নারী ভোটারে পাল্টে যেতে পারে হিসাব

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের দ্বিতীয় সংসদ খ্যাত ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে সরগরম হয়ে উঠেছে সারা দেশ। ডাকসুর আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হয়ে উঠেছে সার্বক্ষণিক প্রচার মাধ্যম। তবে এসব দিক ছাপিয়ে আলোচনায় রয়েছে ভোটের বিষয়টি। প্রার্থীরা যেমন ভোটার টানতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তেমনি ভোটার তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খুঁজছেন তাদের পছন্দের এবং একই সঙ্গে যোগ্য প্রার্থী। সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী কে? কোন প্রার্থীকে ভোট দেওয়া দরকার? কেন তাকে ভোট দেওয়া উচিত ইত্যাদি প্রশ্ন চাউর ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে। পাশাপাশি কোন ধরনের ভোটাররা কী ধরনের ভূমিকা রাখবেন সে আলোচনায় মুখর ক্যাম্পাস। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বিশ^বিদ্যালয়ের নারী ভোটাররা। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে মূল ব্যবধান সৃষ্টি করবেন বিশাল সংখ্যক নারী ভোটার। তারাই যেকোনো হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিতে পারেন। নারী ভোটাররা যে দিকে যাবেন সে দিকেই ঝুঁকবে জয়ের পাল্লা।

বিশ^বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ছেলেদের ১৩ ও মেয়েদের ৫ হলে ভোটার রয়েছে ৪৩ হাজার ২৫৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৬ হাজার ৯৪৪ যা মোট ভোটারের ৬২ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং নারী ১৬ হাজার ৩১২ জন; যা মোট ভোটারের ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি (৪ হাজার ৬০৮ জন) ভোটার রয়েছে রোকেয়া হলে এবং সবচেয়ে কম (১ হাজার ৩৪৬ জন) ভোটার রয়েছে অমর একুশে হলে। এর মধ্যে ছেলেদের বিজয় একাত্তর হলে ৩ হাজার ১৫৫, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে ২ হাজার ৫২, ফজলুল হক মুসলিম হলে ২ হাজার ১৭৫, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ১ হাজার ৯৮১, জগন্নাথ হলে ২ হাজার ৪৯৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হলে ১ হাজার ৭৯৯, কবি জসীমউদ্দীন হলে ১ হাজার ৬৫৮, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ২ হাজার ৫৭, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ১ হাজার ৮১৪, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ২ হাজার ৩০১, স্যার এ এফ রহমান হলে ১ হাজার ৮৪০, মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ২ হাজার ১৭০ জন। এছাড়া মেয়েদের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে ২ হাজার ২৮৮, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে ১ হাজার ৯২৮, কবি সুফিয়া কামাল হলে ৩ হাজার ৭২৪, শামসুন্নাহার হলে ৩ হাজার ৭৬৪ জন ভোটার রয়েছেন।

 

"