আন্তর্জাতিক

সেনা প্রত্যাহারে চাপের মুখে ট্রাম্প

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

রায়হান আহমেদ তপাদার
ama ami

সিরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে টুইটার পোস্টে তিনি বলেন, আমরা সিরিয়ায় আইএসকে হারিয়েছি। শুধু আইএসকে হটানোর জন্যই তাদের সেখানে রাখা হয়েছিল। টুইটারে আরেক পোস্টে তিনি বলেন, আইএসের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক জয়লাভের পর এখন আমাদের তরুণদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার সময় হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর ও প্রশাসনিক সূত্র সিএনএনকে জানায়, সেনা ফেরানোর পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের ঘোষণার ফলে সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনীর দুই হাজার সদস্য সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে এ পদক্ষেপ খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিজস্ব মূল্যায়নের বিপরীত। এমনকি এ ঘোষণায় রিপাবলিকান পার্টির অনেক সিনিয়র সদস্যও বিস্ময় এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানান, সেনা প্রত্যাহারের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে ২০১৯ সালে জানুয়ারির মাঝামাঝি মার্কিন বাহিনী সিরিয়া থেকে ফিরিয়ে আনা হবে। সিরিয়ায় মোটা দাগে আইএসের পতন হলেও জঙ্গিগোষ্ঠীটির অস্তিত্ব পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়নি। দেশটির কিছু কিছু স্থানে এখনো তাদের উপস্থিতি রয়েছে। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ভাবছিলেন আইএসের পুনরুত্থান না ঘটার বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন সেনারা সেখানে অবস্থান করুক। তবে ট্রাম্প জোরালোভাবে তা নাকচ করে দিয়েছেন।

ট্রাম্পের সর্বসাম্প্রতিক ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় পেন্টাগন বলেছে, তারা সিরিয়ায় বিমান আক্রমণ অব্যাহত রাখবে। পেন্টাগন সেনা প্রত্যাহারের কোনো টাইমলাইন দেয়নি। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা ও অপারেশনগত নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করেছে। যেহেতু ট্রাম্পের এই সেনা প্রত্যাহার ঘোষণা ফরেন পলিসি স্টাবলিশমেন্টের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তা যুদ্ধ অবসানের আন্দোলন জোরদার করতে হবে ট্রাম্পের সমর্থনে। ট্রাম্প এই প্রথম বলেননি, সিরিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটাবেন। তিনি তা বলেছিলেন গত মার্চেও। কিন্তু জেমস ম্যাটিস এপ্রিলে বলেছিলেন সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর সম্প্রসারণ ঘটাবেন। সেপেটম্বর পেন্টাগন বলল, মার্কিন বাহিনী সিরিয়ায় তত দিন পর্যন্ত থাকবে, যত দিন না দামেস্ক ও এর রাজনৈতিক বিরোধীরা পুরোপুরি সেটেলমেন্ট অর্জন করে। তাই বলতে হচ্ছে, ট্রাম্পের এই সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা বাস্তবায়ন আসলেই তার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জনশক্তি এমন এক শক্তি, যা সবকিছু ওলট-পালট করে দিতে পারে। সিরিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ প্রায় থামিয়ে দেওয়ার পেছনে রয়েছে এই জনশক্তি। ২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামা পারেননি এই যুদ্ধ কংগ্রেসে অনুমোদন করিয়ে নিতে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে পেন্টাগন ও ফরেন পলিসি এস্টাবলিস্টমেন্ট দীর্ঘদিন থেকে চেয়েছিল সিরিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে। তাই এরা সিরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামল। এই যুদ্ধ ডেকে আনল এক ধ্বংসযজ্ঞ। যুদ্ধের ফলে নিহত ও আহত হলো কয়েক লাখ মানুষ। বাস্তুচ্যুত হলো ৬০ লাখর মতো। দেশ ছেড়ে পালাল ৫০ লাখ সিরীয়। এতে প্রমাণ হলো মার্কিন জনগণ সঠিক ছিল, ভুল করেছে সামরিক লোকজন। জনগণের নির্দেশিত পথে চললে সিরিয়ার এই যুদ্ধ কখনোই হতো না। জনগণের চাওয়া-পাওয়া হিসেবেই এখন এই যুদ্ধের অবসান হতে হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত সপ্তাহে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে আসাদ সরকার পতনের এই যুদ্ধে আল-কায়েদা লিঙ্কড মিলিশিয়াদের প্রতি সিআইএর সমর্থনে একটি পরিবর্তন আসে। যুক্তরাষ্ট্র সৈন্যরা পরিচালনা করে একটি বিমান হামলা অভিযান। এর ফলে ধ্বংস হয়ে যায় রাক্কা সিটি। সিরিয়ার অন্যান্য কয়েকটি জনপদও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। সরেজমিনে তদন্ত করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় যুদ্ধাপরাধ সংঘটন করেছে। জনৈক বিজয় প্রসাদের বর্ণনা মতে, যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় পার্থিব-নরক সৃষ্টি করে চলেছে। এর পরও যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার যুদ্ধে হেরেই চলেছে। রাশিয়া তার মিত্রের সহায়তায় এগিয়ে আসায় হাফেজ আল-আসাদের পতন সম্ভব হচ্ছে না। একটি নন-ইন্টারভেনশনিস্ট বেস ভোট দিয়ে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছিল। সেই বেসটির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ট্রাম্প সিরিয়ার যুদ্ধকে আরো এগিয়ে নিয়ে গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেলে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের খাদে। করপোরেট মিডিয়াগুলো এ ক্ষেত্রে ট্রাম্পের প্রশংসায় এগিয়ে আসে। এই বোমাবাজি ও প্রেসিডেন্টকে এরা প্রশংসা করে, যদিও তিনি সিরিয়ার বিরুদ্ধে একটি রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অপ্রমাণিত অভিযোগে সিরিয়া যুদ্ধ শুরু করে। পরবর্তী সময়ে এমনকি জেনারেল জেমস ম্যাটিস স্বীকার করেছেন, হাফেজ আল-আসাদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণগত ভিত্তি নেই। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছিল।

