প্রয়াত সম্পাদক বজলুর রহমান স্মারক বক্তৃতা

সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি সংগ্রাম করে গেছেন : ঢাবি উপাচার্য

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘সম্পাদক বজলুর রহমান স্মারক বক্তৃতা’ ৬ আগস্ট রোববার অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রয়াত সাংবাদিক বজলুর রহমানের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ‘মিডিয়ায় প্রযুক্তি ও পুঁজির ছায়া : অংশীদারিত্ব, পেশাদারিত্ব ও প্রতিষ্ঠান’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন ঢাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এবং সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রয়াত সাংবাদিক বজলুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ও নিরহঙ্কার, নির্লোভ ব্যক্তি ছিলেন। অন্যায় ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তিনি সংগ্রাম করে গেছেন। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নেন। ‘সাংবাদিকতা পেশায় এ ধরনের মানুষেরই দরকার’ মন্তব্য করে উপাচার্য বলেন, ‘মিডিয়ায় প্রযুক্তি ও পুঁজির অনুপ্রবেশের কারণে সাংবাদিকতার মূল্যবোধ যেন বিকিয়ে না যায়’ সে ব্যাপারে প্রয়াত এই সাংবাদিক গণমাধ্যম কর্মীদের সতর্ক করতেন। তার জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপাচার্য বলেন, পূর্বে সাংবাদিকতা পেশায় সুযোগ-সুবিধা কম থাকলেও বস্তুনিষ্ঠতা ছিল। এখন এ পেশায় সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে, তবে বস্তুনিষ্ঠতা কমেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"