বিশ্লেষণ

স্বপ্নপূরণের পথে আমরা

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

এস এম মুকুল

উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন অবাক বিস্ময়ের নাম। ৭০ দশকের ‘তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ নব্বই দশক থেকেই ঘুচাতে শুরু করে বাংলাদেশ। হাজারো প্রতিকূলতা আর সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ক্রমাগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। ১৯৭১-এ সদ্য স্বাধীন হওয়া সাহায্যনির্ভর বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে রোল মডেলের খ্যাতি অর্জন করে অনেক আগেই। শত বাধা পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। বাংলাদেশ উন্নয়ন ইতিহাসের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে। বহুমাত্রিক সম্ভাবনায় বিশ্বে বাংলাদেশ নামটি অনন্য সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত। বাংলাদেশের উন্নয়নের সূচকগুলো দেশকে ক্রমাগতভাবে অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে ধাবিত করেছে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে অভিগমনের প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের জনগণের জন্য এটি বিরাট সুখবর। উন্নয়নশীল দেশ হতে হলে এলডিসি থেকে উত্তরণে মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা এই তিনটি সূচকের যেকোনো দুটি অর্জন করতে হয়। বাংলাদেশ সগৌরবে তিনটি মানদ-েই যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছে। এই অর্জন অভূতপূর্বÑএই অর্জন দেশের উন্নয়ন ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিকতার প্রেরণায় মাইলফলক ভূমিকা রাখবে।

আমরা এখন গর্ব করে বলতে পারি- বর্তমান বাংলাদেশ, আশাবাদের দেশ। শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে বাংলাদেশের এখন শুধুই সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। বাংলাদেশ একটি প্রত্যয়ী রাষ্ট্র। কারণ আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিÑ আমরা পারি, আমরা অসম্ভবকে করে দেখাই। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীণতা, সার্বভৌমত্ব অর্জন; ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ আজকের বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এসব কিছুই আমাদের অর্জন করতে হয়েছে। কারো দয়ার দানে বাংলাদেশ মুখাপেক্ষী নইÑ সে কথাও আমরা দেশের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্বকে জানাতে সক্ষম হয়েছি। কাজেই, এই বাংলাদেশ আর থেমে থাকবে না। আরো পরিকল্পিত উপায়ে অগ্রসর হলে আমাদের সফলতা অনিবার্য। দ্রুত বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যা ভাবনার বিষয় হলেও আমাদের ১৬ কোটি জনসংখ্যা এখন সমস্যা নয়। যার মধ্যে রয়েছে প্রায় ৫ কোটি তরুণ তাজা প্রাণ। তরুণরাই পাল্টে দিতে পারে বাংলাদেশকে। কারণ এরা প্রযুক্তি জ্ঞান, কর্মোদ্যমে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। এখন দরকার শুরু সঠিক দিকনির্দেশনা, প্রশিক্ষণ এবং সবার জন্য উপযোগী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। তাহলে এই বিশাল দক্ষ জনশক্তিই বিপুল সম্ভাবনার ক্ষেত্র হিসেবে পরিগণিত হবে। ষোলো কোটি মানুষের মেধা আর বত্রিশ কোটি দক্ষ কর্মীর হাতের পরশে যেকোনো ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব।

আমরা জানি, বাংলাদেশের শিল্প বিকাশে দেশীয় উদ্যোক্তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল পরিবেশ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যথেষ্ট সহনশীলভাবে দেশীয় শিল্প বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা। বলাবাহুল্য, একটি দেশ উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চাইলে সে দেশে অবশ্যই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কারণ প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ এবং সরকারের শিল্পবান্ধব ভূমিকার মধ্যে নিরিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথির মোহাম্মদের বিনিয়োগ নীতিকে দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। মাহাথির মোহাম্মদ সরকারের কাছে ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তাদের প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করে দিয়ে তাদের সর্বোতভাবে সুবিধা প্রদান করে শিল্প বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পেরেছে। মনে রাখতে হবে, শিল্পের সঙ্গে কর্মসংস্থান, উৎপাদন, রফতানির বিরাট সংযোগ রয়েছে। কাজেই এ ক্ষেত্রে সরকারের মনোনিবেশ কাম্য।