কিন্তু সিরিয়ার এক-তৃতীয়াংশজুড়ে আমেরিকার সেনাবাহিনী অবস্থান করবে একটি স্বায়ত্তশাসিত ডি-ফেক্টো কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। সেখানে একটি গ্রাউন্ড ফোর্স হিসেব তাদের সহায়তা দেবে ৩০ হাজার সিরিয়ান কুর্দি সৈন্য। আর এর প্রতি সমর্থন থাকবে ও তাদের প্রতিরক্ষা দেবে মার্কিন প্রক্সি আর্মি। তখন এই ঘোষণাটি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেটস রেক্স টিলারসন। টিলারসন বলেছিলেন, এদের পেছনে থাকবে বিমানবাহিনীর সহায়তা। এর জন্য তৈরি করা হবে আটটি নতুন ঘাঁটি। তখনকার সময় সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলার প্রতিবাদ উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্রে ও বিশ্বজুড়ে। কিন্তু এখন জানা যায়, সিরিয়ার জনগণ টিকে আছে এবং এরা দেশটির বেশির ভাগ এলাকা দখলমুক্ত করতে পেরেছে। জনগণ বাড়িঘরে ফিরে আসছে এবং কাজ করছে পুনর্গঠনে। ট্রাম্প সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। তিনি বলেছেন, আগামী ৬০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে সিরিয়া থেকে আমেরিকার ২ হাজার সৈন্যের সবাইকে প্রত্যাহার করা হবে। তার এ ঘোষণা প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েছে। এই বিরোধিতা করছে পেন্টাগন, শীর্ষসারির ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানরা এবং ওয়াশিংটনের ন্যাটো জোটের মিত্ররা। এটি ট্রাম্পের ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য রীতিমতো একটি চ্যালেঞ্জ। এদিকে রাশিয়া সিরিয়ায় এর সামরিক কর্মকা- কমিয়ে আনছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সিরিয়া বাহিনী রাশিয়ার বিমান দিয়ে যেসব বিমান হামলা চালাচ্ছিল, তার সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমিয়ে এনেছে। ব্যাপক যুদ্ধের সময়ের তুলনায় এখন তা ৯৯ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেছেন, একসময় দিনে ১০০ থেকে ১১০টি ফ্লাইট চালানো হতো, এখন তা ২-৪টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন স্বীকার করেছেন, আইএসআই পরাজিত হয়েছে এবং তিনি ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার ব্যাপারে সন্দেহের তীরও ছুড়ে দিয়েছেন। শুধু এরাই ট্রাম্পের সিরিয়া থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা সমর্থন করছে না। কোড পিঙ্ক-এর মেডিয়া বেঞ্জামিন এই সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণাকে বর্ণনা করেছেন ‘অ্যা পজিটিভ কনট্রিবিউশন টু দ্য পিস প্রসেস’ হিসেবে। তিনি সব বিদেশি শক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ যারা সিরিয়া ধ্বংসের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তারা যেন এই দেশটির পুনর্গঠন কাজে অংশ নেন। তারা যেন সিরিয়ার শরণার্থীসহ জনগণের সহায়তায় এগিয়ে আসেন। কারণ সিরিয়ার জনগণ বিগত সাতটি বছর অনেক দুর্ভোগ সয়েছে। ভেটারানস ফর পিস সংগঠনটি মার্কিন বিমানবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের বর্ণনাও তুলে ধরেছে। একইভাবে ‘ব্ল্যাক অ্যালায়েন্স ফর পিস’ (বিএপি) এই ঘোষণার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এই জোট লিখেছে : ‘ওয়ার শুড নট হ্যাভ নেভার বিন অ্যালাউড ইন দ্য ফার্স্ট প্লেস।’ এরা করপোরেট প্রেসের সমালোচনা করেছে এই সেনা প্রত্যাহারের বিরোধিতা করে তাদের রাজনৈতিক দ্বিচারিতা প্রদর্শনের জন্য। বিএনপি স্বীকার করে, এরা যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে এই সেনা প্রত্যাহার ও ঘোষিত প্রতিশ্রুতি যেন শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয় সিরিয়া ও অন্যান্য দেশের সাথে এ ধরনের সংশ্লিষ্টতার অবসান ঘটিয়ে।

অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল সেই অভ্যুত্থানের, যার ফলে সে দেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট মিলিটারি অ্যাটাশে স্টিফেন জে. মিয়াডি, যিনি সিআইএ-রও একজন কর্মকর্তা ছিলেন, তিনি এ অভ্যুত্থানের পরিকল্পনায় হাত মিলিয়ে ছিলেন সিরিয়ান চিফ অব স্টাফ হুসনি জায়েমের সাথে। যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন ছিল তুরস্কের সাথে সিরিয়ার সীমান্ত বিরোধ ও তেল পাইপলাইনের ব্যাপারে। তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন ছিল বামদের ক্রমবর্ধমান শক্তি বেড়ে চলা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সরকারের ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বের ব্যাপারে। প্রশ্ন হচ্ছে সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সরকার বদলের ইতিহাসের অবসান ঘটবে কি না? সিরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখার যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার ইতিহাস সুদীর্ঘ, সেই ১৯৪০-এর দশক থেকে। সিরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নীতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অব্যাহত প্রক্রিয়া। ১৯৮৬ সালের সিআইএ ডকুমেন্টে বর্ণনা আছে, কী করে যুক্তরাষ্ট্র আসাদ পরিবারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছিল। ওবামা প্রশাসনের সময় সিরিয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরিকল্পনা করা হয়। তবে আসাদকে উৎখাতের পরিকল্পনা করা হয় জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসনের সময়ে। পররাষ্ট্র দফতরের একটি তারবার্তায় সিরিয়ায় সরকার বদলের বিষয়টির প্রমাণ আছে। আসল কথা হচ্ছে এখন জনগণের আন্দোলনের জোরদার করার মধ্য দিয়েই নিশ্চিত করতে হবে সিরিয়ার যুদ্ধের অবসান। শান্তি আন্দোলনকারীদেরই এগিয়ে আসতে হবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার প্রতি সমর্থন জানিয়ে। তাদেরই এ ক্ষেত্রে হতে হবে ট্রাম্পের মিত্র। সিরিয়া ও আফগানিস্তানের যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র কাউন্টার প্রডাক্টিভ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে পুতিন বলেন, আইএসের বিরুদ্ধে জয়ের বিষয়ে সার্বিকভাবে আমি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একমত। তিনি বলেন, আমরা সিরিয়ায় আইএসের ওপর গুরুতর আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছি। যদি যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তাহলে আফগানিস্তানে ১৭ বছর থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে আসার মতো অবস্থা হবে। পুতিন বলেন, আমরা এখনো মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কোনো চিহ্ন দেখিনি, কিন্তু আমি মনে করি হয়তো এটা ঘটবে। এদিকে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস। এর আগে সিরিয়ায় অবৈধভাবে মার্কিন সেনা উপস্থিতি শান্তির পথে বিপজ্জনক বাধা বলে মন্তব্য করে রাশিয়া। একই সঙ্গে সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা সরানোর দাবি জানিয়েছে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, যেহেতু সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র একটি পক্ষ সে কারণে সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের অবৈধ উপস্থিতি শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করেছে।

লেখক : গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট

raihan567@yahoo.com

"