মন্ত্রিসভায় বা সরকারের বিভিন্ন অংশে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তারা সরাসরি ভোক্তা না হলেও এ সমস্যাগুলো থেকে তাদের আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী কেউই রেহাই পাচ্ছেন না। সে কারণে দেশের মানুষ প্রতিনিয়তই এ ধরনের সমস্যাগুলোয় জর্জরিত এবং জীবন ও জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ ছাড়া বর্তমান ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বেশি কিছু বিষয়ে প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়েছে, যা তারা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবেন। বিশেষ করে প্রশাসনের সর্বস্তরে ই-গভর্নেন্স সেবা, সরকারি জনসেবার তথ্য জানতে প্রশাসনকে বাধ্যতামূলকভাবে তথ্য প্রদানে ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯’ কার্যকর করা, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ দুর্নীতিমুক্ত দেশপ্রেমিক গণমুখী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, ন্যায়পরায়ণতা এবং জনসেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পরিষদসহ পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলোকে শক্তিশালীকরণ, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা উন্নত ও প্রসারিত করা, নগর ও শহরে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং নগর ব্যবস্থাপনায় অধিকতর স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনগণের অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, বর্তমানে পরিচালিত সামাজিক সুরক্ষার আওতা ও পরিধি বাড়ানো, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষি উপকরণের ওপর ভর্তুকি বাড়ানো, কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা, ফসল প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষিপণ্যের দক্ষ সাপ্লাই চেন/ভ্যালু চেইন গড়ে তোলা, ছোট ও মাঝারি আকারের দুগ্ধ ও পোলট্রি খামার প্রতিষ্ঠা এবং মৎস্য চাষের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, প্রয়োজনমতো ভর্তুকি, প্রযুক্তিগত সহায়তা বৃদ্ধি করা, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনায়ন, আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা, তৃণমূলে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে প্রশাসনের সব পর্যায়ে ত্রিপক্ষীয় গণশুনানির আয়োজন করা, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত, ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য বন্ধ, ওষুধ, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, আইসিটিসহ সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষে গ্রাহক হয়রানি রোধ ও সেবার মান নিশ্চিতে ভোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারি নজরদারি নিশ্চিত করা অন্যতম।

দেশে সত্যিকারের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আর একটি জটিল সমস্যা হলো প্রচলিত শাসনব্যবস্থায় সমাজের সব শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ থাকে না। যদিও বর্তমান ক্ষমতাসীন দল জাতীয় সংসদে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে মনোনয়ন দিয়েছিল। যদিও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মালিক সব জনগণ বলা হলেও শাসনব্যবস্থায় সমাজের সব পর্যায়ের শ্রেণি-পেশার নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত। শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন বা ভোট দেওয়া ছাড়া আর কোনো ভূমিকা নেই। যদিও অনেক সময় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ভোট নেওয়ার পর আর জনগণের মুখোমুখি হতে চায় না। কথায় কথায় তারা বলেন, আমরা ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত। এটা সত্যিকারের গণতান্ত্রিক আচরণের পর্যায়ে পড়ে না। এ জন্য সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চা আবশ্যক। এই সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার বিষয়টি রাজনীতিতে অনুপস্থিতির কারণে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনিয়ম, অবজ্ঞা ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত মূল্যহীন হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে রাষ্ট্রীয় সেবাদানকারী সংস্থার ব্যবস্থাপনায়। যেখানে অনেকগুলো খাতে শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই নীতিনির্ধারণ করে থাকেন, আবার অনেক জায়গায় সরকারি কর্মকর্তা ও ওই সেক্টরের ব্যবসায়ীরা মিলে যৌথভাবে নীতিনির্ধারণ করে থাকেন। অথচ এখানে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বা যাদের জন্য এই সেবা সার্ভিস তাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব থাকে না। তবে অনেক জায়গায় এসব পদেও সমাজের ওপরতলার লোকজন দখল করে নেন। নীতিনির্ধারক মহল চিন্তাও করে না, যাদের জন্য এই সেবা বা বিধান তাদের কোনো মতামতের প্রতিফলন দরকার আছে কি না? ব্রিটিশ আমলের ঘুণে ধরা আমলাতন্ত্রের সংস্কার ব্রিটিশরা করতে পারলেও বাংলাদেশ তা এখনো পারেনি। যার কারণে রাষ্ট্রীয় সেবাদানকারী সংস্থা ও নাগরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কমিটিতে এখনো সেই ব্রিটিশদের নির্দেশিত পথেই হাঁটছে। ফলে ভোক্তা ও নাগরিক অধিকার সংশ্লিষ্ট কমিটি ও সেবদানকারী সংস্থায় এখনো সত্যিকারের ভোক্তা প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়নি।

তাই এখনই সময় নতুন সরকারের নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করার আগে এ বিষয়ে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। বিশেষ করে সরকারি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর স্বচ্ছ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক জবাবদিহিকে নাগরিক তদারকি ও পরীবিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। নাগরিক অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ভোক্তা অধিকার ও নাগরিক সংগঠনগুলোকে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি সরকারি নাগরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কমিটি ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগদান এবং এসব নাগরিক প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাড়িভাড়া, হোর্ল্ডিং ট্যাক্স, গণপরিবহন, নগর ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও বাণিজ্য ইত্যাদি বিষয়ে নাগরিক ভোগান্তি নিরসনে গ্রাহক, সেবাদানকারী সংস্থা ও ভোক্তা প্রতিনিধি, প্রশাসনের সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় গণশুনানির মাধ্যমে নাগরিক পরীবিক্ষণ, অংশগ্রহণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সুশাসন জোরদার করতে হবে।

লেখক : ভাইস প্রেসিডেন্ট

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

[email protected]

"