উন্নয়নের মহাসড়কে এখন বাংলাদেশ। আশা করা যায়, সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিলে আর পথ হারাবে না দেশটি। বলতে দ্বিধা নেই, দুর্নীতি অনিয়মের সমালোচনা থাকলেও উন্নয়নের ট্রেনটি থেমে নেই। দুর্নীতি, অনিয়ম কাম্য নয়, তা হয়তোবা আমরা পুরো মাত্রায় বন্ধও করতে পারব না। তবে উন্নয়নের গতি থেমে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে আমাদের। তাই গতি সচল রাখতে দরকার রাজনৈতিক সহনশীলতা বা স্থিরতা, সমঝোতা সর্বোপরি ব্যবসা-বাণিজ্যের সহায়ক পরিবেশ। পরিবেশ নিশ্চিত হলেই উন্নয়নের চাকা আরো গতিশীল হবে। আমরা এখন উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর। দেশজুড়ে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজও চলছে। চার লেন মহাসড়ক, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পানগাঁও নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প, গ্যাস সংকট নিরসনে এলএনজি টার্মিনাল প্রকল্প, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রল্প, পায়রা সমুদ্রবন্দর, রাজধানীর চারপাশে স্যুয়ারেজ ট্যানেল নির্মাণ, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ এবং দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার-ঘুনধুম প্রকল্প, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ যেমন অনেক বেশিÑসম্ভাবনার হাতছানিও কম নয়। কারণ আমরা পাতাল রেলের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। বুলেট ট্রেন চলবে এই দেশেÑএমন স্বপ্ন সম্ভাবনা এখন দেশের জনগণের চোখে-মুখে। এমন স্বপ্নপূরণে সব রকম বাধা পেরিয়ে, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাহসী ভূমিকার নজির স্থাপন করবে ইনশাআল্লাহ। অর্থনীতি বিশারদরাও বলছেন, বাংলাদেশ-পরবর্তী ভারত বা চায় না হতে পারে। এ জন্য দেশের শিল্প উদ্যোক্তাদের যথাযথ ব্র্যান্ডিং কৌশল নিতে হবে। আমার কাছেও মনে হয়, আমাদের দেশীয় শিল্প বিকাশ নীতি বাস্তবায়িত হলে উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। কারণ শুধু কৃষিনির্ভর দেশ পৃথিবীতে অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এমন প্রমাণ পাওয়া অসম্ভব। কাজেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্প বিকাশনীতিকে অগ্রাধিকারের মানসিকতায় নিয়ে আসার বিকল্প নেই। কেন না, শিল্পকে বিকশিত হতে না দিলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বন্ধ হবে। ফলে সরকারের ওপর কর্মসংস্থান সৃষ্টির চাপ বাড়বে। বাড়বে মাদকতা, ছিনতাই, অপহরণ, জঙ্গিবাদ, খুনসহ বহুবিধ অপরাধ। আর এসবের দায় অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা হিসেবে সরকারের ওপরই পড়বে।

বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জাতীয় আয় ক্রমেই বাড়ছে। দিন দিন চাষাবাদের জমি কমলেও ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত ফসল রফতানি হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের শীর্ষপর্যায়ের ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশের সৈনিকরা। ক্রমবর্ধমান ব্যাংক রিজার্ভের পরিমাণ বড় হচ্ছে। এভাবেই রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ যে শক্তিশালী হচ্ছে, তা সাড়া বিশ্বও টের পাচ্ছে। বাংলাদেশসহ ১০টি দেশ আগামী ১০ বছরে বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে। আমরা মনে করি, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন নীতিতে বাংলাদেশ কেবলই সামনে এগিয়ে যাবে। সময়সীমার আগেই বাংলাদেশ কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন করে বিশ্বে আবার নতুন নজির সৃষ্টি করবে। কারণ দারিদ্র্য হ্রাস ও উন্নয়নের অগ্রগতির জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পেরেছে। বাংলাদেশ অতিদারিদ্র্যের হার নিচে নেমে এসেছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। এই লক্ষণগুলো একটি দেশের এগিয়ে যাওয়ার লক্ষণ। আর এ কারণে অনেক সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার পথে। তবে সার্বিকভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এখন আমাদের আরো বেশি মনোযোগী হতে হবে। দেশীয় পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্র ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশে বিভিন্ন প্রান্তের আঞ্চলভিত্তিক উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করতে শিল্প বাণিজ্যিক উদ্যোক্তাদের সেসব স্থানে উপযোগী শিল্প স্থাপনে প্রণোদনা জোগাতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য অঞ্চলভিত্তিক শিল্প স্থাপিত হলে উৎপাদিত ফসলের অপচয় কমবে, উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টির ফলে মানুষের মহানগরকেন্দ্রিক চাপ কমবে। যেমন যেখানে বেশি আলু উৎপাদন হয়, সেখানে আলু সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং আলু দিয়ে খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুতকারক শিল্প স্থাপন করা। তেমনি টমেটো, আম, গমসহ অন্যান্য ফসল এমনকি ঐতিহ্যবাহী পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে। দেশীয় শিল্প ও ব্যাপক কর্মসংস্থানবান্ধব নীতিতে এগিয়ে গেলে এই বাংলাদেশ আর থামবে না। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দেশের মর্যাদা বাড়ায় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনাও দেখা দেবে। তাই এখন প্রয়োজন বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রণোদনা ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করা।

আমাদের উদ্যমী শিল্প-উদ্যোক্তারা তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় সম্পূর্ণ দেশীয় বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে ক্রমেই গ্রুপ অব কোম্পানিতে পরিণত করেছেন। মনে রাখতে হবে, শিল্পের মালিক উদ্যোক্তা হলেও শিল্পপ্রতিষ্ঠান কেবল নিজের সম্পদ নয়Ñএসব শিল্প উদ্যোগের সঙ্গে লাখো কোটি মানুষের কর্মসংস্থান ও জনগণের বিনিময় সম্পৃক্ততা রয়েছে। দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখার উদ্দেশ্য নিয়েই শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু মালিক বা উদ্যোক্তারা নন, লাভবান হয় দেশের মানুষ, সমাজ এবং রাষ্ট্রও। সরকারকে ভাবতে হবে বেসরকারি উদ্যোক্তারা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ নিয়ে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে সচেষ্ট রয়েছেন। সরকারের নিয়মবিধির জাঁতাকলে তিনি যদি একটি উদ্যোগও বন্ধ রাখেন, তাহলে মানুষের কর্মসংস্থানের দায়িত্ব কে নেবে? সরকার রাজস্ব পাবেন কোত্থেকে? দেশের চাহিদা কীভাবে মিটবে? রফতানি আয় কীভাবে বাড়বে? এ কারণে দেশীয় শিল্প উদ্যোগগুলোকে অধিকতর সুবিধা দিয়ে এগিয়ে যেতে দিতে হবে। বেকার যুবসমাজকে কাজ না দিয়ে মাদককে না বলো সেøাগানে লাভ হবে না। জঙ্গিবাদ নির্মূলের চেষ্টাও সফল হবে না। বরং তাদের কাজ দিয়ে মাদক কিংবা জঙ্গিবাদের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার উপায় সৃষ্টি করাটাই উত্তম। সাধারণ মানুষের সঞ্চয় বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম এখনো সামাজিক উদ্যোগ। এসব সামাজিক উদ্যোগগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিলে পাল্টে যাবে দেশের চেহারা। আমরা সেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যে স্বপ্নের প্রত্যাশায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হয়। তারই যোগ্য মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাতিকে সেই উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্নের উজ্জীবিত করেছেন। আমরা এই স্বপ্নপূরণের পথ হারাতে চাই না।

লেখক : কৃষি অর্থনীতি বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

writetomukul36@gmail.com

 

"